পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টি

ডেস্ক : ভোর হওয়ার আগেই বৃষ্টির শব্দে ঘুম ভেঙেছে চট্টগ্রামের মানুষের। ঘুম ভাঙলেও অনেকে বিছানা না ছেড়েই উপভোগ করেছেন বৃষ্টির ঝিরিঝিরি শব্দ। তবে বাইরের টানে যারা বেরিয়েছেন সবাইকেই চলাফেরা করতে হচ্ছে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে।

বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ঝিরিঝিরি বৃষ্টি যেন থামছেই না। চলাফেরায় একটু অসুবিধা হলেও চট্টগ্রামের মানুষের মনে এ বৃষ্টি এনে দিয়েছে প্রশান্তির ছোঁয়া। প্রশান্তি এ কারণেই ঘোর বর্ষায়ও মঙ্গলবার পর্যন্ত রোদের খড়তাপে দগ্ধ হয়েছিল মানুষ। যদিও কদিন ধরে চট্টগ্রামের আকাশে ছিল মেঘের লুকোচুরি খেলা।

চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের হিসাব মতে, বুধবার ভোর থেকে চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২ থেকে ১৬ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আতিকুর রহমান জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয় চট্টগ্রামে। সাগরে সৃষ্ট ওই লঘুচাপের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে তিন নম্বর সর্তকতা সংকেতও রয়েছে। লঘুচাপটি সরে না যাওয়া পর্যন্ত নগরীতে বৃষ্টিপাত হতে থাকবে।

তিনি বলেন, সাগরের বায়ুচাপ হলেও শ্রাবণ ধারায় ধুয়ে গেছে নগরীর পথঘাট। সকাল থেকে বর্ষার চিরাচরিত রূপে ঝরছে বৃষ্টি। গত কয়েকদিনে ত্বক পোড়ানো রোদ যেমন ছিল, তেমনি বৃষ্টির ঠা-া হাওয়ায় মন উতলাও হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে কর্মজীবী মানুষের চলাফেরায় একটু অসুবিধা হলেও নগরীর কোথাও তেমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি। পানি জমেনি রাস্তায়ও। ফলে তেমন দুর্ভোগ নেই জনজীবনে। সড়কে নেই দীর্ঘ যানজটও। যানবাহন চলাচল ছিল নিত্যদিনের মতো স্বাভাবিক।

মহানগরীর দুই নম্বর গেটের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে খুব গরম পড়ছিল। সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখি বৃষ্টি। ঠান্ডা আবহাওয়াও ছিল। ফলে শরীরটা শীতল হয়ে গেছে। তাতে খুব ভাল লাগছে।

তবে এই বৃষ্টি আঘাত হেনেছে শ্রমজীবী মানুষের কাজে। নগরীর কোতেয়ারী থানার নিউমোর্কেট এলাকার রিকশা চালান বাহার মিয়া বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, একবারে ভারী বৃষ্টি হয়ে গেলেই ভালো হতো। টানা বৃষ্টির কারণে মানুষ বাইরে কম আসায় ভাড়াও কম হচ্ছে। তাছাড়া রিকশা চালাতেও অসুবিধা হচ্ছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টি

আপডেট টাইম : ১১:৩৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০১৬

ডেস্ক : ভোর হওয়ার আগেই বৃষ্টির শব্দে ঘুম ভেঙেছে চট্টগ্রামের মানুষের। ঘুম ভাঙলেও অনেকে বিছানা না ছেড়েই উপভোগ করেছেন বৃষ্টির ঝিরিঝিরি শব্দ। তবে বাইরের টানে যারা বেরিয়েছেন সবাইকেই চলাফেরা করতে হচ্ছে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে।

বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ঝিরিঝিরি বৃষ্টি যেন থামছেই না। চলাফেরায় একটু অসুবিধা হলেও চট্টগ্রামের মানুষের মনে এ বৃষ্টি এনে দিয়েছে প্রশান্তির ছোঁয়া। প্রশান্তি এ কারণেই ঘোর বর্ষায়ও মঙ্গলবার পর্যন্ত রোদের খড়তাপে দগ্ধ হয়েছিল মানুষ। যদিও কদিন ধরে চট্টগ্রামের আকাশে ছিল মেঘের লুকোচুরি খেলা।

চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের হিসাব মতে, বুধবার ভোর থেকে চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২ থেকে ১৬ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আতিকুর রহমান জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয় চট্টগ্রামে। সাগরে সৃষ্ট ওই লঘুচাপের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে তিন নম্বর সর্তকতা সংকেতও রয়েছে। লঘুচাপটি সরে না যাওয়া পর্যন্ত নগরীতে বৃষ্টিপাত হতে থাকবে।

তিনি বলেন, সাগরের বায়ুচাপ হলেও শ্রাবণ ধারায় ধুয়ে গেছে নগরীর পথঘাট। সকাল থেকে বর্ষার চিরাচরিত রূপে ঝরছে বৃষ্টি। গত কয়েকদিনে ত্বক পোড়ানো রোদ যেমন ছিল, তেমনি বৃষ্টির ঠা-া হাওয়ায় মন উতলাও হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে কর্মজীবী মানুষের চলাফেরায় একটু অসুবিধা হলেও নগরীর কোথাও তেমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি। পানি জমেনি রাস্তায়ও। ফলে তেমন দুর্ভোগ নেই জনজীবনে। সড়কে নেই দীর্ঘ যানজটও। যানবাহন চলাচল ছিল নিত্যদিনের মতো স্বাভাবিক।

মহানগরীর দুই নম্বর গেটের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে খুব গরম পড়ছিল। সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখি বৃষ্টি। ঠান্ডা আবহাওয়াও ছিল। ফলে শরীরটা শীতল হয়ে গেছে। তাতে খুব ভাল লাগছে।

তবে এই বৃষ্টি আঘাত হেনেছে শ্রমজীবী মানুষের কাজে। নগরীর কোতেয়ারী থানার নিউমোর্কেট এলাকার রিকশা চালান বাহার মিয়া বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, একবারে ভারী বৃষ্টি হয়ে গেলেই ভালো হতো। টানা বৃষ্টির কারণে মানুষ বাইরে কম আসায় ভাড়াও কম হচ্ছে। তাছাড়া রিকশা চালাতেও অসুবিধা হচ্ছে।