অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

মহানবীর (সা.) রওজা মোবারক সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি সরকার

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_03e6ab2d52b7db30672f4bb78061e103_88579_1মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র রওজা মোবারক অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার এক বিতর্কিত উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।

মুসলমানদের নিকট পবিত্র কাবা শরীফের পরই দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান হচ্ছে মহানবীর রওজা মোবারক।

মদীনায় তার রওজা মোবারক জিয়ারত করতে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়।

সৌদি আরবের শিক্ষাবিদরা এখন রওজা মোবারকটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে চান বলে খবর বেরিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, অনেক মুসলমান এই রওজা মোবারককে ঘিরে শিরকে জড়িয়ে পড়েছেন।

ইসলামে শিরক বা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা হারাম।

ব্রিটেনের ইন্ডিপেনডেন্ট ও মেইল পত্রিকা জানায়, মহানবীর রওজা মোবারক অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য ৬১ পৃষ্ঠার একটি ডকুমেন্ট পবিত্র এ স্থাপনার সুপারভাইজারদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে।

এতে মহানবীর রওজা মোবারক বর্তমান স্থান থেকে সরিয়ে জান্নাতুল বাকিতে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখানে মহানবীর রওজা মোবারক কোনটি তা চিহ্নিত থাকবে না।

ইসলামিক হেরিটেজ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. ইরফান আল-আলাবি বলেন, ‘ হজ ও ওমরা পালনকারীদের দূরে সরিয়ে রাখতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তারা মনে করে যে এটা শিরক বা পৌত্তলিকতা। ’
তিনি বলেন, লোকজনকে বিরত রাখার একটাই উপায় আর তা হচ্ছে মহানবীর রওজা মোবারকে মানুষের দৃষ্টির বাইরে রাখা।

এ ব্যাপারে সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহ, যাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রওজা মোবারকের ‘জিম্মাদার’ বলা হয় , অথবা রওজা মোবারকের ওপর স্থাপিত মসজিদ-উল-নববীর রক্ষণাবেক্ষণকারীরা এই উদ্যোগে সম্মতি দিয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি। সৌদি সরকার দাবি করেছে যে তারা পবিত্রতম দুটি স্থানের উন্নয়নকাজের ক্ষেত্রে ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ বজায় রাখেন।

সৌদি সরকারের ওয়াহাবি মতবাদের সংস্কার হিসেবে মহানবীর রওজা মোবারক অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে শিয়া ও সুন্নী মুসলমানরা এ ধরণের উদ্যোগের বিরোধীতা করবেন।

ড. আলাবি বলেন, মূলধারার সুন্নী মুসলমানদের পাশাপাশি শিয়ারাও মহানবীর রওজা মোবারক জিয়ারত করে থাকেন।
তিনি বলেন, ‘ আমি নিশ্চিত যে এটা জানতে পারলে মুসলিম বিশ্ব মর্মাহত হবে। এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হবে।’

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

মহানবীর (সা.) রওজা মোবারক সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি সরকার

আপডেট টাইম : ১০:৪০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_03e6ab2d52b7db30672f4bb78061e103_88579_1মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র রওজা মোবারক অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার এক বিতর্কিত উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।

মুসলমানদের নিকট পবিত্র কাবা শরীফের পরই দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান হচ্ছে মহানবীর রওজা মোবারক।

মদীনায় তার রওজা মোবারক জিয়ারত করতে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়।

সৌদি আরবের শিক্ষাবিদরা এখন রওজা মোবারকটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে চান বলে খবর বেরিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, অনেক মুসলমান এই রওজা মোবারককে ঘিরে শিরকে জড়িয়ে পড়েছেন।

ইসলামে শিরক বা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা হারাম।

ব্রিটেনের ইন্ডিপেনডেন্ট ও মেইল পত্রিকা জানায়, মহানবীর রওজা মোবারক অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য ৬১ পৃষ্ঠার একটি ডকুমেন্ট পবিত্র এ স্থাপনার সুপারভাইজারদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে।

এতে মহানবীর রওজা মোবারক বর্তমান স্থান থেকে সরিয়ে জান্নাতুল বাকিতে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখানে মহানবীর রওজা মোবারক কোনটি তা চিহ্নিত থাকবে না।

ইসলামিক হেরিটেজ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. ইরফান আল-আলাবি বলেন, ‘ হজ ও ওমরা পালনকারীদের দূরে সরিয়ে রাখতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তারা মনে করে যে এটা শিরক বা পৌত্তলিকতা। ’
তিনি বলেন, লোকজনকে বিরত রাখার একটাই উপায় আর তা হচ্ছে মহানবীর রওজা মোবারকে মানুষের দৃষ্টির বাইরে রাখা।

এ ব্যাপারে সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহ, যাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রওজা মোবারকের ‘জিম্মাদার’ বলা হয় , অথবা রওজা মোবারকের ওপর স্থাপিত মসজিদ-উল-নববীর রক্ষণাবেক্ষণকারীরা এই উদ্যোগে সম্মতি দিয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি। সৌদি সরকার দাবি করেছে যে তারা পবিত্রতম দুটি স্থানের উন্নয়নকাজের ক্ষেত্রে ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ বজায় রাখেন।

সৌদি সরকারের ওয়াহাবি মতবাদের সংস্কার হিসেবে মহানবীর রওজা মোবারক অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে শিয়া ও সুন্নী মুসলমানরা এ ধরণের উদ্যোগের বিরোধীতা করবেন।

ড. আলাবি বলেন, মূলধারার সুন্নী মুসলমানদের পাশাপাশি শিয়ারাও মহানবীর রওজা মোবারক জিয়ারত করে থাকেন।
তিনি বলেন, ‘ আমি নিশ্চিত যে এটা জানতে পারলে মুসলিম বিশ্ব মর্মাহত হবে। এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হবে।’