অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

মরিচ খেয়ে এক যুগ

গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য পরাণ গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে আলামিন (১৫) মরিচের ঝাঁঝকে জয় করে এক যুগ ধরে বেঁচে আছে। জানা গেছে, মরিচ ভোজী আলামিন ৪ ভাই বোনের মধ্যে পিতা-মাতার ২য় সন্তান। ৩ বছর বয়সে তার স্বাভাবিক জ্বর হয়। জ্বরের সাথে খিচুনী দেখা দিলে পল¬ী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসায় সুস্থ না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মানুষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং পিতা-মাতার নিকট স্বাভাবিক খাদ্যের সাথে ঝাঁঝালো মরিচের জন্য বায়না ধরে। আর তখন থেকেই সে মরিচ ভোজী হয়ে উঠে। দীর্ঘ এক যুগ ধরে মরিচ ভোজী আলামিন এখন পুরোপুরি মানষিক ভারসাম্যহীন। দৈনিক এক থেকে দেড় কেজি মচির না খেলে তার অস্থীরতা কাটে না। সে নিজের পায়ে নিজে শিকল বেঁধে রাখতে সাচ্ছন্দবোধ করে। মচির ভোজী আলামিনের পিতা হতদরিদ্র হওয়ায় সে সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। প্রতিদিন মরিচ ভোজী আলামিনকে দেখার জন্য তার বাড়িতে শতশত মানুষ ভিড় করছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

মরিচ খেয়ে এক যুগ

আপডেট টাইম : ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০১৫

গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য পরাণ গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে আলামিন (১৫) মরিচের ঝাঁঝকে জয় করে এক যুগ ধরে বেঁচে আছে। জানা গেছে, মরিচ ভোজী আলামিন ৪ ভাই বোনের মধ্যে পিতা-মাতার ২য় সন্তান। ৩ বছর বয়সে তার স্বাভাবিক জ্বর হয়। জ্বরের সাথে খিচুনী দেখা দিলে পল¬ী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসায় সুস্থ না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মানুষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং পিতা-মাতার নিকট স্বাভাবিক খাদ্যের সাথে ঝাঁঝালো মরিচের জন্য বায়না ধরে। আর তখন থেকেই সে মরিচ ভোজী হয়ে উঠে। দীর্ঘ এক যুগ ধরে মরিচ ভোজী আলামিন এখন পুরোপুরি মানষিক ভারসাম্যহীন। দৈনিক এক থেকে দেড় কেজি মচির না খেলে তার অস্থীরতা কাটে না। সে নিজের পায়ে নিজে শিকল বেঁধে রাখতে সাচ্ছন্দবোধ করে। মচির ভোজী আলামিনের পিতা হতদরিদ্র হওয়ায় সে সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। প্রতিদিন মরিচ ভোজী আলামিনকে দেখার জন্য তার বাড়িতে শতশত মানুষ ভিড় করছে।