পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় Logo লালমনিরহাটে নিরাপদ সড়ক গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo লালমনিরহাট মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনায়- পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo বুড়িমারীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজপথে এলাকাবাসী Logo হাতীবান্ধা সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে এস্কাপ সিরাপ ও গাঁজা জব্দ Logo লালমনিরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু Logo চলন্ত বাসে জন্ম, আজীবন বিনামূল্যে যাতায়াতের উপহার পেল শিশু Logo পাটগ্রাম সীমান্তে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় চুইঝাল জব্দ Logo পাটগ্রামে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৭ Logo হেলাল হোসেন কবির : সাংবাদিকতা ও কাব্যচর্চার দ্বৈত পরিচয়

ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে খুনের দায়ে ফাঁসি

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_953979434dd8f6806001f19a0cafdfa6_image_95687_0 কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ ম মো. সাঈদ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত বোরহান উদ্দিন হোসেনপুর উপজেলার নামা সিদলা গ্রামের মৃত সদর আলীর ছেলে। বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ২০ বছর সাজা খেটে গত বছরই মুক্তি পান তিনি।

রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় পঞ্চাশোর্ধ্ব বোরহানকে হাসতে দেখা যায়।

ছোটভাই ওমর ফারুককেও খুন করতে না পারায় ‘আক্ষেপ করে’ উচ্চস্বরে তিনি বলেন, “ইশ্… ওকে শেষ করতে পারলাম না।”

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের পহেলা অগাস্ট পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বোরহান তার ছোট ভাই ফারুকের স্ত্রী নাজমা আক্তার অন্তরা (৩০) এবং দুই ছেলে শাহজাহান (৮) ও শাহ পরানকে (৫) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

বাড়ি থেকে পালানোর পথে ময়মনসিংহের নান্দাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে বোরহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওমর ফারুক বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। বোরহান দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

ওমর ফারুক জানান, ১৯৯৩ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই সোহরাবকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বোরহানের।

বোরহান জেলে থাকা অবস্থায় তাদের বাবা সদর আলী সব সম্পত্তি ফারুকের নামে লিখে দিয়ে যান।

২০ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৩ সালে মুক্তি পান বোরহান। বাড়ি ফিরে সব সম্পত্তি ছোট ভাইয়ের দখলে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে আবার বিবাদে জড়ান তিনি।

এর জের ধরে জেল থেকে বের হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ফারুকের স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে হত্যা করেন বোরহান।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ আজিজুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন জেসমিন আরা রোজি।

Tag :

পাটগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময়

ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে খুনের দায়ে ফাঁসি

আপডেট টাইম : ১১:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_953979434dd8f6806001f19a0cafdfa6_image_95687_0 কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ ম মো. সাঈদ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত বোরহান উদ্দিন হোসেনপুর উপজেলার নামা সিদলা গ্রামের মৃত সদর আলীর ছেলে। বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ২০ বছর সাজা খেটে গত বছরই মুক্তি পান তিনি।

রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় পঞ্চাশোর্ধ্ব বোরহানকে হাসতে দেখা যায়।

ছোটভাই ওমর ফারুককেও খুন করতে না পারায় ‘আক্ষেপ করে’ উচ্চস্বরে তিনি বলেন, “ইশ্… ওকে শেষ করতে পারলাম না।”

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের পহেলা অগাস্ট পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বোরহান তার ছোট ভাই ফারুকের স্ত্রী নাজমা আক্তার অন্তরা (৩০) এবং দুই ছেলে শাহজাহান (৮) ও শাহ পরানকে (৫) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

বাড়ি থেকে পালানোর পথে ময়মনসিংহের নান্দাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে বোরহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওমর ফারুক বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। বোরহান দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

ওমর ফারুক জানান, ১৯৯৩ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই সোহরাবকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বোরহানের।

বোরহান জেলে থাকা অবস্থায় তাদের বাবা সদর আলী সব সম্পত্তি ফারুকের নামে লিখে দিয়ে যান।

২০ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৩ সালে মুক্তি পান বোরহান। বাড়ি ফিরে সব সম্পত্তি ছোট ভাইয়ের দখলে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে আবার বিবাদে জড়ান তিনি।

এর জের ধরে জেল থেকে বের হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ফারুকের স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে হত্যা করেন বোরহান।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ আজিজুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন জেসমিন আরা রোজি।