অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ Logo মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের ২ সদস্য আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০ দিনের কারাদণ্ড Logo পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান Logo জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮ জন : বিআরটিএ Logo দায়িত্ব নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে নবনির্বাচিত সভাপতি Logo লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ট্রাকের চাপায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত Logo তিস্তায় নতুন ব্যারাজ নির্মাণের পরামর্শ কারিগরি কমিটির Logo এক দিন ছুটি নিলেই টানা ৪ দিনের ছুটি Logo স্বামী চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ Logo খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ

পুলিশি হেফাজতে থাই সেনাকর্মকর্তা

ডেস্ক: পাচারের অভিযোগে জামিন পেলেন না লেফটেন্যান্ট জেনারেল মানাস কোংপান। তিন তারকাখচিত এই জেনারেলকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে পুলিশি হেফাজতে। তবে তার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রায়িত ওংসুওন। তিনি বলেছেন, নিজের পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে দেশের প্রতি বহু অবদান রেখেছেন মানাস কোংপান।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন ব্যাংকক পোস্ট

থাই সেনাবাহিনীর সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মানাস কোংপানের বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগ গঠনের পর আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর তিনি গত পরশু সকালে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরপরই তাকে সেনাবাহিনী থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। থাইল্যান্ডের সামপ্রতিক মানবপাচারবিষয়ক সংকটকে কেন্দ্র করে বহু সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তার করা হলেও সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের ঘটনা সেটিই ছিল প্রথম। এর আগে এ সংকটে সেনাবাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন দেশটির সেনাপ্রধান। তবে লে. জেনারেল মানাসকে গ্রেপ্তারের পর প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চ্যান ওচা বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে তদন্তে কোন ধরনের হস্তক্ষেপ চলবে না। প্রধানমন্ত্রী এ কথা বললেও উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল প্রায়িত বলেন, আমি যতদূর জানি লে. জেনারেল মানাস কঠোর পরিশ্রমী। এছাড়া সেনাবাহিনীতে তিনি অনেক ভালো কাজ করেছেন। তিনি থাইল্যান্ডের জন্য অনেক কিছু অর্জনে কাজ করে গেছেন। ওদিকে পুলিশ উপ-প্রধান জানিয়েছেন, আটকের পর ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত মানাসকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হবে। এরপর ‘না থায়ি’ আদালতে তাকে আটক রাখার জন্য অনুমতি চাওয়া হবে। কিন্তু জেনারেল মানাস নিজের সেনা পদবিকে ব্যবহার করে জামিনের আবেদন করতে পারেন। তিনি সরাসরি পুলিশের তদন্তকারীদের কাছে জামিনের আবেদন করতে পারেন। কিন্তু এ মামলার প্রধান তদন্তকারী পুলিশের মেজর জেনারেল পাওয়িন ফোংসিরিন বলেছেন, তিনি জেনারেল মানাসের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে মানাস আদালতে পুলিশের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

পুলিশি হেফাজতে থাই সেনাকর্মকর্তা

আপডেট টাইম : ০২:৫১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০১৫

ডেস্ক: পাচারের অভিযোগে জামিন পেলেন না লেফটেন্যান্ট জেনারেল মানাস কোংপান। তিন তারকাখচিত এই জেনারেলকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে পুলিশি হেফাজতে। তবে তার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রায়িত ওংসুওন। তিনি বলেছেন, নিজের পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে দেশের প্রতি বহু অবদান রেখেছেন মানাস কোংপান।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন ব্যাংকক পোস্ট

থাই সেনাবাহিনীর সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মানাস কোংপানের বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগ গঠনের পর আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর তিনি গত পরশু সকালে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরপরই তাকে সেনাবাহিনী থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। থাইল্যান্ডের সামপ্রতিক মানবপাচারবিষয়ক সংকটকে কেন্দ্র করে বহু সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তার করা হলেও সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের ঘটনা সেটিই ছিল প্রথম। এর আগে এ সংকটে সেনাবাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন দেশটির সেনাপ্রধান। তবে লে. জেনারেল মানাসকে গ্রেপ্তারের পর প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চ্যান ওচা বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে তদন্তে কোন ধরনের হস্তক্ষেপ চলবে না। প্রধানমন্ত্রী এ কথা বললেও উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল প্রায়িত বলেন, আমি যতদূর জানি লে. জেনারেল মানাস কঠোর পরিশ্রমী। এছাড়া সেনাবাহিনীতে তিনি অনেক ভালো কাজ করেছেন। তিনি থাইল্যান্ডের জন্য অনেক কিছু অর্জনে কাজ করে গেছেন। ওদিকে পুলিশ উপ-প্রধান জানিয়েছেন, আটকের পর ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত মানাসকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হবে। এরপর ‘না থায়ি’ আদালতে তাকে আটক রাখার জন্য অনুমতি চাওয়া হবে। কিন্তু জেনারেল মানাস নিজের সেনা পদবিকে ব্যবহার করে জামিনের আবেদন করতে পারেন। তিনি সরাসরি পুলিশের তদন্তকারীদের কাছে জামিনের আবেদন করতে পারেন। কিন্তু এ মামলার প্রধান তদন্তকারী পুলিশের মেজর জেনারেল পাওয়িন ফোংসিরিন বলেছেন, তিনি জেনারেল মানাসের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে মানাস আদালতে পুলিশের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন।