অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

পদ্মার চরে পাখা মেললো ৫শ’ টিয়া

রাজশাহী : রাজশাহীর পদ্মার চরে ডানা মেললো খাঁচায় বন্দী ৫০০ টিয়া।

শুক্রবার দুপুরে পদ্মার চরে আনুষ্ঠানিকভাবে টিয়াগুলো অবমুক্ত করে বনবিভাগ। বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা পয়েন্ট থেকে দুটি খাঁচায় বন্দী ৫০০ টিয়াসহ বনবিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে আটক হন আবুল কালাম মফিজ (২৬) নামের এক পাচারকারী। পরে শুক্রবার ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিলে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল হক ওই পাচারকারীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দেন।

আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের আগেই তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। এছাড়া আদালতের নির্দেশে উদ্ধারকৃত টিয়াগুলো অবমুক্ত করা হয়। দ-িত আবুল কালাম মফিজ ভোলার লালমোহন উপজেলার কুমারখালি গ্রামের সাইদুল হকের ছেলে।

রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক শাহ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনবিভাগের একটি দল ঢাকাগামী নৈশ্যকোচে অভিযান চালিয়ে টিয়াসহ ওই পাচারকারীকে আটক করা হয়।

পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিলে আদালত বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ মোতাবেক তাকে এ দণ্ডাদেশ দেন।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আরো বলেন, দণ্ডিত আবুল কালাম মুফিজ দীর্ঘ দিন গোদাগাড়ীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন পাখি কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিলেন। এর আগে গত ১৪ আগস্ট বনবিভাগের কর্মীরা ৮০৫টি দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন পাখিসহ তাকে আটক করে।

ওই সময় তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেয়া হলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দ্বিতীয় দফায় পাখি পাচারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাকে কারাদণ্ড দেন আদালত।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

পদ্মার চরে পাখা মেললো ৫শ’ টিয়া

আপডেট টাইম : ১০:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৫

রাজশাহী : রাজশাহীর পদ্মার চরে ডানা মেললো খাঁচায় বন্দী ৫০০ টিয়া।

শুক্রবার দুপুরে পদ্মার চরে আনুষ্ঠানিকভাবে টিয়াগুলো অবমুক্ত করে বনবিভাগ। বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা পয়েন্ট থেকে দুটি খাঁচায় বন্দী ৫০০ টিয়াসহ বনবিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে আটক হন আবুল কালাম মফিজ (২৬) নামের এক পাচারকারী। পরে শুক্রবার ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিলে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল হক ওই পাচারকারীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দেন।

আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের আগেই তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। এছাড়া আদালতের নির্দেশে উদ্ধারকৃত টিয়াগুলো অবমুক্ত করা হয়। দ-িত আবুল কালাম মফিজ ভোলার লালমোহন উপজেলার কুমারখালি গ্রামের সাইদুল হকের ছেলে।

রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক শাহ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনবিভাগের একটি দল ঢাকাগামী নৈশ্যকোচে অভিযান চালিয়ে টিয়াসহ ওই পাচারকারীকে আটক করা হয়।

পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিলে আদালত বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ মোতাবেক তাকে এ দণ্ডাদেশ দেন।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আরো বলেন, দণ্ডিত আবুল কালাম মুফিজ দীর্ঘ দিন গোদাগাড়ীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন পাখি কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিলেন। এর আগে গত ১৪ আগস্ট বনবিভাগের কর্মীরা ৮০৫টি দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন পাখিসহ তাকে আটক করে।

ওই সময় তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেয়া হলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দ্বিতীয় দফায় পাখি পাচারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাকে কারাদণ্ড দেন আদালত।