অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

পাটগ্রামে জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • মো:রশিদুল ইসলাম
  • আপডেট টাইম : ০১:০০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৭৪ বার

নিজস্ব সংবাদদাতা

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা গোলাম ছোবাহানী ভূইয়ার জমি জাল দলিল করে দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) পৌনে ১১ টায় আউলিয়ারহাট এলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দুষ্কৃতিকারী লোকজন দিয়ে জমি দখল করে খুন জখম করার চেষ্টা করছেন তাঁরা (প্রতিপক্ষের লোকজনেরা)।

স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ২৩ বছর আগে ২০০২ সালে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আউলিয়ারহাট হিন্দু পাড়া এলাকার আব্দুল গফফারের নিকট ১৫ শতক জমি ক্রয় করেন গোলাম ছোবাহানী। দলিলমূলে কেনা দখলে থাকা ওই জমি গত ১ বছর আগে একই এলাকার সগেন্দ্রনাথ ও শড়ী নারায়ন চন্দ্র রায় জোরপূর্বক বেদখল করেন। জমি উদ্ধারে ভূমি আইনে লালমনিরহাট আদালতে একটি মামলা করেছেন মুক্তিযোদ্ধা গোলাম ছোবাহানী ভূইয়া। মামলা করায় প্রতিপক্ষের লোকজন হুমকি-ধমকি দেওয়ার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি (গোলাম ছোবাহানী)।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফফার বলেন, ‘১৯৯৬ সালে ওই এলাকার নাবালকের উপযুক্ত অভিভাবক হয়ে সতিশ চন্দ্র রায় আমার কাছে ৬২ শতক জমি বিক্রয় করেন। পরে ১৫ শতক জমি গোলাম ছোবাহানীর কাছে বিক্রি করি। ২৩ বছর পর ওই জমি সগেন্দ্রনাথ ও শড়ী নারায়ন চন্দ্র রায় দখল করেছেন।’
সগেন্দ্র নাথ রায় এ ব্যাপারে বলেন, ‘১৯৯৮ সালে সতিশের ছেলের কাছে ৩৮ শতক কিনেছি। তখন থেকে দখলে আছে। কারো জমি দখল করিনি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পরিবার ও স্বজনরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা জমি দখল রোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

পাটগ্রামে জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : ০১:০০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব সংবাদদাতা

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা গোলাম ছোবাহানী ভূইয়ার জমি জাল দলিল করে দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) পৌনে ১১ টায় আউলিয়ারহাট এলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দুষ্কৃতিকারী লোকজন দিয়ে জমি দখল করে খুন জখম করার চেষ্টা করছেন তাঁরা (প্রতিপক্ষের লোকজনেরা)।

স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ২৩ বছর আগে ২০০২ সালে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আউলিয়ারহাট হিন্দু পাড়া এলাকার আব্দুল গফফারের নিকট ১৫ শতক জমি ক্রয় করেন গোলাম ছোবাহানী। দলিলমূলে কেনা দখলে থাকা ওই জমি গত ১ বছর আগে একই এলাকার সগেন্দ্রনাথ ও শড়ী নারায়ন চন্দ্র রায় জোরপূর্বক বেদখল করেন। জমি উদ্ধারে ভূমি আইনে লালমনিরহাট আদালতে একটি মামলা করেছেন মুক্তিযোদ্ধা গোলাম ছোবাহানী ভূইয়া। মামলা করায় প্রতিপক্ষের লোকজন হুমকি-ধমকি দেওয়ার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি (গোলাম ছোবাহানী)।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফফার বলেন, ‘১৯৯৬ সালে ওই এলাকার নাবালকের উপযুক্ত অভিভাবক হয়ে সতিশ চন্দ্র রায় আমার কাছে ৬২ শতক জমি বিক্রয় করেন। পরে ১৫ শতক জমি গোলাম ছোবাহানীর কাছে বিক্রি করি। ২৩ বছর পর ওই জমি সগেন্দ্রনাথ ও শড়ী নারায়ন চন্দ্র রায় দখল করেছেন।’
সগেন্দ্র নাথ রায় এ ব্যাপারে বলেন, ‘১৯৯৮ সালে সতিশের ছেলের কাছে ৩৮ শতক কিনেছি। তখন থেকে দখলে আছে। কারো জমি দখল করিনি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পরিবার ও স্বজনরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা জমি দখল রোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে কথা বলা সম্ভব হয়নি।