পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ
ওরা কেউ না তবু অফিসের বস, উমেদার ছাড়া অফিস অচল

গুলশান সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির আরেক নাম উমেদার টিপু মুন্সি

বাংলার খবর২৪: ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের গুলশান সাব রেজিস্ট্রি অফিসের উমেদার টিপু মুন্সি এর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দলিল দাতা-গ্রহিতা ও দলিল লেখকদের জিম্মি করে প্রতিদিন সাব রেজিস্ট্রার এর পক্ষ থেকে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। টিপু মুন্সি উমেদার দৈনিক ৬০ টাকা মুজুরীতে তারা নিয়োগ পান। অথচ পুরো সাব রেজিস্ট্রি অফিসে তিনি গ্রাহকদের দলিলের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধ ভাবে টাকা হাতিয়ে নেয় । তিনি প্রতিটা দলিল সাব রেজিস্ট্রার দেখার আগে তিনি দেখেন এবং দলিলের এক কোনায় চিন্হ দেন এতে করে সাব রেজিস্ট্রার বুঝতে পারেন যে এতে ঘুষ নেওয়া হয়েছে
এবং তিনি ওপেন কর্মকর্তার টেবিল চেয়ারে বসে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারন দেখিয়ে অবৈধ ঘুষের টাকা লেনদেন করতে দেখা যায়। তার ভাব দেখে সবার মনে হয় তিনি এই অফিসে সাব রেজিস্ট্রার এর পরের স্হান তার। জানা যায়, উমেদারদের অনেকে কোটিপতি বনে গেলেও তারা কাজ করেন দৈনিক মজুরিতে। হাজিরা মজুরি নির্ধারিত ৬০ টাকা। খাতা-কলমে ঢাকা জেলায় উমেদারের সংখ্যা ৯৯ জন। কিন্তু বাস্তবে রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্সে উমেদার আছেন কয়েকশ। তাদের অনেকে আবার নিয়োগ দিয়েছেন একাধিক সহকারী। জমির দালালরা মূলত উমেদারদের সহকারী হিসেবে পরিচিত। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন উমেদারকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। কিন্তু তাতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রেজিস্ট্রি অফিসের ঘুস চ্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অসাধু টিপু মুন্সির মত ‘উমেদার’ সিন্ডিকেট। সাবরেজিস্ট্রারের খাস কামরায় তাদের অবাধ যাতায়াত। রেকর্ডরুমসহ মূল্যবান দলিল-দস্তাবেজও তাদের কব্জায়। এ কারণে উমেদারদের অনেকেই প্রভাবশালী। এমনকি তাদের অনেকে হাত মিলিয়েছেন দলীয় রাজনীতি এবং স্থানীয় সিন্ডিকেটের সঙ্গে। অবৈধ ঘুষের টাকায় ঢাকা ডেমরা সানারপারে ৫ তলা বাড়ি এবং ৫০ কোটি টাকার পরিবারের নামে বেনামে সম্পদ রয়েছে তার। যা দুদক তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করলেই সব বেরিয়ে আসবে । এ ব্যাপারে তাকে প্রশ্ন করা হলে যে কি ভাবে কোটি টাকার সম্পদ করেছেন তখন তিনি বলেন বালুর ব্যাবসা করে। অথচ তার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই।

বিস্তারিত আগামী পর্বে তার ঢাকার বাড়ি গ্রামের শত বিঘা সম্পদ আসছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ওরা কেউ না তবু অফিসের বস, উমেদার ছাড়া অফিস অচল

গুলশান সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির আরেক নাম উমেদার টিপু মুন্সি

আপডেট টাইম : ০৩:৩১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

বাংলার খবর২৪: ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের গুলশান সাব রেজিস্ট্রি অফিসের উমেদার টিপু মুন্সি এর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দলিল দাতা-গ্রহিতা ও দলিল লেখকদের জিম্মি করে প্রতিদিন সাব রেজিস্ট্রার এর পক্ষ থেকে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। টিপু মুন্সি উমেদার দৈনিক ৬০ টাকা মুজুরীতে তারা নিয়োগ পান। অথচ পুরো সাব রেজিস্ট্রি অফিসে তিনি গ্রাহকদের দলিলের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধ ভাবে টাকা হাতিয়ে নেয় । তিনি প্রতিটা দলিল সাব রেজিস্ট্রার দেখার আগে তিনি দেখেন এবং দলিলের এক কোনায় চিন্হ দেন এতে করে সাব রেজিস্ট্রার বুঝতে পারেন যে এতে ঘুষ নেওয়া হয়েছে
এবং তিনি ওপেন কর্মকর্তার টেবিল চেয়ারে বসে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারন দেখিয়ে অবৈধ ঘুষের টাকা লেনদেন করতে দেখা যায়। তার ভাব দেখে সবার মনে হয় তিনি এই অফিসে সাব রেজিস্ট্রার এর পরের স্হান তার। জানা যায়, উমেদারদের অনেকে কোটিপতি বনে গেলেও তারা কাজ করেন দৈনিক মজুরিতে। হাজিরা মজুরি নির্ধারিত ৬০ টাকা। খাতা-কলমে ঢাকা জেলায় উমেদারের সংখ্যা ৯৯ জন। কিন্তু বাস্তবে রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্সে উমেদার আছেন কয়েকশ। তাদের অনেকে আবার নিয়োগ দিয়েছেন একাধিক সহকারী। জমির দালালরা মূলত উমেদারদের সহকারী হিসেবে পরিচিত। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন উমেদারকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। কিন্তু তাতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রেজিস্ট্রি অফিসের ঘুস চ্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অসাধু টিপু মুন্সির মত ‘উমেদার’ সিন্ডিকেট। সাবরেজিস্ট্রারের খাস কামরায় তাদের অবাধ যাতায়াত। রেকর্ডরুমসহ মূল্যবান দলিল-দস্তাবেজও তাদের কব্জায়। এ কারণে উমেদারদের অনেকেই প্রভাবশালী। এমনকি তাদের অনেকে হাত মিলিয়েছেন দলীয় রাজনীতি এবং স্থানীয় সিন্ডিকেটের সঙ্গে। অবৈধ ঘুষের টাকায় ঢাকা ডেমরা সানারপারে ৫ তলা বাড়ি এবং ৫০ কোটি টাকার পরিবারের নামে বেনামে সম্পদ রয়েছে তার। যা দুদক তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করলেই সব বেরিয়ে আসবে । এ ব্যাপারে তাকে প্রশ্ন করা হলে যে কি ভাবে কোটি টাকার সম্পদ করেছেন তখন তিনি বলেন বালুর ব্যাবসা করে। অথচ তার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই।

বিস্তারিত আগামী পর্বে তার ঢাকার বাড়ি গ্রামের শত বিঘা সম্পদ আসছে।