পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড় Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযান,৪ ভারতীয় গরু আটক Logo জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo রূপগঞ্জে ভূমিদস্যুতা বন্ধ ও খাল উদ্ধারে ১০ গ্রামের সভা ও ঝাড়ু মিছিল Logo পুলিশের ইউনিফর্ম পরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে বিআরটিএ’তে যুবক আটক Logo পাটগ্রামে দবীর উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০ রোগীকে আর্থিক সহায়তা Logo চলন্ত ট্রেনে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড়, চার পুলিশ প্রত্যাহার Logo ৪ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ Logo লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

রাজশাহীতে ছাত্রকে আটকে রেখে মারপিট, আটক ৫

বাংলার খবর২৪.কমindex_54486 : মুক্তিপণের দাবিতে রাজশাহী নগরীর একটি ছাত্রাবাসে আটকে রেখে শাহরিয়ার হোসেন (২২) নামের এক ছাত্রকে বেদম মারপিট করেছে অপহরণকারীরা। মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে সপুরা এলাকার মুক্ত লজ ছাত্রাবাসের চতুর্থ তলা থেকে তাকে উদ্ধার করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।

এসময় অপহরণকারী সন্দেহে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে শাহরিয়ার গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শাহরিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজির (ইউআইটিএস) ছাত্র। তার বাড়ি নওগাঁর মহাদেবপুর থানার আব্দুল্লাহপুরে। তিনি নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় মোল্লা ছাত্রাবাসে থাকতেন।

এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন- নগরীর সপুরা এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে সোয়ান উদ্দীন, মজিবুর রহমানের ছেলে আসাদুর রহমান, রেজাউল করিমের ছেলে ইমরান হোসেন, সাহেব বাজার এলাকার সেলিম শেখের ছেলে ফয়সাল ইবনে সেলিম এবং শাহ মখদুম থানা এলাকার ইমরান হুদার ছেলে গালিব আওয়াল।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সোবহান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রকে কৌশলে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি এবং মারধরের কথা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ হবে।

এছাড়া আহত অবস্থায় উদ্ধার ওই ছাত্রকে বিকেলে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার নাক ফেটে গেছে। লাঠি দিয়ে পেটানোর কারণে বাম পা ভেঙে গেছে। শাহরিয়ারের অবস্থা সংকটাপন্ন। তার অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত নারী অধরাকে খোঁজা হচ্ছে বলে জানান ওসি।

বেলা ১টার দিকে অধরা নামের একটি মেয়ে ফোন করে শাহরিয়ারকে ওই ছাত্রাবাসে ডেকে নেয়। ওই সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা অপহরণকারীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে তাকে আটকে রেখে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এতে রাজি না হওয়ায় লাঠি দিয়ে বেদম মারধর করা হয় তাকে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড়

রাজশাহীতে ছাত্রকে আটকে রেখে মারপিট, আটক ৫

আপডেট টাইম : ০২:৪০:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_54486 : মুক্তিপণের দাবিতে রাজশাহী নগরীর একটি ছাত্রাবাসে আটকে রেখে শাহরিয়ার হোসেন (২২) নামের এক ছাত্রকে বেদম মারপিট করেছে অপহরণকারীরা। মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে সপুরা এলাকার মুক্ত লজ ছাত্রাবাসের চতুর্থ তলা থেকে তাকে উদ্ধার করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।

এসময় অপহরণকারী সন্দেহে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে শাহরিয়ার গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শাহরিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজির (ইউআইটিএস) ছাত্র। তার বাড়ি নওগাঁর মহাদেবপুর থানার আব্দুল্লাহপুরে। তিনি নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় মোল্লা ছাত্রাবাসে থাকতেন।

এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন- নগরীর সপুরা এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে সোয়ান উদ্দীন, মজিবুর রহমানের ছেলে আসাদুর রহমান, রেজাউল করিমের ছেলে ইমরান হোসেন, সাহেব বাজার এলাকার সেলিম শেখের ছেলে ফয়সাল ইবনে সেলিম এবং শাহ মখদুম থানা এলাকার ইমরান হুদার ছেলে গালিব আওয়াল।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সোবহান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রকে কৌশলে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি এবং মারধরের কথা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ হবে।

এছাড়া আহত অবস্থায় উদ্ধার ওই ছাত্রকে বিকেলে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার নাক ফেটে গেছে। লাঠি দিয়ে পেটানোর কারণে বাম পা ভেঙে গেছে। শাহরিয়ারের অবস্থা সংকটাপন্ন। তার অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত নারী অধরাকে খোঁজা হচ্ছে বলে জানান ওসি।

বেলা ১টার দিকে অধরা নামের একটি মেয়ে ফোন করে শাহরিয়ারকে ওই ছাত্রাবাসে ডেকে নেয়। ওই সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা অপহরণকারীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে তাকে আটকে রেখে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এতে রাজি না হওয়ায় লাঠি দিয়ে বেদম মারধর করা হয় তাকে।