পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo আমি বেঁচে থাকতে রূপগঞ্জের মানুষকে উচ্ছেদ করার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেব না।’: দিপু ভূইয়া

বিআরটিএ সিলেটের সহকারী পরিচালক ও পরিদর্শক এর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

ফারুক আহমেদ সুজন : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সিলেটের দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলা বাস-মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।

সোমবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন শেষে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারলিপি দেন।

এ দুই কর্মকর্তা হলেন জেলা বিআরটিএ-এর সহকারী পরিচালক (প্রকৌশলী) রিয়াজুল ইসলাম এবং মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল বারী।

সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. ময়নুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিআরটিএ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান; কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, অবৈধভাবে টাকা উপার্জনের জন্য ওই দুই কর্মকর্তা তা ভুলে গেছেন।

“তাদের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন যেন ‘কসাইখানায়’ পরিণত হয়েছে।”

ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, “গত বছরের ২ অক্টোবর মেট্রো আরটিসির সভায় সিলেট জেলার ঠিকানায় রেজিস্ট্রেশন পাওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন মেট্রো ঠিকানায় বদলি করা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়।

“কিন্তু এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রতিটি অটোরিকশার মালিক থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়ে রেজিস্ট্রেশন বদল করিয়েছেন রিয়াজুল ইসলামসহ আরেক কর্মকর্তা।”

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসককে স্মারলিপি প্রদান করছেন ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা।

এছাড়া ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের মালিকানা বদলসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গেলে নানা অজুহাতে মালিক ও পরিবহন শ্রমিকদের হয়রানি করেন থাকেন বলে অভিযোগ করেন ময়নুল ইসলাম।

এসব বিষয়ে সিলেট জেলা প্রশাসক কাছে বিআরটিএ কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম এবং আব্দুল বারীর প্রত্যাহার জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।

মানববন্ধনে ময়নুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমের পরিচালনায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব মিয়া মবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাছনাত, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, সদস্য সাহেদ আহমদ, সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি শাহ দেলোয়ার হোসেন ও আজাদুর রহমান বক্তব্য দেন।

অভিযোগের বিষয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “আমার বিষয়ে শ্রমিক ইউনিয়ন যেসব অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল বারীর ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী

বিআরটিএ সিলেটের সহকারী পরিচালক ও পরিদর্শক এর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৫:৪২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩

ফারুক আহমেদ সুজন : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সিলেটের দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলা বাস-মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।

সোমবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন শেষে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারলিপি দেন।

এ দুই কর্মকর্তা হলেন জেলা বিআরটিএ-এর সহকারী পরিচালক (প্রকৌশলী) রিয়াজুল ইসলাম এবং মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল বারী।

সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. ময়নুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিআরটিএ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান; কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, অবৈধভাবে টাকা উপার্জনের জন্য ওই দুই কর্মকর্তা তা ভুলে গেছেন।

“তাদের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন যেন ‘কসাইখানায়’ পরিণত হয়েছে।”

ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, “গত বছরের ২ অক্টোবর মেট্রো আরটিসির সভায় সিলেট জেলার ঠিকানায় রেজিস্ট্রেশন পাওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন মেট্রো ঠিকানায় বদলি করা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়।

“কিন্তু এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রতিটি অটোরিকশার মালিক থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়ে রেজিস্ট্রেশন বদল করিয়েছেন রিয়াজুল ইসলামসহ আরেক কর্মকর্তা।”

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসককে স্মারলিপি প্রদান করছেন ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা।

এছাড়া ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের মালিকানা বদলসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গেলে নানা অজুহাতে মালিক ও পরিবহন শ্রমিকদের হয়রানি করেন থাকেন বলে অভিযোগ করেন ময়নুল ইসলাম।

এসব বিষয়ে সিলেট জেলা প্রশাসক কাছে বিআরটিএ কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম এবং আব্দুল বারীর প্রত্যাহার জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।

মানববন্ধনে ময়নুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমের পরিচালনায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব মিয়া মবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাছনাত, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, সদস্য সাহেদ আহমদ, সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি শাহ দেলোয়ার হোসেন ও আজাদুর রহমান বক্তব্য দেন।

অভিযোগের বিষয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “আমার বিষয়ে শ্রমিক ইউনিয়ন যেসব অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল বারীর ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।