অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ Logo মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের ২ সদস্য আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০ দিনের কারাদণ্ড Logo পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান Logo জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮ জন : বিআরটিএ Logo দায়িত্ব নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে নবনির্বাচিত সভাপতি Logo লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ট্রাকের চাপায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত Logo তিস্তায় নতুন ব্যারাজ নির্মাণের পরামর্শ কারিগরি কমিটির Logo এক দিন ছুটি নিলেই টানা ৪ দিনের ছুটি Logo স্বামী চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ Logo খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ

পুলিশের বাসায় ছিনতাইয়ের মালামাল!

বাংলার খবর২৪.কম,index_52791 রাজশাহী : রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) এক সদস্যের ভাড়া বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন সংলগ্ন কেশবপুর এলাকা থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। ওই পুলিশ সদস্যের নাম আব্দুল মজিদ (ব্যাজ নং-১৫৭৭)। তিনি আরএমপির দাঙ্গাদমন বিভাগের হাবিলদার পদে কর্মরত।

নগর পুলিশের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি ঢাকার ডেমরা থানা এলাকা থেকে ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল, ময়দা ও সুজি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি মামলা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডেমরা থানা পুলিশ আরএমপির সহায়তায় বুধবার রাতে পুলিশ সদস্য আব্দুল মজিদের কেশবপুরের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায়।

এসময় সেখান থেকে ৩ হাজার কেজি সায়াবিন তেল, ২৪ বস্তা ময়দা এবং ১৪ বস্তা সুজি ও ছিনতাই হওয়া ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। তবে রাতেই সেগুলো গোপনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আব্দুল মজিদের ভাড়া বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি ডিউটিতে রয়েছেন বলে জানায় তার পরিবার। এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে ওই সময় তার বাসায় জামাল শেখ নামের এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। নিজেকে ওই মালামালের মালিক দাবি করে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে দাবি করেন জামাল।

পরে বিকেলে আবারো যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মজিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তার বাসার সাবলেট ফারুক হোসেন ওই মালামালগুলো সেখানে মজুদ করেছিলেন। তাকে এ ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেও নগর পুলিশের দাঙ্গা বিভাগের সহকারী কমিশনার কেএম আওলাদ হোসেনের মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আরএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ জানান, মালামাল নিতে ওই পুলিশ সদস্যের বাসার ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছিলো। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। খুব শিগগিরই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

পুলিশের বাসায় ছিনতাইয়ের মালামাল!

আপডেট টাইম : ০১:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম,index_52791 রাজশাহী : রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) এক সদস্যের ভাড়া বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন সংলগ্ন কেশবপুর এলাকা থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। ওই পুলিশ সদস্যের নাম আব্দুল মজিদ (ব্যাজ নং-১৫৭৭)। তিনি আরএমপির দাঙ্গাদমন বিভাগের হাবিলদার পদে কর্মরত।

নগর পুলিশের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি ঢাকার ডেমরা থানা এলাকা থেকে ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল, ময়দা ও সুজি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি মামলা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডেমরা থানা পুলিশ আরএমপির সহায়তায় বুধবার রাতে পুলিশ সদস্য আব্দুল মজিদের কেশবপুরের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায়।

এসময় সেখান থেকে ৩ হাজার কেজি সায়াবিন তেল, ২৪ বস্তা ময়দা এবং ১৪ বস্তা সুজি ও ছিনতাই হওয়া ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। তবে রাতেই সেগুলো গোপনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আব্দুল মজিদের ভাড়া বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি ডিউটিতে রয়েছেন বলে জানায় তার পরিবার। এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে ওই সময় তার বাসায় জামাল শেখ নামের এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। নিজেকে ওই মালামালের মালিক দাবি করে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে দাবি করেন জামাল।

পরে বিকেলে আবারো যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মজিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তার বাসার সাবলেট ফারুক হোসেন ওই মালামালগুলো সেখানে মজুদ করেছিলেন। তাকে এ ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেও নগর পুলিশের দাঙ্গা বিভাগের সহকারী কমিশনার কেএম আওলাদ হোসেনের মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আরএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ জানান, মালামাল নিতে ওই পুলিশ সদস্যের বাসার ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছিলো। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। খুব শিগগিরই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।