পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

জন্মদিনের কেক কাটলেন খালেদা

500x350_0ef47721d1fe1ef3c9e8817ccdbf6ead_khaleda_zia_photo50246-362x300সুমন : ৬৯তম জন্মদিনের কেক কাটলেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে জন্ম দিনের এ কেক কাটেন তিনি। এসময় দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ, স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক মন্ডলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দলের অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়া এবার ৬৯ বছরে পা দিচ্ছেন। তাই ৬৮তম জন্ম বার্ষিকী এবং ৬৯তম জন্ম দিন। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট বাবার কর্মস্থল দিনাজপুরের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় খালেদা খানম। পুতুল তার ডাক নাম। বাবা এস্কান্দার মজুমদার ছিলেন ব্যবসায়ী।

জানা যায়, তার পৈতৃক বাড়ি ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। মা তৈয়বা মজুমদার দিনাজপুরের চন্দন বাড়ির মেয়ে। ১৯৬০ সালের আগস্টে সেনা কর্মকর্তা (পরবর্তীতে সেনাপ্রধান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন খালেদা জিয়া।

১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে পা রাখেন খালেদা জিয়া। তার দুই ছেলে। বড় ছেলে তারেক রহমান যিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো একজন ব্যবসায়ী।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপক্ষো করে সন্ধ্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খালেদা জিয়ার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে জড়ো হন দলের অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

নিজে জন্মদিন আনুষ্ঠানিকভাবে পালন না করলেও বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে আনা কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রতিবারই উপস্থিত থাকেন খালেদা জিয়া। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভুত্থ্যানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন স্তেরর নেতাকর্মীদের আহবানে তিনি ১৯৮২ সালে ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান লে. জে. এরশাদ বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। বেগম জিয়া এর বিরোধিতা করেন। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল দলের বর্ধিত সভায় তিনি প্রথম বক্তৃতা করেন। বিচারপতি সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে পার্টির চেয়ারপারসন নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বেই মূলত বিএনপির পূর্ণ বিকাশ হয়।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

জন্মদিনের কেক কাটলেন খালেদা

আপডেট টাইম : ০২:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৪

500x350_0ef47721d1fe1ef3c9e8817ccdbf6ead_khaleda_zia_photo50246-362x300সুমন : ৬৯তম জন্মদিনের কেক কাটলেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে জন্ম দিনের এ কেক কাটেন তিনি। এসময় দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ, স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক মন্ডলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দলের অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়া এবার ৬৯ বছরে পা দিচ্ছেন। তাই ৬৮তম জন্ম বার্ষিকী এবং ৬৯তম জন্ম দিন। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট বাবার কর্মস্থল দিনাজপুরের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় খালেদা খানম। পুতুল তার ডাক নাম। বাবা এস্কান্দার মজুমদার ছিলেন ব্যবসায়ী।

জানা যায়, তার পৈতৃক বাড়ি ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। মা তৈয়বা মজুমদার দিনাজপুরের চন্দন বাড়ির মেয়ে। ১৯৬০ সালের আগস্টে সেনা কর্মকর্তা (পরবর্তীতে সেনাপ্রধান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন খালেদা জিয়া।

১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে পা রাখেন খালেদা জিয়া। তার দুই ছেলে। বড় ছেলে তারেক রহমান যিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো একজন ব্যবসায়ী।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপক্ষো করে সন্ধ্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খালেদা জিয়ার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে জড়ো হন দলের অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

নিজে জন্মদিন আনুষ্ঠানিকভাবে পালন না করলেও বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে আনা কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রতিবারই উপস্থিত থাকেন খালেদা জিয়া। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভুত্থ্যানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন স্তেরর নেতাকর্মীদের আহবানে তিনি ১৯৮২ সালে ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান লে. জে. এরশাদ বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। বেগম জিয়া এর বিরোধিতা করেন। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল দলের বর্ধিত সভায় তিনি প্রথম বক্তৃতা করেন। বিচারপতি সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে পার্টির চেয়ারপারসন নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বেই মূলত বিএনপির পূর্ণ বিকাশ হয়।