অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

মুসল্লিদের জন্য খুলে দেয়া হলো গির্জা

ডেস্কঃ করোনার বিস্তার রোধে দেশজুড়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা জারি রয়েছে। আর এই নির্দেশনা মানতে গিয়ে মসজিদে স্থানের সংকুলান না হওয়ায় জার্মানির বার্লিন শহরের একটি গির্জা তাদের দুয়ার খুলে দিয়েছে, যেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা সেখানে নামাজ আদায় করতে পারেন। খবর বিবিসি।
জার্মানিতে গত ৪ মে সামাজিক দূরত্ব (আদতে শারীরিক দূরত্ব) মেনে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে প্রার্থনা ফের শুরুর করার অনুমতি দেয়া হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যেককে প্রার্থনার সময় অন্ততপক্ষে ৫ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কিন্তু অনেক জায়গায় অতিরিক্ত মানুষের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।
ঘটনাটি ঘটেছে বার্লিনের দার আসসালাম মসজিদে। গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় সেখানে মুসল্লিদের স্থানের সংকুলান হচ্ছিল না। আর এই মসজিদটির পাশেই মার্থা লুদেরান নামের গির্জার অবস্থান। মসজিদে এমন পরিস্থিতি দেখে গির্জা কর্তৃপক্ষ সমস্যার সমাধানে এভাবেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।
বার্লিনের নিউকোলন ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত ওই মসজিদটি সমস্যার সমাধানে এমন মহৎ উদ্যোগের কারণে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে ওই গির্জা কর্তৃপক্ষ। দার আসসালাম নামের ওই মসজিদের ইমাম বলেন, ‘এই মহামারি আমাদের সবাইকে এক সম্প্রদায়ে পরিণত করেছে। সংকটই মানুষকে এভাবে একত্রিত করে।’

ইমাম আরও বলেন, ‘এটা একটা মহৎ বিষয়। এটা রমজান ও এই সংকটে আমাদের মাঝে আনন্দের বার্তা নিয়ে নিয়ে এসেছে।’ শুক্রবারের ওই জুমার নামাজে কেবল মুসলমানরাই ছিলেন না, ছিলেন মার্থা লুদেরান গির্জার যাজকও। সেখানে নামাজ পড়তে আসা সামির হামদুন নামের একজন বলেন, ‘গির্জা ঘরটির ভেতরে থাকা বাদ্যযন্ত্র আর ছবিগুলোর জন্য একটা অদ্ভূত অনুভূতি হচ্ছিল ঠিকই কিন্তু আপনি যদি এসব ছোটখাট বিষয় ভুলে যান, শেষ পর্যন্ত এটাও তো সৃষ্টিকর্তার ঘর।’

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

মুসল্লিদের জন্য খুলে দেয়া হলো গির্জা

আপডেট টাইম : ০৪:২৪:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০

ডেস্কঃ করোনার বিস্তার রোধে দেশজুড়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা জারি রয়েছে। আর এই নির্দেশনা মানতে গিয়ে মসজিদে স্থানের সংকুলান না হওয়ায় জার্মানির বার্লিন শহরের একটি গির্জা তাদের দুয়ার খুলে দিয়েছে, যেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা সেখানে নামাজ আদায় করতে পারেন। খবর বিবিসি।
জার্মানিতে গত ৪ মে সামাজিক দূরত্ব (আদতে শারীরিক দূরত্ব) মেনে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে প্রার্থনা ফের শুরুর করার অনুমতি দেয়া হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যেককে প্রার্থনার সময় অন্ততপক্ষে ৫ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কিন্তু অনেক জায়গায় অতিরিক্ত মানুষের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।
ঘটনাটি ঘটেছে বার্লিনের দার আসসালাম মসজিদে। গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় সেখানে মুসল্লিদের স্থানের সংকুলান হচ্ছিল না। আর এই মসজিদটির পাশেই মার্থা লুদেরান নামের গির্জার অবস্থান। মসজিদে এমন পরিস্থিতি দেখে গির্জা কর্তৃপক্ষ সমস্যার সমাধানে এভাবেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।
বার্লিনের নিউকোলন ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত ওই মসজিদটি সমস্যার সমাধানে এমন মহৎ উদ্যোগের কারণে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে ওই গির্জা কর্তৃপক্ষ। দার আসসালাম নামের ওই মসজিদের ইমাম বলেন, ‘এই মহামারি আমাদের সবাইকে এক সম্প্রদায়ে পরিণত করেছে। সংকটই মানুষকে এভাবে একত্রিত করে।’

ইমাম আরও বলেন, ‘এটা একটা মহৎ বিষয়। এটা রমজান ও এই সংকটে আমাদের মাঝে আনন্দের বার্তা নিয়ে নিয়ে এসেছে।’ শুক্রবারের ওই জুমার নামাজে কেবল মুসলমানরাই ছিলেন না, ছিলেন মার্থা লুদেরান গির্জার যাজকও। সেখানে নামাজ পড়তে আসা সামির হামদুন নামের একজন বলেন, ‘গির্জা ঘরটির ভেতরে থাকা বাদ্যযন্ত্র আর ছবিগুলোর জন্য একটা অদ্ভূত অনুভূতি হচ্ছিল ঠিকই কিন্তু আপনি যদি এসব ছোটখাট বিষয় ভুলে যান, শেষ পর্যন্ত এটাও তো সৃষ্টিকর্তার ঘর।’