পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

পুলিশের বাসায় ছিনতাইয়ের মালামাল!

বাংলার খবর২৪.কম,index_52791 রাজশাহী : রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) এক সদস্যের ভাড়া বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন সংলগ্ন কেশবপুর এলাকা থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। ওই পুলিশ সদস্যের নাম আব্দুল মজিদ (ব্যাজ নং-১৫৭৭)। তিনি আরএমপির দাঙ্গাদমন বিভাগের হাবিলদার পদে কর্মরত।

নগর পুলিশের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি ঢাকার ডেমরা থানা এলাকা থেকে ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল, ময়দা ও সুজি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি মামলা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডেমরা থানা পুলিশ আরএমপির সহায়তায় বুধবার রাতে পুলিশ সদস্য আব্দুল মজিদের কেশবপুরের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায়।

এসময় সেখান থেকে ৩ হাজার কেজি সায়াবিন তেল, ২৪ বস্তা ময়দা এবং ১৪ বস্তা সুজি ও ছিনতাই হওয়া ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। তবে রাতেই সেগুলো গোপনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আব্দুল মজিদের ভাড়া বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি ডিউটিতে রয়েছেন বলে জানায় তার পরিবার। এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে ওই সময় তার বাসায় জামাল শেখ নামের এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। নিজেকে ওই মালামালের মালিক দাবি করে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে দাবি করেন জামাল।

পরে বিকেলে আবারো যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মজিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তার বাসার সাবলেট ফারুক হোসেন ওই মালামালগুলো সেখানে মজুদ করেছিলেন। তাকে এ ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেও নগর পুলিশের দাঙ্গা বিভাগের সহকারী কমিশনার কেএম আওলাদ হোসেনের মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আরএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ জানান, মালামাল নিতে ওই পুলিশ সদস্যের বাসার ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছিলো। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। খুব শিগগিরই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

পুলিশের বাসায় ছিনতাইয়ের মালামাল!

আপডেট টাইম : ০১:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম,index_52791 রাজশাহী : রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) এক সদস্যের ভাড়া বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন সংলগ্ন কেশবপুর এলাকা থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। ওই পুলিশ সদস্যের নাম আব্দুল মজিদ (ব্যাজ নং-১৫৭৭)। তিনি আরএমপির দাঙ্গাদমন বিভাগের হাবিলদার পদে কর্মরত।

নগর পুলিশের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি ঢাকার ডেমরা থানা এলাকা থেকে ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল, ময়দা ও সুজি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি মামলা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডেমরা থানা পুলিশ আরএমপির সহায়তায় বুধবার রাতে পুলিশ সদস্য আব্দুল মজিদের কেশবপুরের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায়।

এসময় সেখান থেকে ৩ হাজার কেজি সায়াবিন তেল, ২৪ বস্তা ময়দা এবং ১৪ বস্তা সুজি ও ছিনতাই হওয়া ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। তবে রাতেই সেগুলো গোপনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আব্দুল মজিদের ভাড়া বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি ডিউটিতে রয়েছেন বলে জানায় তার পরিবার। এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে ওই সময় তার বাসায় জামাল শেখ নামের এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। নিজেকে ওই মালামালের মালিক দাবি করে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে দাবি করেন জামাল।

পরে বিকেলে আবারো যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মজিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তার বাসার সাবলেট ফারুক হোসেন ওই মালামালগুলো সেখানে মজুদ করেছিলেন। তাকে এ ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেও নগর পুলিশের দাঙ্গা বিভাগের সহকারী কমিশনার কেএম আওলাদ হোসেনের মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আরএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ জানান, মালামাল নিতে ওই পুলিশ সদস্যের বাসার ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছিলো। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। খুব শিগগিরই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।