অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

স্কটল্যান্ড ‘রক্ষায়’ মরিয়া বৃটেনের নেতারা

বাংলার খবর২৪.কম,500x350_4b7c0bc8addb16f31b98e6204c83ce12_image_97763ডেস্ক : স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। স্কটল্যান্ড যাতে শেষ পর্যন্ত বৃটেনের সঙ্গেই থেকে যায়, তার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিকরা।
‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে সেখানে ছুটে গেছেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।
অন্য দুই প্রধান দলের নেতারাও ভোটারদের বৃটেনের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে বোঝাতে স্কটল্যান্ডে প্রচার চালাচ্ছেন।
তবে এই প্রচারণায় আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ করছেন স্বাধীনতার পক্ষের নেতারা।
সর্বশেষ জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, গণভোটের ফল যেকোনো দিকেই যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন স্কটল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে ধরে রাখতে স্কটিশদের উদ্দেশে আবেগপূর্ণ এক আবেদনে বলেছেন, “১৮ তারিখের গণভোট টোরি দলের প্রতি বিতৃষ্ণা প্রকাশের কোনো ভোট নয়। এটা যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ অখণ্ডতার ওপর ভোট।”
স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার বিপক্ষে ভোট দেয়ার জন্য তিনি স্কটদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার কাছে দলের চেয়ে দেশ ঊর্ধ্বে।
স্কটল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের মধ্যে ধরে রাখতে মরিয়া বৃটেনের প্রধান অন্য দুটি রাজনৈতিক দলের নেতারাও। লেবার পার্টির নেতা এড মিলিব্যান্ড ও লিবারেল ডেমোক্রাট নেতা নিক ক্লেগও একই সঙ্গে স্কটল্যান্ডে গেছেন শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চালাতে।
জনমত জরিপে গণভোটের সম্ভাব্য ফলাফল যেকোনো দিকে যেতে পারে এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলো ‘না’ ভোটের পক্ষে মত টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
স্কটল্যান্ড বিষয়ক মন্ত্রী স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির অ্যালেক্স স্যামন্ড বলছেন, ‘না’ ভোটের পক্ষে সমর্থন ক্রমেই কমছে।
তিনি বলেন, “পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা সফল হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলো কয়েক মাস আগে যা বলেছিল, তাই এখন আবার নতুন করে সাজিয়ে-গুছিয়ে ওরা বলতে এসেছে। স্কটল্যান্ডের মানুষ তাদের মনস্থির করে ফেলেছে। এখন আর তাদের নতুন করে বোঝানোর রাস্তা নেই। মূল কথা হলো, স্কটল্যান্ড চায় উন্নত অর্থনীতি, উন্নত সমাজব্যবস্থা।”
ক্যামেরন স্কটিশ ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, “এই গণভোট সাধারণ নির্বাচন নয় যে সিদ্ধান্ত সঠিক মনে না হলে পাঁচ বছর পর তা আবার নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে বদলে ফেলা সম্ভব।”
তিনি বলেছেন, “গণভোটের সিদ্ধান্ত পাল্টানো সম্ভব নয়- একবার সিদ্ধান্ত নিলে তা পরবর্তী শতক পর্যন্ত চিরস্থায়ী হবে।”
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী নেতার স্কটল্যান্ডে প্রচারণা চালাতে ছুটে যাওয়া এটাই প্রমাণ করে যে স্কটল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের মধ্যে ধরে রাখতে বৃটিশ নেতারা এখন কতটা মরিয়া। সূত্র: বিবিসি

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

স্কটল্যান্ড ‘রক্ষায়’ মরিয়া বৃটেনের নেতারা

আপডেট টাইম : ০৫:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম,500x350_4b7c0bc8addb16f31b98e6204c83ce12_image_97763ডেস্ক : স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। স্কটল্যান্ড যাতে শেষ পর্যন্ত বৃটেনের সঙ্গেই থেকে যায়, তার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিকরা।
‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে সেখানে ছুটে গেছেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।
অন্য দুই প্রধান দলের নেতারাও ভোটারদের বৃটেনের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে বোঝাতে স্কটল্যান্ডে প্রচার চালাচ্ছেন।
তবে এই প্রচারণায় আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ করছেন স্বাধীনতার পক্ষের নেতারা।
সর্বশেষ জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, গণভোটের ফল যেকোনো দিকেই যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন স্কটল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে ধরে রাখতে স্কটিশদের উদ্দেশে আবেগপূর্ণ এক আবেদনে বলেছেন, “১৮ তারিখের গণভোট টোরি দলের প্রতি বিতৃষ্ণা প্রকাশের কোনো ভোট নয়। এটা যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ অখণ্ডতার ওপর ভোট।”
স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার বিপক্ষে ভোট দেয়ার জন্য তিনি স্কটদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার কাছে দলের চেয়ে দেশ ঊর্ধ্বে।
স্কটল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের মধ্যে ধরে রাখতে মরিয়া বৃটেনের প্রধান অন্য দুটি রাজনৈতিক দলের নেতারাও। লেবার পার্টির নেতা এড মিলিব্যান্ড ও লিবারেল ডেমোক্রাট নেতা নিক ক্লেগও একই সঙ্গে স্কটল্যান্ডে গেছেন শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চালাতে।
জনমত জরিপে গণভোটের সম্ভাব্য ফলাফল যেকোনো দিকে যেতে পারে এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলো ‘না’ ভোটের পক্ষে মত টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
স্কটল্যান্ড বিষয়ক মন্ত্রী স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির অ্যালেক্স স্যামন্ড বলছেন, ‘না’ ভোটের পক্ষে সমর্থন ক্রমেই কমছে।
তিনি বলেন, “পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা সফল হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলো কয়েক মাস আগে যা বলেছিল, তাই এখন আবার নতুন করে সাজিয়ে-গুছিয়ে ওরা বলতে এসেছে। স্কটল্যান্ডের মানুষ তাদের মনস্থির করে ফেলেছে। এখন আর তাদের নতুন করে বোঝানোর রাস্তা নেই। মূল কথা হলো, স্কটল্যান্ড চায় উন্নত অর্থনীতি, উন্নত সমাজব্যবস্থা।”
ক্যামেরন স্কটিশ ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, “এই গণভোট সাধারণ নির্বাচন নয় যে সিদ্ধান্ত সঠিক মনে না হলে পাঁচ বছর পর তা আবার নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে বদলে ফেলা সম্ভব।”
তিনি বলেছেন, “গণভোটের সিদ্ধান্ত পাল্টানো সম্ভব নয়- একবার সিদ্ধান্ত নিলে তা পরবর্তী শতক পর্যন্ত চিরস্থায়ী হবে।”
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী নেতার স্কটল্যান্ডে প্রচারণা চালাতে ছুটে যাওয়া এটাই প্রমাণ করে যে স্কটল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের মধ্যে ধরে রাখতে বৃটিশ নেতারা এখন কতটা মরিয়া। সূত্র: বিবিসি