পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়তে পাটগ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ সদস্যের সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি গঠন Logo শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজিত Logo পাটগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে সাইবার নিরাপত্তার জগতে নয়ন রায়ের এগিয়ে চলা Logo বিআরটিএ, ফরিদপুর সার্কেল কর্তৃক জাতীয় সড়ক নিরাপদ দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা” বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলের Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo জমিজমার বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার অভিযোগ Logo পাটগ্রামে ১৭ লাখের দেনমোহর কমিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার করার অভিযোগ, কাজির দুই সহযোগী আটক

জলসিঁড়ি প্রকল্প বন্ধসহ ৮ দফা পৈতৃক ভিটা রক্ষায় রূপগঞ্জবাসীর হুঁশিয়ারি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি ও বসতভিটায় অবৈধভাবে বালু ভরাট এবং ঐতিহাসিক ইছাখালী খাল ভরাটের অভিযোগ তুলে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১২টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে এসব দাবি জানান আহসান উল্লাহ মাস্টার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আহসান উল্লাহ মাস্টার বলেন, ২০১০ সালে আবাসন প্রকল্প করার নামে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ১৭টি মৌজায় জমি ক্রয় বা অধিগ্রহণ ছাড়াই কৃষিজমি দখলের চেষ্টা করা হয় বলে তারা অভিযোগ করেন। এ সময় প্রতিবাদ করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি। এতে কয়েকজন নিহত ও অনেকে আহত হন বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যুর সহযোগিতায় সাধারণ মানুষের কৃষিজমি ও বসতভিটায় জোরপূর্বক বালু ভরাট করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতায় জলসিঁড়ি প্রকল্প-১ শুরু এবং পরবর্তীতে প্রকল্প-২-এর জন্য নতুন করে সীমানা নির্ধারণের নকশা তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আহসান উল্লাহ মাস্টার বলেন, রূপগঞ্জের অধিকাংশ মানুষ কৃষিনির্ভর। ধান ও শাকসবজি চাষের পাশাপাশি দেশীয় মাছ আহরণ তাদের জীবিকার অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু কৃষিজমি ও জলাশয়ে অবৈধভাবে বালু ভরাটের কারণে এসব জীবিকা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে এলাকায় বেকারত্বও বাড়ছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে রূপগঞ্জ থানায় দুই শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জমির দাগ নম্বর, এসএ, আরএস ও সিএস নম্বর উল্লেখ করে অভিযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১০ গ্রামের বাসিন্দাদের সমন্বয়ে সভা করে পরবর্তী কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এরপরও জলসিঁড়ি প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

আহসান উল্লাহ মাস্টার অভিযোগ করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে জমি ক্রয় না করেই এবং জমির মালিকদের সম্মতি ছাড়াই ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমি ও বসতভিটায় বালু ভরাট করা হচ্ছে। এতে বসতবাড়ির তুলনায় উঁচু করে বালু ভরাটের কারণে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় ঐতিহাসিক ইছাখালী খাল নিয়েও অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বালু নদী পর্যন্ত বিস্তৃত এ খালটি রূপগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহগুলোর একটি। স্থানীয়দের দাবি, খালটি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় খনন করা হয়েছিল। বর্তমানে খালটির বিভিন্ন অংশ ভরাট করা হয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতা আরও প্রকট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো—

জমি ক্রয় না করে অবৈধভাবে বালু ভরাট ও রাস্তাঘাট নির্মাণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
ঐতিহাসিক ইছাখালী খালের ভরাট অপসারণ করে দ্রুত পুনঃখনন করতে হবে এবং খালটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে।
সাধারণ মানুষের বসতবাড়ির বাইরে আবাসন প্রকল্প স্থাপন করতে হবে।
আবাসন প্রকল্পের সীমানা বা ডিমার্কেশন নির্ধারণ করে তা প্রকাশ করতে হবে এবং প্রকল্প এলাকায় দৃশ্যমান ম্যাপ টাঙিয়ে রাখতে হবে।
ডিমার্কেশনের ভেতরে বিক্রি না হওয়া জমির মালিকদের আনুপাতিক হারে জমি অথবা বিকল্প প্লট দিতে হবে।
সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি থেকে কমপক্ষে ৩০০ মিটার দূরে আবাসন প্রকল্পের সীমানা নির্ধারণ করতে হবে।
আবাসন প্রকল্পের কোনো রাস্তাঘাট বসতবাড়ির ওপর দিয়ে নেওয়া যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে নেওয়া হলে বাড়ির মালিককে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও প্রকল্পে প্লট দিতে হবে।
উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও সঠিক পুনর্বাসন নিশ্চিত না করে কোনো বাড়ির মালিককে উচ্ছেদ করা যাবে না। পাশাপাশি বসতবাড়ির চেয়ে উঁচু করে বালু ভরাট করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আহসান উল্লাহ মাস্টার বলেন, এসব ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে পৈতৃক সম্পত্তি ও জন্মমাটি রক্ষায় কায়েতপাড়াসহ রূপগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন তারা।

প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর এবং জাতিসংঘের আঞ্চলিক কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়তে পাটগ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ সদস্যের সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি গঠন

জলসিঁড়ি প্রকল্প বন্ধসহ ৮ দফা পৈতৃক ভিটা রক্ষায় রূপগঞ্জবাসীর হুঁশিয়ারি

আপডেট টাইম : ০৯:৫৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি ও বসতভিটায় অবৈধভাবে বালু ভরাট এবং ঐতিহাসিক ইছাখালী খাল ভরাটের অভিযোগ তুলে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১২টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে এসব দাবি জানান আহসান উল্লাহ মাস্টার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আহসান উল্লাহ মাস্টার বলেন, ২০১০ সালে আবাসন প্রকল্প করার নামে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ১৭টি মৌজায় জমি ক্রয় বা অধিগ্রহণ ছাড়াই কৃষিজমি দখলের চেষ্টা করা হয় বলে তারা অভিযোগ করেন। এ সময় প্রতিবাদ করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি। এতে কয়েকজন নিহত ও অনেকে আহত হন বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যুর সহযোগিতায় সাধারণ মানুষের কৃষিজমি ও বসতভিটায় জোরপূর্বক বালু ভরাট করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতায় জলসিঁড়ি প্রকল্প-১ শুরু এবং পরবর্তীতে প্রকল্প-২-এর জন্য নতুন করে সীমানা নির্ধারণের নকশা তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আহসান উল্লাহ মাস্টার বলেন, রূপগঞ্জের অধিকাংশ মানুষ কৃষিনির্ভর। ধান ও শাকসবজি চাষের পাশাপাশি দেশীয় মাছ আহরণ তাদের জীবিকার অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু কৃষিজমি ও জলাশয়ে অবৈধভাবে বালু ভরাটের কারণে এসব জীবিকা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে এলাকায় বেকারত্বও বাড়ছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে রূপগঞ্জ থানায় দুই শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জমির দাগ নম্বর, এসএ, আরএস ও সিএস নম্বর উল্লেখ করে অভিযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১০ গ্রামের বাসিন্দাদের সমন্বয়ে সভা করে পরবর্তী কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এরপরও জলসিঁড়ি প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

আহসান উল্লাহ মাস্টার অভিযোগ করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে জমি ক্রয় না করেই এবং জমির মালিকদের সম্মতি ছাড়াই ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমি ও বসতভিটায় বালু ভরাট করা হচ্ছে। এতে বসতবাড়ির তুলনায় উঁচু করে বালু ভরাটের কারণে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় ঐতিহাসিক ইছাখালী খাল নিয়েও অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বালু নদী পর্যন্ত বিস্তৃত এ খালটি রূপগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহগুলোর একটি। স্থানীয়দের দাবি, খালটি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় খনন করা হয়েছিল। বর্তমানে খালটির বিভিন্ন অংশ ভরাট করা হয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতা আরও প্রকট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো—

জমি ক্রয় না করে অবৈধভাবে বালু ভরাট ও রাস্তাঘাট নির্মাণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
ঐতিহাসিক ইছাখালী খালের ভরাট অপসারণ করে দ্রুত পুনঃখনন করতে হবে এবং খালটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে।
সাধারণ মানুষের বসতবাড়ির বাইরে আবাসন প্রকল্প স্থাপন করতে হবে।
আবাসন প্রকল্পের সীমানা বা ডিমার্কেশন নির্ধারণ করে তা প্রকাশ করতে হবে এবং প্রকল্প এলাকায় দৃশ্যমান ম্যাপ টাঙিয়ে রাখতে হবে।
ডিমার্কেশনের ভেতরে বিক্রি না হওয়া জমির মালিকদের আনুপাতিক হারে জমি অথবা বিকল্প প্লট দিতে হবে।
সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি থেকে কমপক্ষে ৩০০ মিটার দূরে আবাসন প্রকল্পের সীমানা নির্ধারণ করতে হবে।
আবাসন প্রকল্পের কোনো রাস্তাঘাট বসতবাড়ির ওপর দিয়ে নেওয়া যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে নেওয়া হলে বাড়ির মালিককে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও প্রকল্পে প্লট দিতে হবে।
উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও সঠিক পুনর্বাসন নিশ্চিত না করে কোনো বাড়ির মালিককে উচ্ছেদ করা যাবে না। পাশাপাশি বসতবাড়ির চেয়ে উঁচু করে বালু ভরাট করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আহসান উল্লাহ মাস্টার বলেন, এসব ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে পৈতৃক সম্পত্তি ও জন্মমাটি রক্ষায় কায়েতপাড়াসহ রূপগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন তারা।

প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর এবং জাতিসংঘের আঞ্চলিক কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।