অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

হাঁসে খেয়েছে ধান : সংঘর্ষে আহত ৫৫!

বাংলার খবর২৪.কম images_56943 : গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় হাঁস ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫৫ জন আহত হয়েছেন।

উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের হামচাপুর গ্রামে বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বসতবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। খবর পেয়ে সকাল ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ নিয়ে এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়রা জানান, হামছাপুর গ্রামের লোকমান আলীর ৪টি হাঁস সকালে পাশের শাখাহাতী গ্রামের মশিউর রহমানের ধানি জমিতে যায়। হাঁসগুলো জমিতে নেমে ধান খায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাখাহাতী গ্রামের লোকজনের সঙ্গে হামচাপুর গ্রামের লোকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় গ্রামরে লোকজন লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে উভয় গ্রামের নারীসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটান তারা।

আহতদের মধ্যে আব্দুল মতিন (২৫), আবদুর রাজ্জাক (২৮), সাজু মিয়া (২৫), আশরাফুল (৩০), মহাতাফ আলী (৩৫), ফারুক হোসেন (২৮), আবদুস সাত্তার (৫০), গোলজার হোসেন (৫০), জয়নাল (৫৫), মাজেদা খাতুন, (৪০), মোর্শেদা বেগম (২৫), বেলী বেগম (৫৫), সাজিয়া বেওয়া (৬০), বেলাল (৩৫), আমিরুল (৪০), তাহেরুল (২৫), শাহিনুর (৩৫), নয়ন মিয়া (২৫), বিপুল (২৫), তোজাম্মেলকে (৫০) উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ ও সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত অন্যদের প্রাথমিক ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামছাপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত আছলাম উদ্দিন জানায়, প্রতিপক্ষের প্রায় ৩০ জনের একটি দল এসে তার বাড়িঘর ভাঙচুর করে ঘরে রাখা ব্যবসা করার ৫৭ হাজার টাকা ও এক ভরি স্বর্ণের গহনাসহ ঘরের বিভিন্ন মালামাল লুট করে।

শালমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমির হোসেন শামীম সংঘর্ষের ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আপসের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

হাঁসে খেয়েছে ধান : সংঘর্ষে আহত ৫৫!

আপডেট টাইম : ০১:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম images_56943 : গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় হাঁস ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫৫ জন আহত হয়েছেন।

উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের হামচাপুর গ্রামে বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বসতবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। খবর পেয়ে সকাল ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ নিয়ে এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়রা জানান, হামছাপুর গ্রামের লোকমান আলীর ৪টি হাঁস সকালে পাশের শাখাহাতী গ্রামের মশিউর রহমানের ধানি জমিতে যায়। হাঁসগুলো জমিতে নেমে ধান খায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাখাহাতী গ্রামের লোকজনের সঙ্গে হামচাপুর গ্রামের লোকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় গ্রামরে লোকজন লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে উভয় গ্রামের নারীসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটান তারা।

আহতদের মধ্যে আব্দুল মতিন (২৫), আবদুর রাজ্জাক (২৮), সাজু মিয়া (২৫), আশরাফুল (৩০), মহাতাফ আলী (৩৫), ফারুক হোসেন (২৮), আবদুস সাত্তার (৫০), গোলজার হোসেন (৫০), জয়নাল (৫৫), মাজেদা খাতুন, (৪০), মোর্শেদা বেগম (২৫), বেলী বেগম (৫৫), সাজিয়া বেওয়া (৬০), বেলাল (৩৫), আমিরুল (৪০), তাহেরুল (২৫), শাহিনুর (৩৫), নয়ন মিয়া (২৫), বিপুল (২৫), তোজাম্মেলকে (৫০) উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ ও সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত অন্যদের প্রাথমিক ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামছাপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত আছলাম উদ্দিন জানায়, প্রতিপক্ষের প্রায় ৩০ জনের একটি দল এসে তার বাড়িঘর ভাঙচুর করে ঘরে রাখা ব্যবসা করার ৫৭ হাজার টাকা ও এক ভরি স্বর্ণের গহনাসহ ঘরের বিভিন্ন মালামাল লুট করে।

শালমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমির হোসেন শামীম সংঘর্ষের ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আপসের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।