পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

নারী নির্যাতন বন্ধে আইনের শৈথিল্য কাম্য নয়

(মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান) : আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্যমতে, সাম্প্রতিককালে ১২৩ জন নারী গণধর্ষণের শিকার হন। ভারতে যখন একের পর এমন ঘটনায় আমরা বিস্মিত ঠিক সে সময়ে আমাদের দেশেও এর বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ে। নারীর প্রতি এমন অমানবিক আচরণের ধারাবাহিকতা আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করছে।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, কথিত বিরোধীদলীয় নেতাও নারী। এর আগের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাও নারী। সংসদের স্পিকারও নারী। আরও কজন নারী মন্ত্রী হিসেবে আসীন। সচিবও আছেন নারী। নারীদের প্রতিনিধিত্ব প্রায় সর্বত্র চোখে পড়ে। যে দেশে নারীদের ক্ষমতায়ন বিশ্বাসীর কাছে অনন্য উদাহরণ, সে দেশে নারীর ইজ্জত নিয়ে নোংরামি কাম্য হতে পারে না।

আজকে যেদিকেই তাকানো হোক না কেন, নারীর প্রতি বৈরী আচরণ চোখে পড়বেই। আইনকে সঠিক পথে চলতে না দেওয়ার কারণেই যে এমন ঘটনা বাড়ছে, নারী নেত্রীদের সে বক্তব্য শতভাগ সত্যে পরিণত হওয়ার উপক্রম। এ কথা সবাই স্বীকার করছেন যে, আইন নিজস্বগতিতে চললে দেশে নারী নির্যাতনের রকমফের এতটা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছত না।

আজ ঘর থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজপথ, যানবাহন এমনকি অফিস-আদালতেও নারী যে নিরাপদ নয়; সে সত্যটাই বারবার সামনে চলে আসছে। ঘটনাটার রেশ থামানোর জন্য যেটা আগে করতে হবে, সেটা হলো আইনের নির্মোহ প্রয়োগ। আইনকে নিজস্বগতিতে চলতে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার শৈথিল্য আর যাতে না ঘটে, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। ঘটনাকে জিরো পর্যায়ে বা সহনীয় পর্যায়ে আনার জন্য এর বিকল্প নেই।

লেখক : সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
ই-মেইল : jalam_prodhan72@yahoo.com

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

নারী নির্যাতন বন্ধে আইনের শৈথিল্য কাম্য নয়

আপডেট টাইম : ০৮:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০১৫

(মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান) : আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্যমতে, সাম্প্রতিককালে ১২৩ জন নারী গণধর্ষণের শিকার হন। ভারতে যখন একের পর এমন ঘটনায় আমরা বিস্মিত ঠিক সে সময়ে আমাদের দেশেও এর বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ে। নারীর প্রতি এমন অমানবিক আচরণের ধারাবাহিকতা আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করছে।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, কথিত বিরোধীদলীয় নেতাও নারী। এর আগের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাও নারী। সংসদের স্পিকারও নারী। আরও কজন নারী মন্ত্রী হিসেবে আসীন। সচিবও আছেন নারী। নারীদের প্রতিনিধিত্ব প্রায় সর্বত্র চোখে পড়ে। যে দেশে নারীদের ক্ষমতায়ন বিশ্বাসীর কাছে অনন্য উদাহরণ, সে দেশে নারীর ইজ্জত নিয়ে নোংরামি কাম্য হতে পারে না।

আজকে যেদিকেই তাকানো হোক না কেন, নারীর প্রতি বৈরী আচরণ চোখে পড়বেই। আইনকে সঠিক পথে চলতে না দেওয়ার কারণেই যে এমন ঘটনা বাড়ছে, নারী নেত্রীদের সে বক্তব্য শতভাগ সত্যে পরিণত হওয়ার উপক্রম। এ কথা সবাই স্বীকার করছেন যে, আইন নিজস্বগতিতে চললে দেশে নারী নির্যাতনের রকমফের এতটা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছত না।

আজ ঘর থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজপথ, যানবাহন এমনকি অফিস-আদালতেও নারী যে নিরাপদ নয়; সে সত্যটাই বারবার সামনে চলে আসছে। ঘটনাটার রেশ থামানোর জন্য যেটা আগে করতে হবে, সেটা হলো আইনের নির্মোহ প্রয়োগ। আইনকে নিজস্বগতিতে চলতে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার শৈথিল্য আর যাতে না ঘটে, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। ঘটনাকে জিরো পর্যায়ে বা সহনীয় পর্যায়ে আনার জন্য এর বিকল্প নেই।

লেখক : সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
ই-মেইল : jalam_prodhan72@yahoo.com