পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

‘কারাগার কারখানায় পুড়ল পৌনে তিন লাখ কম্বল’

বাংলার খবর২৪.কম,image_105449_0ঢাকা: রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কম্বল কারখানায় সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে পৌনে তিন লাখ কম্বল। এর মূল্য ২১ থেকে ২২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন কারখানার মালিক নেত্রকোনা-৫ আসনের সাংসদ ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল।

কারাগারের সীমানার ভেতর আইজি প্রিজনের অফিসের কাছে ওই কারখানায় শুক্রবার বিকালে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচায়লক জিয়াদুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার পর কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু কম্বলের গুদাম হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়।
জিয়াদুল ইসলাম জানান, ধোঁয়ায় কয়েকজন অসুস্থ হওয়া ছাড়া অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলেনি।

তবে কারখানার মালিক কারখানার মালিক ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল দাবি করেন, কারখানার ভেতরের বৈদ্যুতিক বাতি বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত। আগুনে দুই লাখ ৮০ হাজার কম্বল পুড়ে তার ২১ থেকে ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কারখানার তত্ত্বাবধায়ক দেলোয়ার হোসেন জানান, বিকাল পৌনে চারটার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে তা বলা যাচ্ছে না।

স্থানীয় লোকজন জানায়, বিকাল চারটার দিকে আগুন লাগে কম্বল কারখানার গোদামে। পরে তা কারখানার দিকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কারখানাটি কারাগারের কয়েদিদের রাখা হয় যে অংশে তার প্রাচীরের বাইরে। কারাগারের তিন নম্বর গেটের ভেতরে কারখানাটি একটি টিনশেড ভবনে স্থাপিত।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সদর দফতর, লালবাগ ও পলাশী স্টেশনের ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত হয়। পরে আরও দুটি ইউনিট যোগ দেয়।

কারখানার তত্ত্বাবধায়ক দেলোয়ার হোসেন জানান, ওই কারখানায় সাড়ে সাত হাজার লোক কাজ করছিল। ধোঁয়ায় দুজন অসুস্থ হয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রায় দুই লাখ ২১ হাজার তৈরি কম্বল এবং কম্বল তৈরির সুতা আগুনে পুড়ে গেছে। এ ছাড়া কারখানার অনেক মেশিনও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এতে আনুমানিক ২০ থেকে ২১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান, শুক্রবার বিকেল চারটা ২০ মিনিটে কারাগারের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে ‘কাজল উলেন মিলস লিমিটেড’ নামের ব্যক্তি পরিচালিত ওই কারখানায় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট পৌনে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিরাপত্তার স্বার্থে কারাগারের সীমানার বাইরে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

‘কারাগার কারখানায় পুড়ল পৌনে তিন লাখ কম্বল’

আপডেট টাইম : ০৪:১২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম,image_105449_0ঢাকা: রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কম্বল কারখানায় সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে পৌনে তিন লাখ কম্বল। এর মূল্য ২১ থেকে ২২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন কারখানার মালিক নেত্রকোনা-৫ আসনের সাংসদ ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল।

কারাগারের সীমানার ভেতর আইজি প্রিজনের অফিসের কাছে ওই কারখানায় শুক্রবার বিকালে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচায়লক জিয়াদুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার পর কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু কম্বলের গুদাম হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়।
জিয়াদুল ইসলাম জানান, ধোঁয়ায় কয়েকজন অসুস্থ হওয়া ছাড়া অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলেনি।

তবে কারখানার মালিক কারখানার মালিক ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল দাবি করেন, কারখানার ভেতরের বৈদ্যুতিক বাতি বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত। আগুনে দুই লাখ ৮০ হাজার কম্বল পুড়ে তার ২১ থেকে ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কারখানার তত্ত্বাবধায়ক দেলোয়ার হোসেন জানান, বিকাল পৌনে চারটার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে তা বলা যাচ্ছে না।

স্থানীয় লোকজন জানায়, বিকাল চারটার দিকে আগুন লাগে কম্বল কারখানার গোদামে। পরে তা কারখানার দিকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কারখানাটি কারাগারের কয়েদিদের রাখা হয় যে অংশে তার প্রাচীরের বাইরে। কারাগারের তিন নম্বর গেটের ভেতরে কারখানাটি একটি টিনশেড ভবনে স্থাপিত।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সদর দফতর, লালবাগ ও পলাশী স্টেশনের ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত হয়। পরে আরও দুটি ইউনিট যোগ দেয়।

কারখানার তত্ত্বাবধায়ক দেলোয়ার হোসেন জানান, ওই কারখানায় সাড়ে সাত হাজার লোক কাজ করছিল। ধোঁয়ায় দুজন অসুস্থ হয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রায় দুই লাখ ২১ হাজার তৈরি কম্বল এবং কম্বল তৈরির সুতা আগুনে পুড়ে গেছে। এ ছাড়া কারখানার অনেক মেশিনও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এতে আনুমানিক ২০ থেকে ২১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান, শুক্রবার বিকেল চারটা ২০ মিনিটে কারাগারের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে ‘কাজল উলেন মিলস লিমিটেড’ নামের ব্যক্তি পরিচালিত ওই কারখানায় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট পৌনে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিরাপত্তার স্বার্থে কারাগারের সীমানার বাইরে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।