পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড় Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযান,৪ ভারতীয় গরু আটক Logo জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo রূপগঞ্জে ভূমিদস্যুতা বন্ধ ও খাল উদ্ধারে ১০ গ্রামের সভা ও ঝাড়ু মিছিল Logo পুলিশের ইউনিফর্ম পরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে বিআরটিএ’তে যুবক আটক Logo পাটগ্রামে দবীর উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০ রোগীকে আর্থিক সহায়তা Logo চলন্ত ট্রেনে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড়, চার পুলিশ প্রত্যাহার Logo ৪ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ Logo লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

বাংলার খবর২৪.কমadom hili_52882, কুড়িগ্রাম : ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার পানি সামান্য হ্রাস পেলেও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর পানিতে প্লাবিত হয়েছে রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় আট ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দুই উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।

বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে দুই উপজেলার ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গত চার দিন ধরে চর ও দ্বীপচরের ঘর-বাড়ি বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। পানির প্রবল স্রোতে কাঁচা-পাকা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসী পরিবারগুলোর। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্য সংকটে পড়েছে বানভাসীরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, বন্যায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন পানিতে তলিয়ে থাকায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার, নুন খাওয়া পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছয় সেন্টিমিটার এবং সেতু পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে ধরলা নদীর পানি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড়

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

আপডেট টাইম : ০১:০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমadom hili_52882, কুড়িগ্রাম : ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার পানি সামান্য হ্রাস পেলেও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর পানিতে প্লাবিত হয়েছে রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় আট ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দুই উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।

বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে দুই উপজেলার ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গত চার দিন ধরে চর ও দ্বীপচরের ঘর-বাড়ি বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। পানির প্রবল স্রোতে কাঁচা-পাকা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসী পরিবারগুলোর। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্য সংকটে পড়েছে বানভাসীরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, বন্যায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন পানিতে তলিয়ে থাকায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার, নুন খাওয়া পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছয় সেন্টিমিটার এবং সেতু পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে ধরলা নদীর পানি।