অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে খুনের দায়ে ফাঁসি

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_953979434dd8f6806001f19a0cafdfa6_image_95687_0 কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ ম মো. সাঈদ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত বোরহান উদ্দিন হোসেনপুর উপজেলার নামা সিদলা গ্রামের মৃত সদর আলীর ছেলে। বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ২০ বছর সাজা খেটে গত বছরই মুক্তি পান তিনি।

রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় পঞ্চাশোর্ধ্ব বোরহানকে হাসতে দেখা যায়।

ছোটভাই ওমর ফারুককেও খুন করতে না পারায় ‘আক্ষেপ করে’ উচ্চস্বরে তিনি বলেন, “ইশ্… ওকে শেষ করতে পারলাম না।”

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের পহেলা অগাস্ট পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বোরহান তার ছোট ভাই ফারুকের স্ত্রী নাজমা আক্তার অন্তরা (৩০) এবং দুই ছেলে শাহজাহান (৮) ও শাহ পরানকে (৫) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

বাড়ি থেকে পালানোর পথে ময়মনসিংহের নান্দাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে বোরহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওমর ফারুক বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। বোরহান দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

ওমর ফারুক জানান, ১৯৯৩ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই সোহরাবকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বোরহানের।

বোরহান জেলে থাকা অবস্থায় তাদের বাবা সদর আলী সব সম্পত্তি ফারুকের নামে লিখে দিয়ে যান।

২০ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৩ সালে মুক্তি পান বোরহান। বাড়ি ফিরে সব সম্পত্তি ছোট ভাইয়ের দখলে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে আবার বিবাদে জড়ান তিনি।

এর জের ধরে জেল থেকে বের হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ফারুকের স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে হত্যা করেন বোরহান।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ আজিজুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন জেসমিন আরা রোজি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে খুনের দায়ে ফাঁসি

আপডেট টাইম : ১১:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_953979434dd8f6806001f19a0cafdfa6_image_95687_0 কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ ম মো. সাঈদ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত বোরহান উদ্দিন হোসেনপুর উপজেলার নামা সিদলা গ্রামের মৃত সদর আলীর ছেলে। বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ২০ বছর সাজা খেটে গত বছরই মুক্তি পান তিনি।

রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় পঞ্চাশোর্ধ্ব বোরহানকে হাসতে দেখা যায়।

ছোটভাই ওমর ফারুককেও খুন করতে না পারায় ‘আক্ষেপ করে’ উচ্চস্বরে তিনি বলেন, “ইশ্… ওকে শেষ করতে পারলাম না।”

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের পহেলা অগাস্ট পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বোরহান তার ছোট ভাই ফারুকের স্ত্রী নাজমা আক্তার অন্তরা (৩০) এবং দুই ছেলে শাহজাহান (৮) ও শাহ পরানকে (৫) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

বাড়ি থেকে পালানোর পথে ময়মনসিংহের নান্দাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে বোরহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওমর ফারুক বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। বোরহান দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

ওমর ফারুক জানান, ১৯৯৩ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই সোহরাবকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বোরহানের।

বোরহান জেলে থাকা অবস্থায় তাদের বাবা সদর আলী সব সম্পত্তি ফারুকের নামে লিখে দিয়ে যান।

২০ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৩ সালে মুক্তি পান বোরহান। বাড়ি ফিরে সব সম্পত্তি ছোট ভাইয়ের দখলে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে আবার বিবাদে জড়ান তিনি।

এর জের ধরে জেল থেকে বের হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ফারুকের স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে হত্যা করেন বোরহান।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ আজিজুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন জেসমিন আরা রোজি।