পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

অপহরণ নয় প্রেমের টানেই ঘর ছেড়েছে রিয়ানা

বাংলার খবর২৪.কম : index47_55325 অপহরণ নয় প্রেমের টানেই ঘর ছেড়েছিলেন রাজশাহীর সিটি কলেজের শিক্ষার্থী সিরদাতুল মুনতাহা ওরফে রিয়ানা। নিখোঁজ থাকার ৬৭ দিন পর ফেনী থেকে তাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার তাকে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির করা হলে রিয়ানা এসব কথা বলেন।

এর আগে ২০ আগস্ট ফেনী সদর থেকে তাকে উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওই সময় তার প্রেমিক মুসাহাককেও আটক করা হয়। মুসাহাক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এলাকার আতাউর রহমানের ছেলে।

তিনি ফেনীতে একমি ল্যাবরেটরি নামে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

রিয়ানা জানান, ১২ আগস্ট দুপুরে তিনি ঢাকায় রওনা দেন। সন্ধ্যায় ঢাকা পৌঁছালে মুসাহাক তাকে সঙ্গে নিয়ে ফেনীতে যান। এরপর থেকে তারা সেখানেই অবস্থান করছিলেন। এর আগে গত বছরের ১৩ অক্টোবর তারা বিয়ে করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।

রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক নুর হোসেন খন্দকার জানান, সম্প্রতি তারা ফেনীতে ওই ছাত্রীর অবস্থান সনাক্ত করেন। পরে অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর তাকে উদ্ধার করেন। আজ বিকেলে তাকে আদালতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। সেখানে তার জবানবন্দি নেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান ওসি।

উল্লেখ্য, নগরীর হড়গ্রাম এলাকার হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের মেয়ে রিয়ানা গত ১২ আগস্ট কোচিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর দুই মাস পেরিয়ে গেলেও রিয়ানার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিলো না। তার বাবা মিজানুর রহমান বরাবর অভিযোগ করে আসছিলেন, সিটি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক দিনার রিয়ানাকে অপহরণ করেছেন।

এ নিয়ে রাজপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। দীর্ঘ দিন পরেও ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করতে না পারায় পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ তুলেন তার পরিবার।

পরে মামলাটি রাজপাড়া থানা থেকে নগর গোয়েন্দা শাখায় নেওয়া হয়। ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের দাবিতে নগরীতে কয়েকবার সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন এমনকি প্রশাসনকে আল্টিমেটামও দেওয়া হয়।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

অপহরণ নয় প্রেমের টানেই ঘর ছেড়েছে রিয়ানা

আপডেট টাইম : ০২:২৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম : index47_55325 অপহরণ নয় প্রেমের টানেই ঘর ছেড়েছিলেন রাজশাহীর সিটি কলেজের শিক্ষার্থী সিরদাতুল মুনতাহা ওরফে রিয়ানা। নিখোঁজ থাকার ৬৭ দিন পর ফেনী থেকে তাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার তাকে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির করা হলে রিয়ানা এসব কথা বলেন।

এর আগে ২০ আগস্ট ফেনী সদর থেকে তাকে উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওই সময় তার প্রেমিক মুসাহাককেও আটক করা হয়। মুসাহাক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এলাকার আতাউর রহমানের ছেলে।

তিনি ফেনীতে একমি ল্যাবরেটরি নামে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

রিয়ানা জানান, ১২ আগস্ট দুপুরে তিনি ঢাকায় রওনা দেন। সন্ধ্যায় ঢাকা পৌঁছালে মুসাহাক তাকে সঙ্গে নিয়ে ফেনীতে যান। এরপর থেকে তারা সেখানেই অবস্থান করছিলেন। এর আগে গত বছরের ১৩ অক্টোবর তারা বিয়ে করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।

রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক নুর হোসেন খন্দকার জানান, সম্প্রতি তারা ফেনীতে ওই ছাত্রীর অবস্থান সনাক্ত করেন। পরে অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর তাকে উদ্ধার করেন। আজ বিকেলে তাকে আদালতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। সেখানে তার জবানবন্দি নেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান ওসি।

উল্লেখ্য, নগরীর হড়গ্রাম এলাকার হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের মেয়ে রিয়ানা গত ১২ আগস্ট কোচিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর দুই মাস পেরিয়ে গেলেও রিয়ানার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিলো না। তার বাবা মিজানুর রহমান বরাবর অভিযোগ করে আসছিলেন, সিটি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক দিনার রিয়ানাকে অপহরণ করেছেন।

এ নিয়ে রাজপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। দীর্ঘ দিন পরেও ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করতে না পারায় পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ তুলেন তার পরিবার।

পরে মামলাটি রাজপাড়া থানা থেকে নগর গোয়েন্দা শাখায় নেওয়া হয়। ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের দাবিতে নগরীতে কয়েকবার সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন এমনকি প্রশাসনকে আল্টিমেটামও দেওয়া হয়।