পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ফের রিমান্ডে এসআই জাহিদ

jahid-e1406109481848(2)ঢাকা: ঝুট ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান সুজন হত্যা মামলায় মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান ও পুলিশের সোর্স নাসিমের ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার জাহিদ ও নাসিমকে সিএমএম আদালতে পাঠিয়ে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন ডিবি ইনস্পেক্টর নিবারন চন্দ্র বর্মন।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমানের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক জাহিদ ও নাসিমেন চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৭ জুলাই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান এই দুই আসামিকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ‍জুলাই রাতে ব্যবসায়ী সুজনকে তার ধানমণ্ডিস্থ শংকরের বাসা থেকে মিরপুর থানায় ধরে নিয়ে যান এসআই জাহিদ। পরে সুজনকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে বের হন এই পুলিশ সদস্য। এই অস্ত্র উদ্ধারে যাওয়ার পথেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সুজন।

এ অবস্থায় সুজনকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় এসআই জাহিদকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে ঘটনার তদন্তে মিরপুর বিভাগের এডিসিকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে পুলিশ।

মামলার দীর্ঘ এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই এসআই জাহিদুর রহমান ও সোর্স নাসিম আটককৃত মাহবুবুর রহমানকে থানা হাজতে না রেখে নিজ হেফাজতে রাখেন এবং মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে মহিলা হাজতখানায় রাখেন। এরপর রাত ৩টা ৪৩ মিনিটে ভিকটিমকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে বের হন। ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে এসআই জাহিদ মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন খানকে মোবাইল ফোনে জানান, সুজনের বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়ায় হাসপাতালে নিলে তার মৃত্যু হয়।

ক্লিনিক ও হাসপাতালের কথা বলা হলেও কোন ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে এজাহারে তার কোনো উল্লেখ নেই।

এজাহার থেকে আরও জানা যায়, লাশের ময়না তদন্তে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আ খ ম শফিউজ্জামান মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করেন। ময়না তদন্ত রিপোর্ট ও সুরতহাল রিপোর্ট পর্যালোচনায় দেখা যায়, মৃতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন বিরাজমান ছিল।

এছাড়াও এজাহারে উল্লেখিত সুজনের স্ত্রীর বক্তব্য হলো, বাসায় অভিযানকালে সুজনকে বাথরুমের দরজা আটকিয়ে পেটানো হয়। থানায়ও তার স্বামীকে নির্যাতন করা হয়েছে এবং তিনি তার স্বামীর চিৎকার শুনেছেন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ফের রিমান্ডে এসআই জাহিদ

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০১৪

jahid-e1406109481848(2)ঢাকা: ঝুট ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান সুজন হত্যা মামলায় মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান ও পুলিশের সোর্স নাসিমের ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার জাহিদ ও নাসিমকে সিএমএম আদালতে পাঠিয়ে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন ডিবি ইনস্পেক্টর নিবারন চন্দ্র বর্মন।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমানের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক জাহিদ ও নাসিমেন চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৭ জুলাই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান এই দুই আসামিকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ‍জুলাই রাতে ব্যবসায়ী সুজনকে তার ধানমণ্ডিস্থ শংকরের বাসা থেকে মিরপুর থানায় ধরে নিয়ে যান এসআই জাহিদ। পরে সুজনকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে বের হন এই পুলিশ সদস্য। এই অস্ত্র উদ্ধারে যাওয়ার পথেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সুজন।

এ অবস্থায় সুজনকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় এসআই জাহিদকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে ঘটনার তদন্তে মিরপুর বিভাগের এডিসিকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে পুলিশ।

মামলার দীর্ঘ এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই এসআই জাহিদুর রহমান ও সোর্স নাসিম আটককৃত মাহবুবুর রহমানকে থানা হাজতে না রেখে নিজ হেফাজতে রাখেন এবং মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে মহিলা হাজতখানায় রাখেন। এরপর রাত ৩টা ৪৩ মিনিটে ভিকটিমকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে বের হন। ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে এসআই জাহিদ মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন খানকে মোবাইল ফোনে জানান, সুজনের বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়ায় হাসপাতালে নিলে তার মৃত্যু হয়।

ক্লিনিক ও হাসপাতালের কথা বলা হলেও কোন ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে এজাহারে তার কোনো উল্লেখ নেই।

এজাহার থেকে আরও জানা যায়, লাশের ময়না তদন্তে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আ খ ম শফিউজ্জামান মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করেন। ময়না তদন্ত রিপোর্ট ও সুরতহাল রিপোর্ট পর্যালোচনায় দেখা যায়, মৃতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন বিরাজমান ছিল।

এছাড়াও এজাহারে উল্লেখিত সুজনের স্ত্রীর বক্তব্য হলো, বাসায় অভিযানকালে সুজনকে বাথরুমের দরজা আটকিয়ে পেটানো হয়। থানায়ও তার স্বামীকে নির্যাতন করা হয়েছে এবং তিনি তার স্বামীর চিৎকার শুনেছেন।