পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

বাল্যবিয়ে দিতে এসে ফেঁসে গেলেন ভুয়া কাজি

ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বাল্যবিয়ে দিতে এসে ফেঁসে গেছেন এক ভুয়া কাজি। তার বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজ বানিয়ে অসংখ্য বিয়ে দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের।

অভিযুক্ত কেরামত আলী ওই উপজেলার কালেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।

শুক্রবার দুপুরে একই গ্রামের এক এসএসসি পরিক্ষার্থীর বিয়ে দেয়ার সময় তাকে আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় দোষ স্বীকার করেন।

কেরামত আলী বলেন, আমি কাজি নই। আমার ভুল হয়েছে। আমি আর কোনোদিন এ কাজ করবো না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কেরামত আলী নিজেকে কাজী পরিচয় দিয়ে অসংখ্য বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি করেছেন। বিনিময়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এছাড়া প্রভাবশালী নেতাদের পরিচয় দিয়েও টাকা নিতেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে আটক করে স্থানীয়রা।

ওই ওয়ার্ডের কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ওয়ার্ডে আমি কাজ করার কথা ছিলো। কেরামত আলী রেজিস্ট্রি ফরমের বই জোরপূর্বক নিয়ে বিয়ে পড়াচ্ছিলেন। তিনি কাজি নন।

রহিমপুর ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমান মুজিব জানান, গণ্যমান্যদের নাম ভাঙিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া অন্যায়। কেরামত আলীর বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বাল্যবিয়ে দিতে এসে ফেঁসে গেলেন ভুয়া কাজি

আপডেট টাইম : ০৪:১২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বাল্যবিয়ে দিতে এসে ফেঁসে গেছেন এক ভুয়া কাজি। তার বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজ বানিয়ে অসংখ্য বিয়ে দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের।

অভিযুক্ত কেরামত আলী ওই উপজেলার কালেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।

শুক্রবার দুপুরে একই গ্রামের এক এসএসসি পরিক্ষার্থীর বিয়ে দেয়ার সময় তাকে আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় দোষ স্বীকার করেন।

কেরামত আলী বলেন, আমি কাজি নই। আমার ভুল হয়েছে। আমি আর কোনোদিন এ কাজ করবো না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কেরামত আলী নিজেকে কাজী পরিচয় দিয়ে অসংখ্য বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি করেছেন। বিনিময়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এছাড়া প্রভাবশালী নেতাদের পরিচয় দিয়েও টাকা নিতেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে আটক করে স্থানীয়রা।

ওই ওয়ার্ডের কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ওয়ার্ডে আমি কাজ করার কথা ছিলো। কেরামত আলী রেজিস্ট্রি ফরমের বই জোরপূর্বক নিয়ে বিয়ে পড়াচ্ছিলেন। তিনি কাজি নন।

রহিমপুর ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমান মুজিব জানান, গণ্যমান্যদের নাম ভাঙিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া অন্যায়। কেরামত আলীর বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে পদক্ষেপ নেয়া হবে।