অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

মন্ত্রিসভা থেকে অর্থমন্ত্রীর বহিষ্কার দাবি আলেমদের

বাংলার খবর২৪.কমindex_57756, ঢাকা : ঘুষকে বৈধ ঘোষণা দেওয়ায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিতকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে শীর্ষ আলেমগণ বলেন, ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কাদের খুশি করার জন্য বা কিসের লোভে আবুল মাল আবুল মুহিত একজন মুসলিম হওয়ার পরও কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে ইসলাম বিদ্বেষী উক্তি করেছেন তা আমরা বুঝতে পারছি না।

যে ঘুষকে দুনিয়ার কোন কাফের-বেঈমানরাও বৈধ বলার দুঃসাহস দেখাইনি! ইতিপূর্বেও তিনি ইসলামি দল ও ইসলামি ব্যক্তিত্বদের নিয়ে ‘রাবিশ’ উক্তি করে বাতিলের পক্ষ নিয়েছিলেন। সরকার যদি এখনি এ সমস্ত ধর্মদ্রোহী মুরতাদদের শায়েস্তা না করে তাহলে তারা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইসলাম বিরোধী কটূক্তি করতেই থাকবে।

তারা সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেন- অবিলম্বে নব্য মুরতাদ আবুল মাল আবুল মুহিতকে মন্ত্রীসভা থেকে বহিষ্কার করে তাকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। মুরতাদদের কঠোর শাস্তি সম্বলিত বিশেষ আইন প্রনয়ণ করে আব্দুল মুহিত ও লতিফ সিদ্দিকীসহ সকল মুরতাদের দৃষ্টাস্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে আর কোনো ধর্মদ্রোহী নরপশু, কুলাঙ্গাররা ইসলাম ও ইসলামি বিধি বিধান নিয়ে তামাশা করার দু:সাহস দেখাতে না পারে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- শাইখ মাওলানা আবদুল মোমিন, রাবেতা আলম আল-ইসলামীর স্থায়ী সদস্য ও সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপিত মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান আমিরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ, খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মোহাম্মাদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, হাফেজ্জে হুজুরের সাহেবজাদা হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ, অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন, মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমির ড. মাওলানা ঈসা শাহেদীসহ শতাধিক শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

মন্ত্রিসভা থেকে অর্থমন্ত্রীর বহিষ্কার দাবি আলেমদের

আপডেট টাইম : ০১:৪০:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_57756, ঢাকা : ঘুষকে বৈধ ঘোষণা দেওয়ায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিতকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে শীর্ষ আলেমগণ বলেন, ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কাদের খুশি করার জন্য বা কিসের লোভে আবুল মাল আবুল মুহিত একজন মুসলিম হওয়ার পরও কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে ইসলাম বিদ্বেষী উক্তি করেছেন তা আমরা বুঝতে পারছি না।

যে ঘুষকে দুনিয়ার কোন কাফের-বেঈমানরাও বৈধ বলার দুঃসাহস দেখাইনি! ইতিপূর্বেও তিনি ইসলামি দল ও ইসলামি ব্যক্তিত্বদের নিয়ে ‘রাবিশ’ উক্তি করে বাতিলের পক্ষ নিয়েছিলেন। সরকার যদি এখনি এ সমস্ত ধর্মদ্রোহী মুরতাদদের শায়েস্তা না করে তাহলে তারা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইসলাম বিরোধী কটূক্তি করতেই থাকবে।

তারা সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেন- অবিলম্বে নব্য মুরতাদ আবুল মাল আবুল মুহিতকে মন্ত্রীসভা থেকে বহিষ্কার করে তাকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। মুরতাদদের কঠোর শাস্তি সম্বলিত বিশেষ আইন প্রনয়ণ করে আব্দুল মুহিত ও লতিফ সিদ্দিকীসহ সকল মুরতাদের দৃষ্টাস্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে আর কোনো ধর্মদ্রোহী নরপশু, কুলাঙ্গাররা ইসলাম ও ইসলামি বিধি বিধান নিয়ে তামাশা করার দু:সাহস দেখাতে না পারে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- শাইখ মাওলানা আবদুল মোমিন, রাবেতা আলম আল-ইসলামীর স্থায়ী সদস্য ও সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপিত মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান আমিরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ, খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মোহাম্মাদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, হাফেজ্জে হুজুরের সাহেবজাদা হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ, অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন, মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমির ড. মাওলানা ঈসা শাহেদীসহ শতাধিক শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম।