পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

নওগাঁ ধামইরহাটে পশুর হাটে সরকারি নিয়মে খাজনা আদায় খুশি ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা

(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে সাপ্তাহিক হাটবাজারে সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যে গৃহপালিত পশু গরু ও ছাগল ক্রয় বিক্রয় শুরু করেছেন হাট মালিকেরা। এতে করে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের বহুদিনের দাবি পূরণ হলো। রবিবার (১৮ আগস্ট) বেলা তিনটায় উপজেলার সাপ্তাহিক হাটবাজারে দেখা গেছে এমন চিত্র। রশিদ লেখক (মৌরিরা) খাজনা আদায়ের রশিদে গরু ৬০০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কমিয়ে ৫০০ টাকা ও ছাগল ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০ টাকাসহ গ্রাহকের পুরো নাম ও ঠিকানা লিখে বিক্রয় করছেন গবাদি পশু গরু ও ছাগল। এতে করে খুশি হয়েছেন ক্রেতা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। হাটে পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাট মালিকেরা এর আগের (ঈদ বা বিশেষ দিনে) মাথাপিছু প্রতি গরু ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির ক্ষেত্রে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা আদায় করতো। এছাড়াও বিক্রেতাদের কাছ থেকে আরও অতিরিক্ত ৫০ থেকে ১০০ টাকা নেওয়া হতো।
উপজেলার দাদনপুর এলাকার পশু বিক্রেতা মোফাজ্জল হোসেন বলেন শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর থেকে রবিবার হাটে খাজনা আদায়ের রশিদের মধ্য দিয়ে সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যে গরু ও ছাগল বিক্রি করছেন ইজারাদারেরা।” এতে করে পশু ক্রয়-বিক্রয় করতে আগের মত আর অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে না আমাদের। রঘুনাথপুর এলাকার রশিদ লেখক আনিছুর রহমান বলেন হাট ইজারাদারদের নির্দেশে গরু ৫০০ টাকা আর ছাগল ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এর আগেও তাই নেওয়া হতো। অমরপুর এলাকার কাদের বলেন, “নাতির জন্য ৯০০০ টাকা দিয়ে দুইটি ছাগল কিনলাম। এ কারণে খাজনা রশিদ বাবদ ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে হাট মালিককে। এর আগে মাথাপিছু একটি ছাগল কিনতে হাট মালিককে দিতে হয়েছিল ৩৫০ টাকা। এবার দুইটি ছাগলের খাজনা ২০০ টাকা করে ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে। এতে করে ৩০০ টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে জানান তিনি। হাট মালিক মেহেদী হাসান বলেন গরু ও ছাগল কিনতে আসা ক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা অতিরিক্ত টাকা নেই না। বরং সাধারণ ক্রেতাদের কথা ভেবে রশিদের মাধ্যমে সরকারের বেধে দেওয়া মূল্যে আমরা গরু ও ছাগল কেনাবেচা করি।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

নওগাঁ ধামইরহাটে পশুর হাটে সরকারি নিয়মে খাজনা আদায় খুশি ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা

আপডেট টাইম : ০২:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪

(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে সাপ্তাহিক হাটবাজারে সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যে গৃহপালিত পশু গরু ও ছাগল ক্রয় বিক্রয় শুরু করেছেন হাট মালিকেরা। এতে করে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের বহুদিনের দাবি পূরণ হলো। রবিবার (১৮ আগস্ট) বেলা তিনটায় উপজেলার সাপ্তাহিক হাটবাজারে দেখা গেছে এমন চিত্র। রশিদ লেখক (মৌরিরা) খাজনা আদায়ের রশিদে গরু ৬০০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কমিয়ে ৫০০ টাকা ও ছাগল ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০ টাকাসহ গ্রাহকের পুরো নাম ও ঠিকানা লিখে বিক্রয় করছেন গবাদি পশু গরু ও ছাগল। এতে করে খুশি হয়েছেন ক্রেতা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। হাটে পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাট মালিকেরা এর আগের (ঈদ বা বিশেষ দিনে) মাথাপিছু প্রতি গরু ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির ক্ষেত্রে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা আদায় করতো। এছাড়াও বিক্রেতাদের কাছ থেকে আরও অতিরিক্ত ৫০ থেকে ১০০ টাকা নেওয়া হতো।
উপজেলার দাদনপুর এলাকার পশু বিক্রেতা মোফাজ্জল হোসেন বলেন শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর থেকে রবিবার হাটে খাজনা আদায়ের রশিদের মধ্য দিয়ে সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যে গরু ও ছাগল বিক্রি করছেন ইজারাদারেরা।” এতে করে পশু ক্রয়-বিক্রয় করতে আগের মত আর অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে না আমাদের। রঘুনাথপুর এলাকার রশিদ লেখক আনিছুর রহমান বলেন হাট ইজারাদারদের নির্দেশে গরু ৫০০ টাকা আর ছাগল ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এর আগেও তাই নেওয়া হতো। অমরপুর এলাকার কাদের বলেন, “নাতির জন্য ৯০০০ টাকা দিয়ে দুইটি ছাগল কিনলাম। এ কারণে খাজনা রশিদ বাবদ ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে হাট মালিককে। এর আগে মাথাপিছু একটি ছাগল কিনতে হাট মালিককে দিতে হয়েছিল ৩৫০ টাকা। এবার দুইটি ছাগলের খাজনা ২০০ টাকা করে ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে। এতে করে ৩০০ টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে জানান তিনি। হাট মালিক মেহেদী হাসান বলেন গরু ও ছাগল কিনতে আসা ক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা অতিরিক্ত টাকা নেই না। বরং সাধারণ ক্রেতাদের কথা ভেবে রশিদের মাধ্যমে সরকারের বেধে দেওয়া মূল্যে আমরা গরু ও ছাগল কেনাবেচা করি।