পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

দু’বোনের যৌন লালসার শিকার এক শিশু

ডেস্ক : বৃটেনের বধির দুই বোন জুলি ফেলো (৩০) ও জেনিফার ফেলো (৩২)। কিন্তু তাদের নিয়ে এখন লজ্জা সবার মাঝে। এই দু’বোন গত প্রায় ১৪বছর ধরে একটি ছেলে শিশুর ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। বার বার তাদের এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছে একটি শিশু। ওই শিশুটি যখন প্রথম তাদের টার্গেটে পড়ে তখন তার বয়স ৬ বছর। এরপর টানা ১৪ বছর তাদের শিকারে পরিণত ওই শিশুটি। অবশেষে ধারা খেয়েছেন তারা।

এ ঘটনা উঠেছে আদালতে। এখন সবাই প্রত্যাশা করছেন, এমন কর্মকাণ্ডের জন্য তাদেরকে উল্লেখ করার মতো শাস্তি দেয়া হোক। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন মিরর। এতে বলা হয়, এ ঘটনায় বিচার চলছে ওরচেস্টার ক্রাউন কোর্টে। সেখানে অভিযোগে বলা হয়েছে, শিশুটির বয়স ২০০০ সালে যখন ৬ বছর তখন থেকেই তার ওপর বিকৃত লালসা চরিতার্থ করতে থাকে এই দু’বোন। এর আগে প্রথম ওই শিশুটির সঙ্গে অসাঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ শুরু করেন। তখন জুলিয়ার বয়স ছিল ১৪ বছর। সে সময়েই তিনি ওই শিশুটিকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে একটি পেট্রোল স্টেশনের টয়লেটে নিয়ে যান।

সেখানে তিনি তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করলেও শারীরিক কোন সম্পর্ক স্থাপন করেন নি। অন্য একদিন তিনি ওই বাচ্চাটির সঙ্গে ‘ওরাল সেক্সে’ মেতে ওঠেন। এসব কথা বলা হয়েছে আদালতে। জুলিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ২০০০ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৪ সালের এপ্রিলের মধ্যে লিওমিনস্টারে ৬ থেকে ৯ বছর বয়সী একটি বালকের সঙ্গে অসংযত আচরণ করেছিলেন।

হেয়ারফোর্ডে ২০০৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১০ সালের অক্টোবরের মধ্যে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী ওই বালকের সঙ্গে তিনি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। এ অভিযোগ স্বীকার করেছেন জেনিফার। প্রসিকিউটর সিমন ফিলিপস বলেছেন, এ অভিযোগ অনেক দিন আগের। ওই সময়ে জুলিয়া ছিলেন ১৪ বছর বয়সী। আর তার শিকারের বয়স ছিল ৬ বছর। ফলে এ ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বর। শিশুটির সঙ্গে বার বার এ ঘটনা ঘটতে থাকে। ফলে শিশুটি ধরে নিয়েছিল এটাই বুঝি নিয়ম।

পরে সে যখন তার বন্ধুদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করে তখনই এ সম্পর্ক কেটে যেতে শুরু করে। তার বন্ধুরা তাকে বোঝায়, এটা নিয়ম নয়। এটা অস্বাভাবিক আচরণ। ফলে বন্ধ হয় ওই শারীরিক সম্পর্ক। এক পর্যায়ে সে পুলিশের দ্বারস্থ হয়।

তবে জুলিয়া এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি, তার বোন জেনিফার, ওই ছেলেচি ও অন্য ছেলেবন্ধু-মেয়ে বন্ধুরা মিলে যখন খেলাধুনা করতো তখন তারা একে অন্যকে চুমু দিতেন। তাদের মধ্যকার শারীরিক সম্পর্কের কথা তিনি বেমালুম অস্বীকার করেন। বিচারক ওই দু’বোনকে জামিন দিয়েছেন। এবং তাদের শাস্তি আগামী ১৯শে আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি রেখেছেন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

দু’বোনের যৌন লালসার শিকার এক শিশু

আপডেট টাইম : ১০:৩৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৬

ডেস্ক : বৃটেনের বধির দুই বোন জুলি ফেলো (৩০) ও জেনিফার ফেলো (৩২)। কিন্তু তাদের নিয়ে এখন লজ্জা সবার মাঝে। এই দু’বোন গত প্রায় ১৪বছর ধরে একটি ছেলে শিশুর ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। বার বার তাদের এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছে একটি শিশু। ওই শিশুটি যখন প্রথম তাদের টার্গেটে পড়ে তখন তার বয়স ৬ বছর। এরপর টানা ১৪ বছর তাদের শিকারে পরিণত ওই শিশুটি। অবশেষে ধারা খেয়েছেন তারা।

এ ঘটনা উঠেছে আদালতে। এখন সবাই প্রত্যাশা করছেন, এমন কর্মকাণ্ডের জন্য তাদেরকে উল্লেখ করার মতো শাস্তি দেয়া হোক। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন মিরর। এতে বলা হয়, এ ঘটনায় বিচার চলছে ওরচেস্টার ক্রাউন কোর্টে। সেখানে অভিযোগে বলা হয়েছে, শিশুটির বয়স ২০০০ সালে যখন ৬ বছর তখন থেকেই তার ওপর বিকৃত লালসা চরিতার্থ করতে থাকে এই দু’বোন। এর আগে প্রথম ওই শিশুটির সঙ্গে অসাঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ শুরু করেন। তখন জুলিয়ার বয়স ছিল ১৪ বছর। সে সময়েই তিনি ওই শিশুটিকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে একটি পেট্রোল স্টেশনের টয়লেটে নিয়ে যান।

সেখানে তিনি তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করলেও শারীরিক কোন সম্পর্ক স্থাপন করেন নি। অন্য একদিন তিনি ওই বাচ্চাটির সঙ্গে ‘ওরাল সেক্সে’ মেতে ওঠেন। এসব কথা বলা হয়েছে আদালতে। জুলিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ২০০০ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৪ সালের এপ্রিলের মধ্যে লিওমিনস্টারে ৬ থেকে ৯ বছর বয়সী একটি বালকের সঙ্গে অসংযত আচরণ করেছিলেন।

হেয়ারফোর্ডে ২০০৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১০ সালের অক্টোবরের মধ্যে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী ওই বালকের সঙ্গে তিনি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। এ অভিযোগ স্বীকার করেছেন জেনিফার। প্রসিকিউটর সিমন ফিলিপস বলেছেন, এ অভিযোগ অনেক দিন আগের। ওই সময়ে জুলিয়া ছিলেন ১৪ বছর বয়সী। আর তার শিকারের বয়স ছিল ৬ বছর। ফলে এ ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বর। শিশুটির সঙ্গে বার বার এ ঘটনা ঘটতে থাকে। ফলে শিশুটি ধরে নিয়েছিল এটাই বুঝি নিয়ম।

পরে সে যখন তার বন্ধুদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করে তখনই এ সম্পর্ক কেটে যেতে শুরু করে। তার বন্ধুরা তাকে বোঝায়, এটা নিয়ম নয়। এটা অস্বাভাবিক আচরণ। ফলে বন্ধ হয় ওই শারীরিক সম্পর্ক। এক পর্যায়ে সে পুলিশের দ্বারস্থ হয়।

তবে জুলিয়া এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি, তার বোন জেনিফার, ওই ছেলেচি ও অন্য ছেলেবন্ধু-মেয়ে বন্ধুরা মিলে যখন খেলাধুনা করতো তখন তারা একে অন্যকে চুমু দিতেন। তাদের মধ্যকার শারীরিক সম্পর্কের কথা তিনি বেমালুম অস্বীকার করেন। বিচারক ওই দু’বোনকে জামিন দিয়েছেন। এবং তাদের শাস্তি আগামী ১৯শে আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি রেখেছেন।