অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ফ্লাইং ক্লাবের প্রশিক্ষণ বিমান কতটা নিরাপদ

ডেস্ক : বাংলাদেশে বিমান দুর্ঘটনায় একজন শিক্ষানবিশ পাইলটের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ করছে তার পরিবার।

ওই দুর্ঘটনায় শিক্ষানবিশ বৈমানিক তামান্না রহমান নিহত হন, তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় বেঁচে যান প্রশিক্ষক।

প্রশিক্ষক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি বলছে, তারা সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন।

১ এপ্রিল রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে তামান্না রহমান এবং তার প্রশিক্ষকে নিয়ে প্রশিক্ষণ বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই জরুরি অবতরণের সময় তাতে আগুন ধরে যায়।

দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি থেকে প্রশিক্ষককে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। কিন্তু আগুনের কারণে তামান্না রহমানকে তারা উদ্ধার করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার তামান্না রহমানের বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির অনুপযুক্ত বিমান এবং প্রশিক্ষকের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করছেন বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির প্রধান ক্যাপ্টেন মফিদুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, “এয়ারক্রাফটের কোন ত্রুটি থাকলে সেটা ওড়ানোর অনুমতি আমাদের নেই। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সবসময় আমাদের বিমানগুলো মনিটর করে।”

বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বৈমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি। ১৯৪৮ সাল থেকে এই একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে ৭০০ এর বেশি পাইলট এবং প্রতিবছর গড়ে ৭-৮ জন বৈমানিক এখানে প্রশিক্ষণ নেন। ফ্লাইং একাডেমি বলছে, বড় ধরনের দুর্ঘটনা তাদের খুব কম হয়েছে।

বাংলাদেশ পাইলট এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন নাসিমুল হক বলছেন, সাধারণত: বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন এবং বিমানবন্দরেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে। তবে নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা থাকেন তাদের অবহেলা থাকতে পারে।

মি. হক বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে, কিন্তু সেগুলোকে কে এবং কিভাবে ব্যবহার করছে সেটাই কথা। কোন ব্যক্তির ব্যর্থতার কারণেই অবহেলা হয়। যেমন এখানে শোনা যাচ্ছে ফায়ার ব্রিগেড এসেছে অনেক পরে, এমনটা হবার কথা না।”

তামান্না রহমানের দুর্ঘটনার মূল কারণ কি প্রশিক্ষকের ভুল নাকি যান্ত্রিক গোলোযোগ তা হয়তো তদন্তের পর জানা যাবে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুর্ঘটনার পরপর নিরাপত্তা ব্যবস্থা যদি ঠিকভাবে কাজ করতো তবে হয়তো তার জীবন বাঁচানো সম্ভব হতো।

সূত্র : বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

ফ্লাইং ক্লাবের প্রশিক্ষণ বিমান কতটা নিরাপদ

আপডেট টাইম : ০২:১৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৫

ডেস্ক : বাংলাদেশে বিমান দুর্ঘটনায় একজন শিক্ষানবিশ পাইলটের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ করছে তার পরিবার।

ওই দুর্ঘটনায় শিক্ষানবিশ বৈমানিক তামান্না রহমান নিহত হন, তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় বেঁচে যান প্রশিক্ষক।

প্রশিক্ষক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি বলছে, তারা সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন।

১ এপ্রিল রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে তামান্না রহমান এবং তার প্রশিক্ষকে নিয়ে প্রশিক্ষণ বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই জরুরি অবতরণের সময় তাতে আগুন ধরে যায়।

দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি থেকে প্রশিক্ষককে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। কিন্তু আগুনের কারণে তামান্না রহমানকে তারা উদ্ধার করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার তামান্না রহমানের বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির অনুপযুক্ত বিমান এবং প্রশিক্ষকের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করছেন বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির প্রধান ক্যাপ্টেন মফিদুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, “এয়ারক্রাফটের কোন ত্রুটি থাকলে সেটা ওড়ানোর অনুমতি আমাদের নেই। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সবসময় আমাদের বিমানগুলো মনিটর করে।”

বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বৈমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি। ১৯৪৮ সাল থেকে এই একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে ৭০০ এর বেশি পাইলট এবং প্রতিবছর গড়ে ৭-৮ জন বৈমানিক এখানে প্রশিক্ষণ নেন। ফ্লাইং একাডেমি বলছে, বড় ধরনের দুর্ঘটনা তাদের খুব কম হয়েছে।

বাংলাদেশ পাইলট এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন নাসিমুল হক বলছেন, সাধারণত: বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন এবং বিমানবন্দরেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে। তবে নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা থাকেন তাদের অবহেলা থাকতে পারে।

মি. হক বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে, কিন্তু সেগুলোকে কে এবং কিভাবে ব্যবহার করছে সেটাই কথা। কোন ব্যক্তির ব্যর্থতার কারণেই অবহেলা হয়। যেমন এখানে শোনা যাচ্ছে ফায়ার ব্রিগেড এসেছে অনেক পরে, এমনটা হবার কথা না।”

তামান্না রহমানের দুর্ঘটনার মূল কারণ কি প্রশিক্ষকের ভুল নাকি যান্ত্রিক গোলোযোগ তা হয়তো তদন্তের পর জানা যাবে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুর্ঘটনার পরপর নিরাপত্তা ব্যবস্থা যদি ঠিকভাবে কাজ করতো তবে হয়তো তার জীবন বাঁচানো সম্ভব হতো।

সূত্র : বিবিসি