পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসা সবচেয়ে ‘দামী’ নারীর কাহিনী

বাংলার খবর২৪.কম: image_211_15459২০০৭ ইরাকে এক বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন ৩০ বছর বয়সী হানা ক্যাম্পবেল। বসরা শহরে একটি বিল্ডিংয়ে গার্ড দিচ্ছিলেন তিনি। বিস্ফোরণে তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়। দুই টুকরো হয়ে যায় বাম হাত। বাম পা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি। নষ্ট হয়ে যায় ক্যাম্পবেলের যকৃত, গর্ভাশয়। অবশেষে হার্ট অ্যাটাক। মৃত্যু অপেক্ষা করছে তাকে স্বাগত জানাতে। কিন্তু ক্যাম্পবেল হাঁটা দিল উল্টোদিকে। প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও ধৈর্যের হাত ধরে ফিরে আসেন স্বাভাবিক জগতে। ক্যাম্পবেলের ভাষায়, ‘ডাক্তারের আন্তরিক সেবায় আমি নতুনভাবে জীবন ফিরে পাই’।
তিনি শরীরের প্রায় সবকিছু পাল্টে ফেলেন। বিপুল ব্যয় করে তিনি হন সত্যিকারের ‘বায়োনিক নারী’। শরীরে গভীর ক্ষতস্থান পূরণ করতে ও নিজেকে আরো সুন্দর করে তুলতে তিনি খরচা করেন ৫২ হাজার ৫০০ ইউরো। বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় বায়ান্ন লাখ ৬০ হাজার টাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তিনি অবশ্য ৩ লাখ ৮০ হাজার ইউরো পেয়েছিলেন।
তিনি একটি প্রোসথেটিক পা লাগান। ত্বকের ক্ষতস্থানে বোটোক্স করেন। নানানরকম শরীরি নকশায় সুন্দর করে তোলেন নিজের জীবনকে। তিনি শুধু শরীরে ক্ষতস্থানেই চিকিৎসা করেননি। তার স্তনকে আরো বড় করেন। ক্ষতিগ্রস্থ গর্ভাশয় সারিয়ে আজ তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী। মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে তিলে তিলে বাস্তবকে জয় করে আজ তিনি সবচেয়ে ‘দামী’ নারী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসা সবচেয়ে ‘দামী’ নারীর কাহিনী

আপডেট টাইম : ০৩:৫১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম: image_211_15459২০০৭ ইরাকে এক বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন ৩০ বছর বয়সী হানা ক্যাম্পবেল। বসরা শহরে একটি বিল্ডিংয়ে গার্ড দিচ্ছিলেন তিনি। বিস্ফোরণে তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়। দুই টুকরো হয়ে যায় বাম হাত। বাম পা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি। নষ্ট হয়ে যায় ক্যাম্পবেলের যকৃত, গর্ভাশয়। অবশেষে হার্ট অ্যাটাক। মৃত্যু অপেক্ষা করছে তাকে স্বাগত জানাতে। কিন্তু ক্যাম্পবেল হাঁটা দিল উল্টোদিকে। প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও ধৈর্যের হাত ধরে ফিরে আসেন স্বাভাবিক জগতে। ক্যাম্পবেলের ভাষায়, ‘ডাক্তারের আন্তরিক সেবায় আমি নতুনভাবে জীবন ফিরে পাই’।
তিনি শরীরের প্রায় সবকিছু পাল্টে ফেলেন। বিপুল ব্যয় করে তিনি হন সত্যিকারের ‘বায়োনিক নারী’। শরীরে গভীর ক্ষতস্থান পূরণ করতে ও নিজেকে আরো সুন্দর করে তুলতে তিনি খরচা করেন ৫২ হাজার ৫০০ ইউরো। বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় বায়ান্ন লাখ ৬০ হাজার টাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তিনি অবশ্য ৩ লাখ ৮০ হাজার ইউরো পেয়েছিলেন।
তিনি একটি প্রোসথেটিক পা লাগান। ত্বকের ক্ষতস্থানে বোটোক্স করেন। নানানরকম শরীরি নকশায় সুন্দর করে তোলেন নিজের জীবনকে। তিনি শুধু শরীরে ক্ষতস্থানেই চিকিৎসা করেননি। তার স্তনকে আরো বড় করেন। ক্ষতিগ্রস্থ গর্ভাশয় সারিয়ে আজ তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী। মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে তিলে তিলে বাস্তবকে জয় করে আজ তিনি সবচেয়ে ‘দামী’ নারী।