পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

‘আমাদের দুই বোনকে বেঁধে পালা করে ধর্ষণ করেছে সেনা সদস্যরা’

ডেস্ক: ‘বিছানার সঙ্গে ওরা আমাদের দুই বোনকে বেঁধে রেখেছিল। এরপর একজন একজন করে সেনা এসে আমাদের ধর্ষণ করেছে।’

সেনা-অত্যাচারের বিবরণ দিতে গিয়ে এ কথা জানান মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বছর কুড়ির ছিন্নমূল রোহিঙ্গা যুবতী হাবিবা। এসময় পাশে বসা ছিলো তার আরও দুই ভাই-বোন, তারাও সেনা-অত্যাচারের সাক্ষী।

বাংলাদেশের টেকনাফে আরও অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গেই এখন ঠাঁই হয়েছে মিয়ানমার থেকে কোনওক্রমে পালিয়ে আসা এই দুই বোনের।

হাবিবার ছোট বোন সামিরার বয়স ১৮। সে জানাল ‘মিয়ানমারের উদাং গ্রামে আমাদের বাড়ি ছিল। একদিন সেই বাড়িতেই হানা দিল সেনা সদস্যরা। দুই বোনকে উপর্যুপরি ওরা ধর্ষণ করল। যাওয়ার আগে আমাদের ঘরটাতেও ওরা আগুন দিল।’

তার আরও আগে হাবিবাদের বাবাকে হত্যা করে, তাদের মাথার উপর থেকে ছাতাটাই কেড়ে নেয় মায়ানমার সেনা।

হাবিবা, সামিরা ব্যতিক্রম নয়। এই দুই বোনের মতো রোজ আরও অনেক রোহিঙ্গা কিশোরী-যুবতী ধর্ষিত হচ্ছে। বাধা দিলে নৃশংস ভাবে মেরে ফেলে চলে যাচ্ছে সেনারা। জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়িঘর। সূত্র: এই সময়

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

‘আমাদের দুই বোনকে বেঁধে পালা করে ধর্ষণ করেছে সেনা সদস্যরা’

আপডেট টাইম : ০২:৫২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৬

ডেস্ক: ‘বিছানার সঙ্গে ওরা আমাদের দুই বোনকে বেঁধে রেখেছিল। এরপর একজন একজন করে সেনা এসে আমাদের ধর্ষণ করেছে।’

সেনা-অত্যাচারের বিবরণ দিতে গিয়ে এ কথা জানান মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বছর কুড়ির ছিন্নমূল রোহিঙ্গা যুবতী হাবিবা। এসময় পাশে বসা ছিলো তার আরও দুই ভাই-বোন, তারাও সেনা-অত্যাচারের সাক্ষী।

বাংলাদেশের টেকনাফে আরও অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গেই এখন ঠাঁই হয়েছে মিয়ানমার থেকে কোনওক্রমে পালিয়ে আসা এই দুই বোনের।

হাবিবার ছোট বোন সামিরার বয়স ১৮। সে জানাল ‘মিয়ানমারের উদাং গ্রামে আমাদের বাড়ি ছিল। একদিন সেই বাড়িতেই হানা দিল সেনা সদস্যরা। দুই বোনকে উপর্যুপরি ওরা ধর্ষণ করল। যাওয়ার আগে আমাদের ঘরটাতেও ওরা আগুন দিল।’

তার আরও আগে হাবিবাদের বাবাকে হত্যা করে, তাদের মাথার উপর থেকে ছাতাটাই কেড়ে নেয় মায়ানমার সেনা।

হাবিবা, সামিরা ব্যতিক্রম নয়। এই দুই বোনের মতো রোজ আরও অনেক রোহিঙ্গা কিশোরী-যুবতী ধর্ষিত হচ্ছে। বাধা দিলে নৃশংস ভাবে মেরে ফেলে চলে যাচ্ছে সেনারা। জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়িঘর। সূত্র: এই সময়