পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

পিরোজপুরের কাউখালীর আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন মাসুদ হত্যার দায়ে ৭ জনের যাবজ্জীবন ॥ ৩ জন বেকসুর খালাস

সৈয়দ বশির আহম্মেদ ,কাউখালী(পিরোজপুর) ॥
পিরোজপুরের কাউখালীর চাঞ্চল্যকর অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন খান মাসুদ হত্যা মামলায় সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
দুপুরে বরিশাল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় দেন।
যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কাউখালীর কচুয়াকাঠি এলাকার বাসিন্দা সুলতান হোসেন খানের ছেলে কামরুল ইসলাম খান (৪০), স্বরূপকাঠীর সেহাংগল গ্রামের আব্দুর রব খানের ছেলে মনিরুল ইসলাম সেন্টু (৩৫), কচুয়াকাঠীর হেমায়েত উদ্দিন সিকদারের ছেলে আল আমিন সিকদার রনি,রাজাপুর উপজেলার দক্ষিণ নৈকাঠীর মিজানুর রহমান জমাদ্দার (৩৫), কাউখালীর পূর্ব আমরাজুড়ি বাসিন্দা মোদাচ্ছের আলী তালুকদারের ছেলে রেজাউল তালুকদার (২৫) এবং সোহরাব খান ও বাশুরীর মোঃহানিফের ছেলে আজিজুল হক খোকন(২৬)।
এদের মধ্যে কামরুল ইসলাম খান, মনিরুল ইসলাম সেন্টু ও রেজাউল তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।বাকী ৪ আসামী পলাতক রয়েছে।
এদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিন জনকে খালাস দেওয়া হয়। এরা হলেন, শাখাওয়াত হোসেন তালুকদার তুহিন. নাজমুল হক মুরাদ ও মোর্শেদ জমাদ্দার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২০০৯ সালের ১১ অক্টোবর টাকা ছিনতাইয়ের উদ্দেশে পিরোজপুরের নেছারাবাদ সেংঙ্গল গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে অ্যাড. গিয়াাস উদ্দিন খান মাসুদকে গুলি করে হত্যা করে দন্ডপ্রাপ্তরা। পরে তার মৃতদেহ কাউখালী কচুয়াকাঠী বেইলী ব্রিজের কাছে থেকে পুলিশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় তার ভাই আল আমিন খান বাদী হয়ে কাউখালী থানায় কামরুলল ইসলাম খান, মনিরূল ইসলাম সেন্টু, রেজাউল ইসলাম, মুরাদ, মিজান ও ফোরকানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।পরে চার্জসীটে আরো ৩জন অন্তভুক্ত করে পুলিশ।
পরে পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ২০১১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত ৩৭ জন স্বাক্ষির মধ্যে ২৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রোববার এ রায় ঘোষণা করেন।
পাশাপাশি যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডে রায় দেন বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাদী আল-আমিন খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

পিরোজপুরের কাউখালীর আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন মাসুদ হত্যার দায়ে ৭ জনের যাবজ্জীবন ॥ ৩ জন বেকসুর খালাস

আপডেট টাইম : ০৩:৪৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০১৫

সৈয়দ বশির আহম্মেদ ,কাউখালী(পিরোজপুর) ॥
পিরোজপুরের কাউখালীর চাঞ্চল্যকর অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন খান মাসুদ হত্যা মামলায় সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
দুপুরে বরিশাল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় দেন।
যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কাউখালীর কচুয়াকাঠি এলাকার বাসিন্দা সুলতান হোসেন খানের ছেলে কামরুল ইসলাম খান (৪০), স্বরূপকাঠীর সেহাংগল গ্রামের আব্দুর রব খানের ছেলে মনিরুল ইসলাম সেন্টু (৩৫), কচুয়াকাঠীর হেমায়েত উদ্দিন সিকদারের ছেলে আল আমিন সিকদার রনি,রাজাপুর উপজেলার দক্ষিণ নৈকাঠীর মিজানুর রহমান জমাদ্দার (৩৫), কাউখালীর পূর্ব আমরাজুড়ি বাসিন্দা মোদাচ্ছের আলী তালুকদারের ছেলে রেজাউল তালুকদার (২৫) এবং সোহরাব খান ও বাশুরীর মোঃহানিফের ছেলে আজিজুল হক খোকন(২৬)।
এদের মধ্যে কামরুল ইসলাম খান, মনিরুল ইসলাম সেন্টু ও রেজাউল তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।বাকী ৪ আসামী পলাতক রয়েছে।
এদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিন জনকে খালাস দেওয়া হয়। এরা হলেন, শাখাওয়াত হোসেন তালুকদার তুহিন. নাজমুল হক মুরাদ ও মোর্শেদ জমাদ্দার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২০০৯ সালের ১১ অক্টোবর টাকা ছিনতাইয়ের উদ্দেশে পিরোজপুরের নেছারাবাদ সেংঙ্গল গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে অ্যাড. গিয়াাস উদ্দিন খান মাসুদকে গুলি করে হত্যা করে দন্ডপ্রাপ্তরা। পরে তার মৃতদেহ কাউখালী কচুয়াকাঠী বেইলী ব্রিজের কাছে থেকে পুলিশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় তার ভাই আল আমিন খান বাদী হয়ে কাউখালী থানায় কামরুলল ইসলাম খান, মনিরূল ইসলাম সেন্টু, রেজাউল ইসলাম, মুরাদ, মিজান ও ফোরকানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।পরে চার্জসীটে আরো ৩জন অন্তভুক্ত করে পুলিশ।
পরে পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ২০১১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত ৩৭ জন স্বাক্ষির মধ্যে ২৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রোববার এ রায় ঘোষণা করেন।
পাশাপাশি যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডে রায় দেন বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাদী আল-আমিন খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।