
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নে নামীয় আবাসনের নামে অবৈধ বালু ভরাট, জোরপূর্বক তিন ফসলি কৃষি জমি ও পৈতৃক ভিটা-মাটি দখল এবং ঐতিহাসিক ‘ইছাখালী খাল’ উদ্ধারের দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের অংশগ্রহণে প্রতিবাদ সভা ও ঝাড়ু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার মাঝিনা মাদরাসা মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং ভুক্তভোগী ভূমি মালিকরা ১০১ সদস্যের একটি ভিটে রক্ষা কমিটি গঠন করেন।
সভায় রূপগঞ্জ অফিসার্স এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা আবু বকর সিদ্দিক, নরসিংদী জেলা কোর্টের পেশকার মো. শামসুদ্দিন মিয়া, পাট শিল্পমন্ত্রণালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হাসেন আলী বেপারী ও আহসান আলী মাস্টারসহ স্থানীয় ভুক্তভোগীরা বক্তব্য রাখেন। ইছাখালী, মাঝিনা, মাইলাব, হরিনা, পশ্চিমগাঁও, বড়ালু, পাড়াগাঁও, উল্লাবো ও ছাতিয়ানসহ কয়েকটি গ্রামের জমির মালিকদের নিয়ে এই সুরক্ষা কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় উত্থাপিত স্মারকলিপিতে জানানো হয়, ২০১০ সালে তৎকালীন সরকারের সময়ে কোনো ধরনের আইনি অধিগ্রহণ বা মালিকদের সম্মতি ছাড়াই ১৭টি মৌজার প্রায় ৭,০০০ বিঘা কৃষি জমি ও পৈতৃক বসতভিটা দখলের অপচেষ্টা চালানো হয় এবং প্রতিবাদ করায় হামলা, মামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
জিয়াউর রহমান কর্তৃক খননকৃত ঐতিহাসিক ‘ইছাখালী খাল’ অবৈধভাবে বালু ভরাট করে বন্ধ করে দেওয়ায় আশপাশের প্রায় ৫টি গ্রামের মানুষ চরম পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে নৌচলাচল, সেচ ও মৎস্যজীবীদের জীবিকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত এই খালটি থেকে অবৈধ বালু অপসারণ করে পুনর্খননের দাবি জানান বক্তারা।
বাংলার খবর ডেস্ক : 









