পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়তে পাটগ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ সদস্যের সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি গঠন Logo শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজিত Logo পাটগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে সাইবার নিরাপত্তার জগতে নয়ন রায়ের এগিয়ে চলা Logo বিআরটিএ, ফরিদপুর সার্কেল কর্তৃক জাতীয় সড়ক নিরাপদ দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা” বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলের Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo জমিজমার বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার অভিযোগ Logo পাটগ্রামে ১৭ লাখের দেনমোহর কমিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার করার অভিযোগ, কাজির দুই সহযোগী আটক

ভোলায় চাহিদার ৭ গুণ গ্যাস উৎপাদন!

বাংলার খবর২৪.কম index_55166: ভোলায় দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের বিপরীতে বর্তমান চাহিদা রয়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট। অলস থেকে যাচ্ছে উৎপাদনের প্রায় ৭ ভাগ। যা ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প কারখানায় সংযোগ দিলেও শেষ হচ্ছে না। এদিকে বেড়ে যাচ্ছে গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ বিল। ফলে আতংকিত হচ্ছেন গ্রাহকরা।

কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০১৫ সালের শেষে ছাড়া আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তাবিত ৪৫ কিলোমিটার গ্যাস সংযোগ পাচ্ছে না। আগামী জানুয়ারিতেই জাতীয় গ্রীডে সংযুক্ত হচ্ছে ভোলার গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত ২২৫ মেগাওয়াট থেকে ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আর ভোলাবাসী’র পাশাপাশি এ সুবিধা পাচ্ছেন দেশের অন্য জেলার বাসিন্দারাও। তবে গ্রীড সংযোগের অবকাঠামো নিয়ে হতাশায় সংশ্লিষ্ট মহল।

গত ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান ভোলা এক বিশেষ সফরে এসেছিলেন। তার ওই সফরে তিনি ভোলার গ্যাস আবাসিকভাবে ব্যবহার ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপদানে সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন। ওই সময় সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি, ওজোপাডিকো, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও পেট্রোবাংলার বিভিন্ন অগ্রগতির খবর নেন।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভোলাতে গ্যাস ভিত্তিক শিল্প, কল কারখানা, বিদ্যুৎ প্লান্ট, সিএনজি স্টেশন, গার্মেন্টস শিল্পসহ সকল ধরণের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠবে। আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় কিস্তিতে গ্যাস সংযোগের কাজ চলছে। বিদ্যুতের ডিজিটাল মিটার সংযোগ করা হবে।

ভোলা পৌরসভাসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় গ্রীডে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে ভোলা-বরিশাল, ভোলা-পটুয়াখালী সাব-মেরিন ক্যাবল সংস্কারের মাধ্যমে ভোলার বিদ্যুতের সকল সমস্যার স্থায়ী সামাধান করা হবে। ওই সময় তিনি পল্লী বিদ্যুতকে আরো আধুনিকায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন।

পেট্রোবাংলার সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির পরিসংখ্যানে জানা গেছে, ভোলা শহরে আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে মিটার ছাড়া ২ হাজার ৫ শ’ ৩০টি। মিটার যুক্ত ৮টি। সিএনজি, শিল্প ও বাণিজ্যিক আবেদনপত্র বিক্রি হয়েছে ৩৬টি। বাণিজ্যিক আবেদনপত্র জমা হয়েছে ৪টি। সিএনজি স্টেশনের প্রাথমিক সম্মতি দেয়া হয়েছে ২টি। ভেন্সার এনার্জি রিসোর্সে এবং আবাসিক এলাকায় বর্তমান গ্যাস চাহিদা ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট এবং ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প, বাণিজ্যিক এবং আবাসিক সংযোগসহ মোট চাহিদা ৪৪ দশমিক ৪৪ ঘনফুট। অথচ ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসফিল্ডে উৎপাদন যোগ্য মওজুদ ৫০০ বিলিয়ন ঘনফুট থেকে দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন করা যাবে। বর্তমান চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন যোগ্য প্রায় ৭ ভাগই অকেজো পরে আছে। যা প্রস্তাবিত সংযোগেও শেষ হচ্ছে না। অথচ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদ্যোগের অভাবে গ্যাস ব্যাবহার করতে পাড়ছে না ভোলাবাসী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়তে পাটগ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ সদস্যের সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি গঠন

ভোলায় চাহিদার ৭ গুণ গ্যাস উৎপাদন!

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম index_55166: ভোলায় দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের বিপরীতে বর্তমান চাহিদা রয়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট। অলস থেকে যাচ্ছে উৎপাদনের প্রায় ৭ ভাগ। যা ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প কারখানায় সংযোগ দিলেও শেষ হচ্ছে না। এদিকে বেড়ে যাচ্ছে গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ বিল। ফলে আতংকিত হচ্ছেন গ্রাহকরা।

কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০১৫ সালের শেষে ছাড়া আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তাবিত ৪৫ কিলোমিটার গ্যাস সংযোগ পাচ্ছে না। আগামী জানুয়ারিতেই জাতীয় গ্রীডে সংযুক্ত হচ্ছে ভোলার গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত ২২৫ মেগাওয়াট থেকে ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আর ভোলাবাসী’র পাশাপাশি এ সুবিধা পাচ্ছেন দেশের অন্য জেলার বাসিন্দারাও। তবে গ্রীড সংযোগের অবকাঠামো নিয়ে হতাশায় সংশ্লিষ্ট মহল।

গত ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান ভোলা এক বিশেষ সফরে এসেছিলেন। তার ওই সফরে তিনি ভোলার গ্যাস আবাসিকভাবে ব্যবহার ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপদানে সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন। ওই সময় সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি, ওজোপাডিকো, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও পেট্রোবাংলার বিভিন্ন অগ্রগতির খবর নেন।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভোলাতে গ্যাস ভিত্তিক শিল্প, কল কারখানা, বিদ্যুৎ প্লান্ট, সিএনজি স্টেশন, গার্মেন্টস শিল্পসহ সকল ধরণের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠবে। আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় কিস্তিতে গ্যাস সংযোগের কাজ চলছে। বিদ্যুতের ডিজিটাল মিটার সংযোগ করা হবে।

ভোলা পৌরসভাসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় গ্রীডে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে ভোলা-বরিশাল, ভোলা-পটুয়াখালী সাব-মেরিন ক্যাবল সংস্কারের মাধ্যমে ভোলার বিদ্যুতের সকল সমস্যার স্থায়ী সামাধান করা হবে। ওই সময় তিনি পল্লী বিদ্যুতকে আরো আধুনিকায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন।

পেট্রোবাংলার সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির পরিসংখ্যানে জানা গেছে, ভোলা শহরে আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে মিটার ছাড়া ২ হাজার ৫ শ’ ৩০টি। মিটার যুক্ত ৮টি। সিএনজি, শিল্প ও বাণিজ্যিক আবেদনপত্র বিক্রি হয়েছে ৩৬টি। বাণিজ্যিক আবেদনপত্র জমা হয়েছে ৪টি। সিএনজি স্টেশনের প্রাথমিক সম্মতি দেয়া হয়েছে ২টি। ভেন্সার এনার্জি রিসোর্সে এবং আবাসিক এলাকায় বর্তমান গ্যাস চাহিদা ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট এবং ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প, বাণিজ্যিক এবং আবাসিক সংযোগসহ মোট চাহিদা ৪৪ দশমিক ৪৪ ঘনফুট। অথচ ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসফিল্ডে উৎপাদন যোগ্য মওজুদ ৫০০ বিলিয়ন ঘনফুট থেকে দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন করা যাবে। বর্তমান চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন যোগ্য প্রায় ৭ ভাগই অকেজো পরে আছে। যা প্রস্তাবিত সংযোগেও শেষ হচ্ছে না। অথচ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদ্যোগের অভাবে গ্যাস ব্যাবহার করতে পাড়ছে না ভোলাবাসী।