অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন খালেদা জিয়া

ঢাকা: আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আগামী ১২-১৩ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল-২০১৬ এ অংশ নিতে তার ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ফোরাম ইথিকস ইন বিজনেস ও দ্য আর্ট অব লিভিং ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করছে। ইতিমধ্যে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন খালেদা জিয়া। এখনও ফেস্টিভ্যালে যোগদানের ব্যাপারে বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের কিছুই জানানো হয়নি।

তবে দলটির একটি সূত্র জানিয়েছে, ভারত সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ক্ষমতাসীন বিজেপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়সূচি চূড়ান্ত করার পরই আয়োজকদের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।

জানা যায়, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে ধীরে ধীরে সম্পর্কোন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে।

২০১২ সালের শেষের দিকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ভারত সফরে যান। সে সময় তিনি দেশটির রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কংগ্রেস ও বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ বৈঠক করেন। তবে ওই সফরে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা হয়নি। সফরকালে খালেদা জিয়া বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করে ভারতীয় কর্তাব্যক্তিদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপি সরকার গঠন করলে ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মাটি কোনো সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করতে দেবে না।

বিএনপি মনে করে, ভারত অবশ্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তাদের নীতি বদলাতে বাধ্য হবে। কারণ একটি বিশেষ দলের জন্য ভারত তার স্বার্থ বিসর্জন দেবে না। ইতিমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন বিশেষ কোনো দলের সঙ্গে নয়, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় ভারত।

ভারতের আস্থা অর্জনে বিএনপির উদ্যোগ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক মজবুত। রাজনৈতিক অঙ্গনে একটা ভুল বার্তা রয়েছে যে, ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক ভালো নয়। মানুষের এ ভুল ভাঙাতেই ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ককে জোরদার করা প্রয়োজন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন খালেদা জিয়া

আপডেট টাইম : ০৪:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

ঢাকা: আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আগামী ১২-১৩ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল-২০১৬ এ অংশ নিতে তার ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ফোরাম ইথিকস ইন বিজনেস ও দ্য আর্ট অব লিভিং ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করছে। ইতিমধ্যে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন খালেদা জিয়া। এখনও ফেস্টিভ্যালে যোগদানের ব্যাপারে বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের কিছুই জানানো হয়নি।

তবে দলটির একটি সূত্র জানিয়েছে, ভারত সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ক্ষমতাসীন বিজেপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়সূচি চূড়ান্ত করার পরই আয়োজকদের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।

জানা যায়, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে ধীরে ধীরে সম্পর্কোন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে।

২০১২ সালের শেষের দিকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ভারত সফরে যান। সে সময় তিনি দেশটির রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কংগ্রেস ও বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ বৈঠক করেন। তবে ওই সফরে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা হয়নি। সফরকালে খালেদা জিয়া বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করে ভারতীয় কর্তাব্যক্তিদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপি সরকার গঠন করলে ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মাটি কোনো সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করতে দেবে না।

বিএনপি মনে করে, ভারত অবশ্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তাদের নীতি বদলাতে বাধ্য হবে। কারণ একটি বিশেষ দলের জন্য ভারত তার স্বার্থ বিসর্জন দেবে না। ইতিমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন বিশেষ কোনো দলের সঙ্গে নয়, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় ভারত।

ভারতের আস্থা অর্জনে বিএনপির উদ্যোগ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক মজবুত। রাজনৈতিক অঙ্গনে একটা ভুল বার্তা রয়েছে যে, ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক ভালো নয়। মানুষের এ ভুল ভাঙাতেই ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ককে জোরদার করা প্রয়োজন।