পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

‘৭ নভেম্বরের চেতনাকে যারা বিশ্বাস করে না তারা দেশদ্রোহী’

বাংলার খবর২৪.কমindex_57943, ঢাকা : ৭ নভেম্বরের চেতনাকে যারা বিশ্বাস করে না তাদেরকে গণতন্ত্রের শত্রু এবং দেশদ্রোহী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠায় ৭ নভেম্বরের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

গয়েশ্বর বলেন, ১৯৭১ সালে গণতন্ত্রের উত্তোরণের চেতনা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল কিন্তু ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে তা বিনষ্ট হয়। এরপর ৭ নভেম্বর নতুন করে সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

তিনি আরো বলেন, এখন রাষ্ট্রে একটি দখলদার সরকার বিরাজ করছে। রাষ্ট্র আছে কিন্তু গণতন্ত্র আছে কী না তা বলতে পারছি না।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ক্যু-করে ক্ষমতায় আসেননি। বরং খন্দকার মোশতাক এই পন্থায় ক্ষমতায় এসেছিলেন যা আওয়ামী লীগেরই একটি অংশ। ৭ নভেম্বরের মতো একটি মহান দিবসকে যারা পালন করতে দিচ্ছে না তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয় এবং তাদের হাতে কখনোই গণতন্ত্র নিরাপদে ছিলো না এবং থাকবেনা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড.এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি বিধ্বস্ত দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি একটি বাহিনীতে থেকেও সমাজের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। বাংলাদেশ ছিলো একটি তলা বিহীন ঝুঁড়ি। সেটাকে আস্তে আস্তে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং ঝুড়ির একটা একটা ছিদ্র বন্ধ করে দিয়েছিলেন। মাত্র ২ বছরের মধ্যে তিনি এই যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ থেকে চাল রপ্তানি দেশে রুপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আজ বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী দিনের পর দিন কোর্টে হাজিরা দিচ্ছেন।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, কোর্টে এসি লাগান, সময় আসছে, এই কোর্টেই আপনাদের স্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

এসময় ৭ নভেম্বরকে জাতীয় দিবস এবং ৫ জানুয়ারিকে ক্ষমা দিবস ঘোষণা করার দাবি জানান দুদু।

সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন-বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল কবীর খোকন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

‘৭ নভেম্বরের চেতনাকে যারা বিশ্বাস করে না তারা দেশদ্রোহী’

আপডেট টাইম : ০৯:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_57943, ঢাকা : ৭ নভেম্বরের চেতনাকে যারা বিশ্বাস করে না তাদেরকে গণতন্ত্রের শত্রু এবং দেশদ্রোহী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠায় ৭ নভেম্বরের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

গয়েশ্বর বলেন, ১৯৭১ সালে গণতন্ত্রের উত্তোরণের চেতনা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল কিন্তু ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে তা বিনষ্ট হয়। এরপর ৭ নভেম্বর নতুন করে সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

তিনি আরো বলেন, এখন রাষ্ট্রে একটি দখলদার সরকার বিরাজ করছে। রাষ্ট্র আছে কিন্তু গণতন্ত্র আছে কী না তা বলতে পারছি না।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ক্যু-করে ক্ষমতায় আসেননি। বরং খন্দকার মোশতাক এই পন্থায় ক্ষমতায় এসেছিলেন যা আওয়ামী লীগেরই একটি অংশ। ৭ নভেম্বরের মতো একটি মহান দিবসকে যারা পালন করতে দিচ্ছে না তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয় এবং তাদের হাতে কখনোই গণতন্ত্র নিরাপদে ছিলো না এবং থাকবেনা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড.এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি বিধ্বস্ত দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি একটি বাহিনীতে থেকেও সমাজের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। বাংলাদেশ ছিলো একটি তলা বিহীন ঝুঁড়ি। সেটাকে আস্তে আস্তে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং ঝুড়ির একটা একটা ছিদ্র বন্ধ করে দিয়েছিলেন। মাত্র ২ বছরের মধ্যে তিনি এই যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ থেকে চাল রপ্তানি দেশে রুপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আজ বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী দিনের পর দিন কোর্টে হাজিরা দিচ্ছেন।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, কোর্টে এসি লাগান, সময় আসছে, এই কোর্টেই আপনাদের স্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

এসময় ৭ নভেম্বরকে জাতীয় দিবস এবং ৫ জানুয়ারিকে ক্ষমা দিবস ঘোষণা করার দাবি জানান দুদু।

সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন-বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল কবীর খোকন।