পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নতুন বাজারে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

বেরোবি বঙ্গবন্ধু হলের সহকারী প্রভোস্টের পদত্যাগ

বেরোবি : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সহকারী প্রভোস্ট গণিত বিভাগের প্রভাষক মশিয়ার রহমান পদত্যাগ করেছেন। তিনি সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পদত্যাপত্র রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে উপাচার্যের কাছে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে পরপর তিন বার হলের দায়িত্ব দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত চালু হয়নি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল। ফলে আবাসিক সঙ্কটে ভুগছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। যখন বলা হলো হল সামনের মাসে হল চালু হবে ঠিক তখনই ঘটলো অঘটন।

সহকারী প্রভোস্ট লিখিত অভিযোগে বলেন, ‘সোমবার বিকেল ৫টার দিকে আমাদের হলের বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে কথা আছে বলে হলের প্রভোস্ট কমলেশ চন্দ্র সরকার জানান। আমি গিয়ে দেখি প্রায় ৩০ জন শিক্ষক নিয়ে উপাচার্য মিটিং করছেন। অন্য বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক মনোনয়ন নিয়ে কথা হচ্ছিল সে সময়। সেখানে তিনি বলছিলেন, ‘‘খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগে কোনো বিধিমালা করার প্রয়োজন নেই। যে যার মতো ক্লাস নেওয়া শুরু করুন।’’ তখন আমি এ ব্যাপারে সঠিক বিধি নিয়ে কথা বলতে গেলে তিনি আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।’

মশিয়ার রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কিসের নিয়ম! উপাচার্য যা বলবেন তাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বলে গণ্য হবে।’

তিনি শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে বলেন, ‘কোনো মনোনয়ন ছাড়া যদি কোনো শিক্ষক কোর্স নেন। আর সেই কোর্সের কোনো সমস্যার কারণে কোনো শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে তো সেই শিক্ষক ফেঁসে যাবেন। কাজেই এর একটা সঠিক বিধি করা হোক।’

কী কারণে হল থেকে পদত্যাগ করলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো আইন নেই। আর তিনি (ভিসি) যা বলবেন তাই আইন। কাজেই আমি হলের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করলাম।’

এদিকে পদত্যাগের এ খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আবারও হল চালু অনিশ্চিত হয়ে গেল।’

এ বিষয়ে ওই হলের প্রভোস্ট কমলেশ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘তিনি পদত্যাগ করেছেন। আমিও এ খবর পেয়েছি যে উপাচার্য অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় তিনি হলের দায়িত্ব থেকে পদত্যাক করেছেন।’

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোর্শেদ উল আলম রনির মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে এম নূর উন নবীকেও মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনিও কোনো রেসপন্স করেননি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ

বেরোবি বঙ্গবন্ধু হলের সহকারী প্রভোস্টের পদত্যাগ

আপডেট টাইম : ০২:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৫

বেরোবি : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সহকারী প্রভোস্ট গণিত বিভাগের প্রভাষক মশিয়ার রহমান পদত্যাগ করেছেন। তিনি সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পদত্যাপত্র রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে উপাচার্যের কাছে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে পরপর তিন বার হলের দায়িত্ব দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত চালু হয়নি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল। ফলে আবাসিক সঙ্কটে ভুগছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। যখন বলা হলো হল সামনের মাসে হল চালু হবে ঠিক তখনই ঘটলো অঘটন।

সহকারী প্রভোস্ট লিখিত অভিযোগে বলেন, ‘সোমবার বিকেল ৫টার দিকে আমাদের হলের বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে কথা আছে বলে হলের প্রভোস্ট কমলেশ চন্দ্র সরকার জানান। আমি গিয়ে দেখি প্রায় ৩০ জন শিক্ষক নিয়ে উপাচার্য মিটিং করছেন। অন্য বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক মনোনয়ন নিয়ে কথা হচ্ছিল সে সময়। সেখানে তিনি বলছিলেন, ‘‘খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগে কোনো বিধিমালা করার প্রয়োজন নেই। যে যার মতো ক্লাস নেওয়া শুরু করুন।’’ তখন আমি এ ব্যাপারে সঠিক বিধি নিয়ে কথা বলতে গেলে তিনি আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।’

মশিয়ার রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কিসের নিয়ম! উপাচার্য যা বলবেন তাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বলে গণ্য হবে।’

তিনি শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে বলেন, ‘কোনো মনোনয়ন ছাড়া যদি কোনো শিক্ষক কোর্স নেন। আর সেই কোর্সের কোনো সমস্যার কারণে কোনো শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে তো সেই শিক্ষক ফেঁসে যাবেন। কাজেই এর একটা সঠিক বিধি করা হোক।’

কী কারণে হল থেকে পদত্যাগ করলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো আইন নেই। আর তিনি (ভিসি) যা বলবেন তাই আইন। কাজেই আমি হলের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করলাম।’

এদিকে পদত্যাগের এ খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আবারও হল চালু অনিশ্চিত হয়ে গেল।’

এ বিষয়ে ওই হলের প্রভোস্ট কমলেশ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘তিনি পদত্যাগ করেছেন। আমিও এ খবর পেয়েছি যে উপাচার্য অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় তিনি হলের দায়িত্ব থেকে পদত্যাক করেছেন।’

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোর্শেদ উল আলম রনির মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে এম নূর উন নবীকেও মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনিও কোনো রেসপন্স করেননি।