পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

চবিতে প্রশ্নপত্র জালিয়াতি : আটক ২

বাংলার খবর২৪.কমcopy of cu pic 08.11 (1)_57258, চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দুই লাখ টাকায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতির অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার চবির ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নরসিংদী জেলার মো. ডালিম মিয়া, কিশোরগঞ্জের ফাইজুল ইসলাম।

মোবাইলে এসএমএস’র মাধ্যমে তাদের কাছে একশটি প্রশ্নের উত্তর পাঠানো হয়েছিল। তারা ২ লাখ ১০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল একটি জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে। তবে ওই চক্রের কাউকে আটক করা যায়নি।

জানা গেছে, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসা প্রশাসনের অধীনে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ডালিম মিয়ার সিট পড়ে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ৩০৬ নং কক্ষে এবং ফাইজুলের সিট পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় আইইআরটি ভবনের ১০৫ নং কক্ষে।

পরীক্ষার হল রুমে দায়িত্বরত শিক্ষকরা সেট কোড চেক করার সময় লক্ষ করেন ডালিমের সেট তিন এবং ফাইজুলের সেট দুই প্রশ্নপত্র পেলেও উভয়ে সেট কোড এক পূরণ করেছে। পরে তাদের কাছে মোবাইল ফোন চেক করে দেখা যায় সেট এক প্রশ্নপত্রের উত্তর তাদের এসএমএস করে পাঠানো হয়েছে।

পরে তারা স্বীকার করেন ডালিম এক লাখ এবং ফাইজুল ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় একটি জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। ফলে পরীক্ষার হলে প্রবেশের পরে তাদের মোবাইলে এসএমএস করে সেট এক এর একটি প্রশ্নের উত্তর পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের আটক করে প্রক্টর অফিসে পাঠিয়ে দেয়। পরে তাদের উত্তরপত্র বাতিল করে পুলিশে সোর্পদ করা হয়। তারা এখন হাটহাজারি মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক কর্তকর্তারা জানায়, তাদের কাছে পাঠানো উত্তরগুলোর সবই মিলে গেছে। তাদের কাছে সেট এক এর উত্তর পাঠানো হয়েছিল।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদ-দৌল্লাহ বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাদের কাছে পাঠানো উত্তর, প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মেলেনি।

তিনি আরো বলেন, তারা চক্রান্তের স্বীকার। প্রশ্নপত্র আউট হয়নি। জালিয়াতি চক্রকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আটককৃতদের উত্তরপত্র বাতিল করা হয়েছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

চবিতে প্রশ্নপত্র জালিয়াতি : আটক ২

আপডেট টাইম : ১২:১০:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমcopy of cu pic 08.11 (1)_57258, চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দুই লাখ টাকায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতির অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার চবির ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নরসিংদী জেলার মো. ডালিম মিয়া, কিশোরগঞ্জের ফাইজুল ইসলাম।

মোবাইলে এসএমএস’র মাধ্যমে তাদের কাছে একশটি প্রশ্নের উত্তর পাঠানো হয়েছিল। তারা ২ লাখ ১০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল একটি জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে। তবে ওই চক্রের কাউকে আটক করা যায়নি।

জানা গেছে, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসা প্রশাসনের অধীনে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ডালিম মিয়ার সিট পড়ে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ৩০৬ নং কক্ষে এবং ফাইজুলের সিট পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় আইইআরটি ভবনের ১০৫ নং কক্ষে।

পরীক্ষার হল রুমে দায়িত্বরত শিক্ষকরা সেট কোড চেক করার সময় লক্ষ করেন ডালিমের সেট তিন এবং ফাইজুলের সেট দুই প্রশ্নপত্র পেলেও উভয়ে সেট কোড এক পূরণ করেছে। পরে তাদের কাছে মোবাইল ফোন চেক করে দেখা যায় সেট এক প্রশ্নপত্রের উত্তর তাদের এসএমএস করে পাঠানো হয়েছে।

পরে তারা স্বীকার করেন ডালিম এক লাখ এবং ফাইজুল ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় একটি জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। ফলে পরীক্ষার হলে প্রবেশের পরে তাদের মোবাইলে এসএমএস করে সেট এক এর একটি প্রশ্নের উত্তর পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের আটক করে প্রক্টর অফিসে পাঠিয়ে দেয়। পরে তাদের উত্তরপত্র বাতিল করে পুলিশে সোর্পদ করা হয়। তারা এখন হাটহাজারি মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক কর্তকর্তারা জানায়, তাদের কাছে পাঠানো উত্তরগুলোর সবই মিলে গেছে। তাদের কাছে সেট এক এর উত্তর পাঠানো হয়েছিল।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদ-দৌল্লাহ বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাদের কাছে পাঠানো উত্তর, প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মেলেনি।

তিনি আরো বলেন, তারা চক্রান্তের স্বীকার। প্রশ্নপত্র আউট হয়নি। জালিয়াতি চক্রকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আটককৃতদের উত্তরপত্র বাতিল করা হয়েছে।