পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ : জ্বালানি সচিবসহ ৫ জনের শুনানি

বাংলার খবর২৪.কমindex_48795: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু বকর সিদ্দিকসহ চার আমলা এবং এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার শুনানি গ্রহণ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার বেলা ১২টা থেকে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিশন তাদের শুনানি গ্রহণ শুরু করে। দুদকের পঞ্চম তলার মিনি কনফারেন্স রুমে তাদের শুনানি চলছে।

দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র শীর্ষ নিউজকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুর্নীতির মামলায় যাদের শুনানি গ্রহণ করা হচ্ছে তারা হলেন- জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান) আবু বকর সিদ্দিক, ওএসডিতে থাকা অতিরিক্ত সচিব (বিপিসির সাবেক সচিব) আনোয়ারুল করিম, বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান একেএম জাফরউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত সচিব), সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মুক্তাদির আলী এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার সদস্য (অতিরিক্ত সচিব), বিপিসির সাবেক ডিএমডি মো. আবদুল আউয়াল। এরা সবাই দুদকের মামলার আসামি।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ওশান লস (সমুদ্রে পরিবহনজনিত লোকসান) কম-বেশি দেখিয়ে আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের বিপরীতে বিপিসি ১৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে। এ অর্থ আত্মসাৎ করেন বিপিসির সাবেক পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৩ সালের ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর থানায় মামলা করে দুদক। ৮ মাস তদন্ত শেষে ২৯ জুন ৫ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন উপ-পরিচালক যতন কুমার রায়। এর আগেই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে দুদক আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী পাঁচ অভিযুক্তই ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন জানান। এ আইন অনুযায়ী কমিশন প্রয়োজন মনে করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে পারে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ : জ্বালানি সচিবসহ ৫ জনের শুনানি

আপডেট টাইম : ০৯:৫৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_48795: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু বকর সিদ্দিকসহ চার আমলা এবং এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার শুনানি গ্রহণ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার বেলা ১২টা থেকে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিশন তাদের শুনানি গ্রহণ শুরু করে। দুদকের পঞ্চম তলার মিনি কনফারেন্স রুমে তাদের শুনানি চলছে।

দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র শীর্ষ নিউজকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুর্নীতির মামলায় যাদের শুনানি গ্রহণ করা হচ্ছে তারা হলেন- জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান) আবু বকর সিদ্দিক, ওএসডিতে থাকা অতিরিক্ত সচিব (বিপিসির সাবেক সচিব) আনোয়ারুল করিম, বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান একেএম জাফরউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত সচিব), সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মুক্তাদির আলী এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার সদস্য (অতিরিক্ত সচিব), বিপিসির সাবেক ডিএমডি মো. আবদুল আউয়াল। এরা সবাই দুদকের মামলার আসামি।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ওশান লস (সমুদ্রে পরিবহনজনিত লোকসান) কম-বেশি দেখিয়ে আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের বিপরীতে বিপিসি ১৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে। এ অর্থ আত্মসাৎ করেন বিপিসির সাবেক পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৩ সালের ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর থানায় মামলা করে দুদক। ৮ মাস তদন্ত শেষে ২৯ জুন ৫ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন উপ-পরিচালক যতন কুমার রায়। এর আগেই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে দুদক আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী পাঁচ অভিযুক্তই ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন জানান। এ আইন অনুযায়ী কমিশন প্রয়োজন মনে করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে পারে।