পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

টয়লেট না থাকায় স্বামী ত্যাগ (ভিডিওসহ)

ডেস্ক : বাড়িতে টয়লেট না থাকায় চার বছরের বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেছেন সুনিতা দেবী। ২৫ বছর বয়সী সুনিতার প্রশ্ন, এ ছাড়া তার কী করার ছিল। উন্মুক্ত ময়দানে প্রাকৃতিক কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের কথা শোনা ও অপমানের চেয়ে স্বামীকে ত্যাগ করাই তার কাছে শ্রেয় মনে হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যের ভাইশালীর পাহাড়পুরে। ২০১১ সালে বিশেনপুর পঞ্চায়েতে সবজি ব্যবসায়ী ধীরাজ চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সুনিতা। সন্তানহীন এই দম্পতি দুই রুমের একটি বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। যে ঘরের অর্ধেক পাকা, অর্ধেক কাঁচা। সঙ্গে থাকত ধীরাজের বাবা-মা।
কিন্তু একটি পায়খানার কারণে তাদের চার বছরের বৈবাহিক সম্পর্কে ছেদ পড়ল। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাকৃতিক কাজের জন্য পায়খানার খুবই সঙ্কট চলছে। এর ফলে নারীদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাতে প্রাকৃতিক কাজ সারতে হয়। কিন্তু তাতেও মুক্তি নেই। বাড়ির বাইরে গিয়ে প্রাকৃতিক কাজ সারতে গিয়ে দেশটির অনেক নারী অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এমনকি অনেকেই গণধর্ষণের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।
অবস্থা যখন এই, তখন সুনিতা দেবীর সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক সেটা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু ধীরাজের সহজ স্বীকারোক্তি-একটি টয়লেট না থাকাই তাদের সম্পর্ক ভঙ্গের কারণ। তিনি বলেন, ‘সুনিতা আমাকে প্রায়ই টয়লেট বানানোর কথা বলেছে। কিন্তু আমার কাছে তা বানানোর মতো টাকা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি আমার বাবা মারা গেছেন। তাই পুরো সংসার চলত আমার সামান্য আয়ের ওপর।’
সর্বশেষ এক জরিপে দেখা গেছে, ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় ৯২ শতাংশ বাড়িতে পায়খানা নেই। এ ছাড়া বিহারে ৮২ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ৭৮ শতাংশ এবং ওডিশা, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশে ৮৫ শতাংশের বেশি বাড়িতে টয়লেট নেই। সূত্র : এনডিটিভি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

টয়লেট না থাকায় স্বামী ত্যাগ (ভিডিওসহ)

আপডেট টাইম : ০৬:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০১৫

ডেস্ক : বাড়িতে টয়লেট না থাকায় চার বছরের বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেছেন সুনিতা দেবী। ২৫ বছর বয়সী সুনিতার প্রশ্ন, এ ছাড়া তার কী করার ছিল। উন্মুক্ত ময়দানে প্রাকৃতিক কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের কথা শোনা ও অপমানের চেয়ে স্বামীকে ত্যাগ করাই তার কাছে শ্রেয় মনে হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যের ভাইশালীর পাহাড়পুরে। ২০১১ সালে বিশেনপুর পঞ্চায়েতে সবজি ব্যবসায়ী ধীরাজ চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সুনিতা। সন্তানহীন এই দম্পতি দুই রুমের একটি বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। যে ঘরের অর্ধেক পাকা, অর্ধেক কাঁচা। সঙ্গে থাকত ধীরাজের বাবা-মা।
কিন্তু একটি পায়খানার কারণে তাদের চার বছরের বৈবাহিক সম্পর্কে ছেদ পড়ল। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাকৃতিক কাজের জন্য পায়খানার খুবই সঙ্কট চলছে। এর ফলে নারীদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাতে প্রাকৃতিক কাজ সারতে হয়। কিন্তু তাতেও মুক্তি নেই। বাড়ির বাইরে গিয়ে প্রাকৃতিক কাজ সারতে গিয়ে দেশটির অনেক নারী অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এমনকি অনেকেই গণধর্ষণের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।
অবস্থা যখন এই, তখন সুনিতা দেবীর সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক সেটা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু ধীরাজের সহজ স্বীকারোক্তি-একটি টয়লেট না থাকাই তাদের সম্পর্ক ভঙ্গের কারণ। তিনি বলেন, ‘সুনিতা আমাকে প্রায়ই টয়লেট বানানোর কথা বলেছে। কিন্তু আমার কাছে তা বানানোর মতো টাকা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি আমার বাবা মারা গেছেন। তাই পুরো সংসার চলত আমার সামান্য আয়ের ওপর।’
সর্বশেষ এক জরিপে দেখা গেছে, ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় ৯২ শতাংশ বাড়িতে পায়খানা নেই। এ ছাড়া বিহারে ৮২ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ৭৮ শতাংশ এবং ওডিশা, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশে ৮৫ শতাংশের বেশি বাড়িতে টয়লেট নেই। সূত্র : এনডিটিভি