পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বরিশালে দোয়ারিকা-সিকাপুর সেতুর টোল লোপাট কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ ! Logo বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১,২,৩,৪ ও ঢাকা জেলা সার্কেলের আয়োজনে সড়ক নিরাপত্তায় সচেতনতামূলক রোড-শো অনুষ্ঠিত Logo রূপগঞ্জে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ‘ওয়েলকেয়ার গ্রীনসিটি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় জিডি Logo পাটগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি রাজিবের মতবিনিময়, দুস্থদের মাঝে চেক বিতরণ Logo পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইনের জন্য আনা ১২ জনকে রাতের আঁধারে ফেরত নিল বিএসএফ Logo বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১, সার্কেলের সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ফেসবুক পেজে Logo পাটগ্রামের বুড়িমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চার পরিবারকে এমপির গরু উপহার Logo প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে উন্নয়ন করতে হবে: শেখ রবিউল আলম Logo লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করে দিল বিজিবি Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রামের ৬৫ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি

ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে খুনের দায়ে ফাঁসি

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_953979434dd8f6806001f19a0cafdfa6_image_95687_0 কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ ম মো. সাঈদ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত বোরহান উদ্দিন হোসেনপুর উপজেলার নামা সিদলা গ্রামের মৃত সদর আলীর ছেলে। বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ২০ বছর সাজা খেটে গত বছরই মুক্তি পান তিনি।

রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় পঞ্চাশোর্ধ্ব বোরহানকে হাসতে দেখা যায়।

ছোটভাই ওমর ফারুককেও খুন করতে না পারায় ‘আক্ষেপ করে’ উচ্চস্বরে তিনি বলেন, “ইশ্… ওকে শেষ করতে পারলাম না।”

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের পহেলা অগাস্ট পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বোরহান তার ছোট ভাই ফারুকের স্ত্রী নাজমা আক্তার অন্তরা (৩০) এবং দুই ছেলে শাহজাহান (৮) ও শাহ পরানকে (৫) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

বাড়ি থেকে পালানোর পথে ময়মনসিংহের নান্দাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে বোরহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওমর ফারুক বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। বোরহান দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

ওমর ফারুক জানান, ১৯৯৩ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই সোহরাবকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বোরহানের।

বোরহান জেলে থাকা অবস্থায় তাদের বাবা সদর আলী সব সম্পত্তি ফারুকের নামে লিখে দিয়ে যান।

২০ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৩ সালে মুক্তি পান বোরহান। বাড়ি ফিরে সব সম্পত্তি ছোট ভাইয়ের দখলে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে আবার বিবাদে জড়ান তিনি।

এর জের ধরে জেল থেকে বের হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ফারুকের স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে হত্যা করেন বোরহান।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ আজিজুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন জেসমিন আরা রোজি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে দোয়ারিকা-সিকাপুর সেতুর টোল লোপাট কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ !

ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে খুনের দায়ে ফাঁসি

আপডেট টাইম : ১১:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_953979434dd8f6806001f19a0cafdfa6_image_95687_0 কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ ম মো. সাঈদ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত বোরহান উদ্দিন হোসেনপুর উপজেলার নামা সিদলা গ্রামের মৃত সদর আলীর ছেলে। বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ২০ বছর সাজা খেটে গত বছরই মুক্তি পান তিনি।

রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় পঞ্চাশোর্ধ্ব বোরহানকে হাসতে দেখা যায়।

ছোটভাই ওমর ফারুককেও খুন করতে না পারায় ‘আক্ষেপ করে’ উচ্চস্বরে তিনি বলেন, “ইশ্… ওকে শেষ করতে পারলাম না।”

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের পহেলা অগাস্ট পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বোরহান তার ছোট ভাই ফারুকের স্ত্রী নাজমা আক্তার অন্তরা (৩০) এবং দুই ছেলে শাহজাহান (৮) ও শাহ পরানকে (৫) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

বাড়ি থেকে পালানোর পথে ময়মনসিংহের নান্দাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে বোরহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওমর ফারুক বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। বোরহান দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

ওমর ফারুক জানান, ১৯৯৩ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই সোহরাবকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বোরহানের।

বোরহান জেলে থাকা অবস্থায় তাদের বাবা সদর আলী সব সম্পত্তি ফারুকের নামে লিখে দিয়ে যান।

২০ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৩ সালে মুক্তি পান বোরহান। বাড়ি ফিরে সব সম্পত্তি ছোট ভাইয়ের দখলে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে আবার বিবাদে জড়ান তিনি।

এর জের ধরে জেল থেকে বের হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ফারুকের স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে হত্যা করেন বোরহান।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ আজিজুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন জেসমিন আরা রোজি।