অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

‘১০ বছরে বাংলাদেশ ১৬ দেশকে ডিঙ্গিয়েছে’

ডেস্ক : পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ গেল ১০ বছরে ১৬ দেশকে ডিঙ্গিয়েছে। আগামী ২২ বছরে এ দেশ আরও ২২ দেশকে পেছনে ফেলবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গতবার যখন সিপিডি প্রোগামে এসেছিলাম, তখন হতদরিদ্র হিসেবেই এসেছিলাম। এখন আমরা হতদরিদ্র নেই। কিছু দিন আগেই জাতিসংঘ আমাদের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি দিয়েছে। তার আগে বিশ্বব্যাংক নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দেয়।

রবিবার রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ- সিপিডি আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটে নিয়ে পর্যালোচনায় তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্পর্কে এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, ১০ বছর আগে পৃথিবীর অর্থনীতিতে আমাদের অবস্থান ছিল ৫৮তম দেশ। এই ১০ বছরে আমরা ১৬টি দেশকে ডিঙ্গিয়েছি- আমাদের অবস্থান এখন ৪২তম স্থানে। এই ১৬টি দেশ হলো- ফিনল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, রোমানিয়া, নিউজিল্যান্ড, কাতার, ভিয়েতনাম, পর্তুগাল, গ্রিস, পেরু, ইরাক, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান, হাঙ্গেরি, কুয়েত, সুদান ও তেল সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলা।’

তিনি বলেন, আমরা যদি ১০ বছরে ১৬টি দেশকে টপকাতে পারি, তাহলে ২০৪১ সালে আমাদের উন্নত দেশ হওয়ার যে স্বপ্ন আছে, তা পূরণ করতে পারবো। প্রতি বছর একটি করে দেশকে পিছনে ফেলে ২২ বছরে ২২টি দেশকে টপকে যাবে বাংলাদেশ। তখন বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ২০তম। আমরা জি-২০ বা এলিট ক্লাসে পৌঁছে যাবো।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির উপস্থিত ছিলেন।

বাজেট পর্যালোচনা ও সুপারিশ আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। সিপিডি’র সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান সংলাপে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। আর সভাপতিত্ব করেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

‘১০ বছরে বাংলাদেশ ১৬ দেশকে ডিঙ্গিয়েছে’

আপডেট টাইম : ০৭:১২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮

ডেস্ক : পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ গেল ১০ বছরে ১৬ দেশকে ডিঙ্গিয়েছে। আগামী ২২ বছরে এ দেশ আরও ২২ দেশকে পেছনে ফেলবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গতবার যখন সিপিডি প্রোগামে এসেছিলাম, তখন হতদরিদ্র হিসেবেই এসেছিলাম। এখন আমরা হতদরিদ্র নেই। কিছু দিন আগেই জাতিসংঘ আমাদের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি দিয়েছে। তার আগে বিশ্বব্যাংক নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দেয়।

রবিবার রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ- সিপিডি আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটে নিয়ে পর্যালোচনায় তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্পর্কে এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, ১০ বছর আগে পৃথিবীর অর্থনীতিতে আমাদের অবস্থান ছিল ৫৮তম দেশ। এই ১০ বছরে আমরা ১৬টি দেশকে ডিঙ্গিয়েছি- আমাদের অবস্থান এখন ৪২তম স্থানে। এই ১৬টি দেশ হলো- ফিনল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, রোমানিয়া, নিউজিল্যান্ড, কাতার, ভিয়েতনাম, পর্তুগাল, গ্রিস, পেরু, ইরাক, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান, হাঙ্গেরি, কুয়েত, সুদান ও তেল সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলা।’

তিনি বলেন, আমরা যদি ১০ বছরে ১৬টি দেশকে টপকাতে পারি, তাহলে ২০৪১ সালে আমাদের উন্নত দেশ হওয়ার যে স্বপ্ন আছে, তা পূরণ করতে পারবো। প্রতি বছর একটি করে দেশকে পিছনে ফেলে ২২ বছরে ২২টি দেশকে টপকে যাবে বাংলাদেশ। তখন বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ২০তম। আমরা জি-২০ বা এলিট ক্লাসে পৌঁছে যাবো।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির উপস্থিত ছিলেন।

বাজেট পর্যালোচনা ও সুপারিশ আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। সিপিডি’র সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান সংলাপে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। আর সভাপতিত্ব করেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান।