অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

সীমান্ত হত্যার বিচার করে প্রমাণ করেন আপনারা আমাদের বন্ধু দেশ-ভারতকে ড. শফিকুর রহমান

 নিজস্ব সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামী আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন ‘ভারত বলে তাঁরা আমাদের বন্ধু দেশ। ফেলানীর বিচার এখনো পেলাম না। আরো অসংখ্য সীমান্তে হত্যার বিচার পাইনি। ভারতকে আহ্বান জানাবো অন্তত এই হত্যার (হাসিনুর হত্যার) বিচারটা করে প্রমাণ করেন আপনারা আমাদের বন্ধু। মুখের কথায় বন্ধুত্ব হয়না। বন্ধুত্বের জন্য ভালোবাসা বিনিময় করতে হয়, দায়িত্ব নিতে হয়।’
শনিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে গত ১৬ এপ্রিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফের) গুলিতে নিহত হাসিনুর ইসলামের পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে তার বাড়িতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আপনাদেরকে ভালোবাসবো। আপনাদের দায়িত্ব হলো এদেশের (বাংলাদেশের) মানুষকে ভালোবাসা। আপনারা (ভারত) যদি ভালোবাসেন, তাহলে এদেশের (বাংলাদেশ) মানুষ ভালোবাসার মর্যাদা দিতে যানে। যদি বিপরীতটা করেন, সেটাও মনে রাখতে হবে। এদেশের মানুষ ভাঙ্গে কিন্তু মচকায় না। লড়াই করতে জানে, আপোষ করতে জানে না। আমরা চাই পৃথিবীর একটা সভ্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ- ভারত উভয়ে সৎ প্রতিবেশী হোক। সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠুক। নিহতের পরিবার যদি সন্তান হত্যার ন্যায় বিচার পায়, তাহলে তাদের আত্মা শান্তি পাবে। তাহলে সীমান্তে এই ধরনের আর অপকর্ম (হত্যা) আর হবে না।’
তিনি আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আগে সরকার ছিল সীমান্ত হত্যা তাঁরা দেখত না। তাদের চোখে ছিল স্টিলের গ্লাস । আমরা বর্তমান সরকারকে বলব- ইতিমধ্যে আপনারা অনেক গুরুত্বপূর্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সীমান্ত হত্যার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেন। ১৮ কোটি মানুষ আপনাদের সাথে থাকবে। সীমান্তের মানুষ শান্তি ও নিরাপদে বাঁচতে চায়। স্বাধীন দেশের মাটিতে হালচাষ ও নিঃসংকোচে চলাফেরা করতে চায়। সরকারের উদ্দেশ্যে ড. শফিকুর রহমান বলেন, হত্যাকান্ড হয়েছে আমাদের দেশের মাটিতে। নিয়ে গেছে লাশ ভারতে। হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে হবে বাংলাদেশে। আপনারা উদ্যেগ নেন। জামায়াতে ইসলামী এ পরিবারের সাথে থাকবে। ন্যায্য দাবি (বিচার) আদায়ে একসাথে কাজ করবে।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি নিহত হাসিনুরের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে শান্তনা দেন ও আর্থিক সহায়তা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহের, লালমনিরহাট-১ আসনের জামায়াত মনোনিত সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, জেলা সাবেক আমির আতাউর রহমান, হাতীবান্ধা উপজেলা আমির হাসেন আলী, পাটগ্রাম উপজেলা আমির হাফেজ শোয়াইব আহমেদ ও পাটগ্রাম পৌর জামায়াতের আমির সোহেল রানা ও নিহত হাসিনুরের বাবা জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সীমান্ত হত্যার বিচার করে প্রমাণ করেন আপনারা আমাদের বন্ধু দেশ-ভারতকে ড. শফিকুর রহমান

আপডেট টাইম : ০৬:৪১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 নিজস্ব সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামী আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন ‘ভারত বলে তাঁরা আমাদের বন্ধু দেশ। ফেলানীর বিচার এখনো পেলাম না। আরো অসংখ্য সীমান্তে হত্যার বিচার পাইনি। ভারতকে আহ্বান জানাবো অন্তত এই হত্যার (হাসিনুর হত্যার) বিচারটা করে প্রমাণ করেন আপনারা আমাদের বন্ধু। মুখের কথায় বন্ধুত্ব হয়না। বন্ধুত্বের জন্য ভালোবাসা বিনিময় করতে হয়, দায়িত্ব নিতে হয়।’
শনিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে গত ১৬ এপ্রিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফের) গুলিতে নিহত হাসিনুর ইসলামের পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে তার বাড়িতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আপনাদেরকে ভালোবাসবো। আপনাদের দায়িত্ব হলো এদেশের (বাংলাদেশের) মানুষকে ভালোবাসা। আপনারা (ভারত) যদি ভালোবাসেন, তাহলে এদেশের (বাংলাদেশ) মানুষ ভালোবাসার মর্যাদা দিতে যানে। যদি বিপরীতটা করেন, সেটাও মনে রাখতে হবে। এদেশের মানুষ ভাঙ্গে কিন্তু মচকায় না। লড়াই করতে জানে, আপোষ করতে জানে না। আমরা চাই পৃথিবীর একটা সভ্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ- ভারত উভয়ে সৎ প্রতিবেশী হোক। সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠুক। নিহতের পরিবার যদি সন্তান হত্যার ন্যায় বিচার পায়, তাহলে তাদের আত্মা শান্তি পাবে। তাহলে সীমান্তে এই ধরনের আর অপকর্ম (হত্যা) আর হবে না।’
তিনি আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আগে সরকার ছিল সীমান্ত হত্যা তাঁরা দেখত না। তাদের চোখে ছিল স্টিলের গ্লাস । আমরা বর্তমান সরকারকে বলব- ইতিমধ্যে আপনারা অনেক গুরুত্বপূর্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সীমান্ত হত্যার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেন। ১৮ কোটি মানুষ আপনাদের সাথে থাকবে। সীমান্তের মানুষ শান্তি ও নিরাপদে বাঁচতে চায়। স্বাধীন দেশের মাটিতে হালচাষ ও নিঃসংকোচে চলাফেরা করতে চায়। সরকারের উদ্দেশ্যে ড. শফিকুর রহমান বলেন, হত্যাকান্ড হয়েছে আমাদের দেশের মাটিতে। নিয়ে গেছে লাশ ভারতে। হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে হবে বাংলাদেশে। আপনারা উদ্যেগ নেন। জামায়াতে ইসলামী এ পরিবারের সাথে থাকবে। ন্যায্য দাবি (বিচার) আদায়ে একসাথে কাজ করবে।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি নিহত হাসিনুরের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে শান্তনা দেন ও আর্থিক সহায়তা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহের, লালমনিরহাট-১ আসনের জামায়াত মনোনিত সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, জেলা সাবেক আমির আতাউর রহমান, হাতীবান্ধা উপজেলা আমির হাসেন আলী, পাটগ্রাম উপজেলা আমির হাফেজ শোয়াইব আহমেদ ও পাটগ্রাম পৌর জামায়াতের আমির সোহেল রানা ও নিহত হাসিনুরের বাবা জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।