পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

বাসর রাতে কনে উধাও

 

 

 

 

 

 

 

taslimaতেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী তাসলিমা বেগম অপহরণ ও মামলা ভিত্তি হিন বলে দাবি করেছেন আসামী পক্ষের পরিবার। প্রকিত ঘটনা উৎঘাটন করতে গত ৭ দিনেও মুখ খুলতে রাজি হয়নি কেউ ।
গত ১৭ জুলাই বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে “পঞ্চগড়ে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী অপহরণ” হয়েছে, এই শিরোনামটি প্রকাশ হলে ৭ দিন পর তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ অপহরিতা তাসলিমাকে উদ্ধার করে কোর্টের মাধ্যমে ২০ তারিখ পরিবারের কাছে হস্থান্ত করে।
সংবাদ পেয়ে সোমবার আমাদের সংবাদদাতা তাসলিমার বাড়ীতে গিয়ে সরাসরি তাসলিমার সাথে কথা হয়, সে জানিয়েছে, পরিবারের চাপে নিজের ইচ্ছায় বাড়ী ছেড়েছি। হারুন ও তার পরিবার আমাকে অপহরণ করেনি। আমি পরিবারের চাপে বাড়ী ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।
তাসলিমা উদ্ধার এর পর এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই তাসলিমার পরিবার বাবা,মা সকলেই মিলে জোর পূর্বক তার ইচ্ছার বাহিরে একই উপজেলার বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের বন্দিভিটা গ্রামের লথিপদ্দিন এর পুত্র ছাদেকুল ইসলাম বাবু এর সাথে বিয়ে দিয়ে থাকে। সে রাতেই বড়ের বাড়ীর বাসর ঘর থেকে পালিয়ে চলে আসতে বাধ্য হয় তাসলিমা।
লেখাপড়া চালিয়ে জীবন বাঁচানোর তাগিদে হারুন এর কাছে আশ্রয় নিয়েছিল। হারুনের পরিবার তাসলিমাকে গ্রহণ না করে সেদিন সকাল ১০টায় তার বাবা তমিরুল ইসলাম (গমির উদ্দিন) এর হাতে তুলে দিতে চাইলে সে গ্রহণ না করে ঘটনার ৩-৪ ঘন্টার মধ্যে থানা পুলিশের কাছে আশ্রয় নেয়। এবং ঘটনার ঠিক ৭-৮ ঘন্টর মধ্যেই ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।
পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালচনা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী আরো জানিয়েছে, তাসলিমা বাড়ী ছাড়ার পুরো দায় ভার তার বাবা, মায়ের। কারণ মেয়ে দির্ঘদিন থেকে সুন্দর ভাবে লেখাপড়া, স্কুলে যাওয়া আসা চালিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে অল্প বয়সী নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দিয়ে সকল ঘটনার জন্ম দিয়েছে তমিরুল ইসলাম (গমির উদ্দিন)।
সূত্রে আরো জানা যায়, তাসলিমা অপহরণ মামলা দায়ের হওয়ার আগে এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তি বর্গের সাথে উভয় পক্ষে সমাধানের লক্ষে এলাকায় বসে বিষটি নিশপত্তি করতে চেয়েছিল। কিন্তু এক পক্ষ অর্থের বিনিময়ে ঘটনায় সমাধান চাইলে অন্যপক্ষ রাজি না হওয়ায় মামলা হয়েছে বলে জানাগেছে।
অপহরণ মামলার আসামী হারুন জানিয়েছে, আমি আমার পরিবার তাসলিমাকে অপহরণ করিনি। মোশারফ জানিয়েছেন, আমি এলাকার এক জন সৎ নিষ্ঠ ব্যবসায়ী আমি এবার হজ্বে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি আল্লাহ মাফ করুক এবং বিবাদি পক্ষকে জিজ্ঞান দান করুক। আমি আমার পরিবার নিষ্পাপ আমরা কোন অপরাধ যোনিত কোন ঘটনার সাথে জরিত নাই।
এলাকাবাসী ও আসামী পক্ষের পরিবারের দাবী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যেমে সত্য ঘটনা উৎঘাটন করে হয়রানি মূলক মামকে দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য জোর দাবী জানান।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

বাসর রাতে কনে উধাও

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০১৪

 

 

 

 

 

 

 

taslimaতেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী তাসলিমা বেগম অপহরণ ও মামলা ভিত্তি হিন বলে দাবি করেছেন আসামী পক্ষের পরিবার। প্রকিত ঘটনা উৎঘাটন করতে গত ৭ দিনেও মুখ খুলতে রাজি হয়নি কেউ ।
গত ১৭ জুলাই বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে “পঞ্চগড়ে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী অপহরণ” হয়েছে, এই শিরোনামটি প্রকাশ হলে ৭ দিন পর তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ অপহরিতা তাসলিমাকে উদ্ধার করে কোর্টের মাধ্যমে ২০ তারিখ পরিবারের কাছে হস্থান্ত করে।
সংবাদ পেয়ে সোমবার আমাদের সংবাদদাতা তাসলিমার বাড়ীতে গিয়ে সরাসরি তাসলিমার সাথে কথা হয়, সে জানিয়েছে, পরিবারের চাপে নিজের ইচ্ছায় বাড়ী ছেড়েছি। হারুন ও তার পরিবার আমাকে অপহরণ করেনি। আমি পরিবারের চাপে বাড়ী ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।
তাসলিমা উদ্ধার এর পর এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই তাসলিমার পরিবার বাবা,মা সকলেই মিলে জোর পূর্বক তার ইচ্ছার বাহিরে একই উপজেলার বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের বন্দিভিটা গ্রামের লথিপদ্দিন এর পুত্র ছাদেকুল ইসলাম বাবু এর সাথে বিয়ে দিয়ে থাকে। সে রাতেই বড়ের বাড়ীর বাসর ঘর থেকে পালিয়ে চলে আসতে বাধ্য হয় তাসলিমা।
লেখাপড়া চালিয়ে জীবন বাঁচানোর তাগিদে হারুন এর কাছে আশ্রয় নিয়েছিল। হারুনের পরিবার তাসলিমাকে গ্রহণ না করে সেদিন সকাল ১০টায় তার বাবা তমিরুল ইসলাম (গমির উদ্দিন) এর হাতে তুলে দিতে চাইলে সে গ্রহণ না করে ঘটনার ৩-৪ ঘন্টার মধ্যে থানা পুলিশের কাছে আশ্রয় নেয়। এবং ঘটনার ঠিক ৭-৮ ঘন্টর মধ্যেই ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।
পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালচনা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী আরো জানিয়েছে, তাসলিমা বাড়ী ছাড়ার পুরো দায় ভার তার বাবা, মায়ের। কারণ মেয়ে দির্ঘদিন থেকে সুন্দর ভাবে লেখাপড়া, স্কুলে যাওয়া আসা চালিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে অল্প বয়সী নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দিয়ে সকল ঘটনার জন্ম দিয়েছে তমিরুল ইসলাম (গমির উদ্দিন)।
সূত্রে আরো জানা যায়, তাসলিমা অপহরণ মামলা দায়ের হওয়ার আগে এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তি বর্গের সাথে উভয় পক্ষে সমাধানের লক্ষে এলাকায় বসে বিষটি নিশপত্তি করতে চেয়েছিল। কিন্তু এক পক্ষ অর্থের বিনিময়ে ঘটনায় সমাধান চাইলে অন্যপক্ষ রাজি না হওয়ায় মামলা হয়েছে বলে জানাগেছে।
অপহরণ মামলার আসামী হারুন জানিয়েছে, আমি আমার পরিবার তাসলিমাকে অপহরণ করিনি। মোশারফ জানিয়েছেন, আমি এলাকার এক জন সৎ নিষ্ঠ ব্যবসায়ী আমি এবার হজ্বে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি আল্লাহ মাফ করুক এবং বিবাদি পক্ষকে জিজ্ঞান দান করুক। আমি আমার পরিবার নিষ্পাপ আমরা কোন অপরাধ যোনিত কোন ঘটনার সাথে জরিত নাই।
এলাকাবাসী ও আসামী পক্ষের পরিবারের দাবী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যেমে সত্য ঘটনা উৎঘাটন করে হয়রানি মূলক মামকে দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য জোর দাবী জানান।