অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬ Logo মাদরাসাশিক্ষক গ্রেফতার: ছাত্রীকে অজ্ঞান করিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ, খাওয়াতো হতো জন্মনিয়ন্ত্রক Logo স্পষ্ট হচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের লক্ষণ, প্রভাব পড়বে বাংলাদেশেও Logo সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি Logo মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে সুইচ গিয়ারসহ যুবক গ্রেপ্তার Logo এনসিপির শীর্ষ পদ পেয়েছেন ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা: রাশেদ খান Logo বরিশালে দোয়ারিকা-সিকাপুর সেতুর টোল লোপাট কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ !

ভোলায় চাহিদার ৭ গুণ গ্যাস উৎপাদন!

বাংলার খবর২৪.কম index_55166: ভোলায় দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের বিপরীতে বর্তমান চাহিদা রয়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট। অলস থেকে যাচ্ছে উৎপাদনের প্রায় ৭ ভাগ। যা ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প কারখানায় সংযোগ দিলেও শেষ হচ্ছে না। এদিকে বেড়ে যাচ্ছে গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ বিল। ফলে আতংকিত হচ্ছেন গ্রাহকরা।

কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০১৫ সালের শেষে ছাড়া আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তাবিত ৪৫ কিলোমিটার গ্যাস সংযোগ পাচ্ছে না। আগামী জানুয়ারিতেই জাতীয় গ্রীডে সংযুক্ত হচ্ছে ভোলার গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত ২২৫ মেগাওয়াট থেকে ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আর ভোলাবাসী’র পাশাপাশি এ সুবিধা পাচ্ছেন দেশের অন্য জেলার বাসিন্দারাও। তবে গ্রীড সংযোগের অবকাঠামো নিয়ে হতাশায় সংশ্লিষ্ট মহল।

গত ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান ভোলা এক বিশেষ সফরে এসেছিলেন। তার ওই সফরে তিনি ভোলার গ্যাস আবাসিকভাবে ব্যবহার ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপদানে সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন। ওই সময় সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি, ওজোপাডিকো, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও পেট্রোবাংলার বিভিন্ন অগ্রগতির খবর নেন।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভোলাতে গ্যাস ভিত্তিক শিল্প, কল কারখানা, বিদ্যুৎ প্লান্ট, সিএনজি স্টেশন, গার্মেন্টস শিল্পসহ সকল ধরণের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠবে। আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় কিস্তিতে গ্যাস সংযোগের কাজ চলছে। বিদ্যুতের ডিজিটাল মিটার সংযোগ করা হবে।

ভোলা পৌরসভাসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় গ্রীডে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে ভোলা-বরিশাল, ভোলা-পটুয়াখালী সাব-মেরিন ক্যাবল সংস্কারের মাধ্যমে ভোলার বিদ্যুতের সকল সমস্যার স্থায়ী সামাধান করা হবে। ওই সময় তিনি পল্লী বিদ্যুতকে আরো আধুনিকায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন।

পেট্রোবাংলার সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির পরিসংখ্যানে জানা গেছে, ভোলা শহরে আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে মিটার ছাড়া ২ হাজার ৫ শ’ ৩০টি। মিটার যুক্ত ৮টি। সিএনজি, শিল্প ও বাণিজ্যিক আবেদনপত্র বিক্রি হয়েছে ৩৬টি। বাণিজ্যিক আবেদনপত্র জমা হয়েছে ৪টি। সিএনজি স্টেশনের প্রাথমিক সম্মতি দেয়া হয়েছে ২টি। ভেন্সার এনার্জি রিসোর্সে এবং আবাসিক এলাকায় বর্তমান গ্যাস চাহিদা ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট এবং ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প, বাণিজ্যিক এবং আবাসিক সংযোগসহ মোট চাহিদা ৪৪ দশমিক ৪৪ ঘনফুট। অথচ ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসফিল্ডে উৎপাদন যোগ্য মওজুদ ৫০০ বিলিয়ন ঘনফুট থেকে দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন করা যাবে। বর্তমান চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন যোগ্য প্রায় ৭ ভাগই অকেজো পরে আছে। যা প্রস্তাবিত সংযোগেও শেষ হচ্ছে না। অথচ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদ্যোগের অভাবে গ্যাস ব্যাবহার করতে পাড়ছে না ভোলাবাসী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা

ভোলায় চাহিদার ৭ গুণ গ্যাস উৎপাদন!

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম index_55166: ভোলায় দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের বিপরীতে বর্তমান চাহিদা রয়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট। অলস থেকে যাচ্ছে উৎপাদনের প্রায় ৭ ভাগ। যা ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প কারখানায় সংযোগ দিলেও শেষ হচ্ছে না। এদিকে বেড়ে যাচ্ছে গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ বিল। ফলে আতংকিত হচ্ছেন গ্রাহকরা।

কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০১৫ সালের শেষে ছাড়া আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তাবিত ৪৫ কিলোমিটার গ্যাস সংযোগ পাচ্ছে না। আগামী জানুয়ারিতেই জাতীয় গ্রীডে সংযুক্ত হচ্ছে ভোলার গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত ২২৫ মেগাওয়াট থেকে ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আর ভোলাবাসী’র পাশাপাশি এ সুবিধা পাচ্ছেন দেশের অন্য জেলার বাসিন্দারাও। তবে গ্রীড সংযোগের অবকাঠামো নিয়ে হতাশায় সংশ্লিষ্ট মহল।

গত ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান ভোলা এক বিশেষ সফরে এসেছিলেন। তার ওই সফরে তিনি ভোলার গ্যাস আবাসিকভাবে ব্যবহার ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপদানে সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন। ওই সময় সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি, ওজোপাডিকো, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও পেট্রোবাংলার বিভিন্ন অগ্রগতির খবর নেন।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভোলাতে গ্যাস ভিত্তিক শিল্প, কল কারখানা, বিদ্যুৎ প্লান্ট, সিএনজি স্টেশন, গার্মেন্টস শিল্পসহ সকল ধরণের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠবে। আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় কিস্তিতে গ্যাস সংযোগের কাজ চলছে। বিদ্যুতের ডিজিটাল মিটার সংযোগ করা হবে।

ভোলা পৌরসভাসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় গ্রীডে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে ভোলা-বরিশাল, ভোলা-পটুয়াখালী সাব-মেরিন ক্যাবল সংস্কারের মাধ্যমে ভোলার বিদ্যুতের সকল সমস্যার স্থায়ী সামাধান করা হবে। ওই সময় তিনি পল্লী বিদ্যুতকে আরো আধুনিকায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন।

পেট্রোবাংলার সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির পরিসংখ্যানে জানা গেছে, ভোলা শহরে আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে মিটার ছাড়া ২ হাজার ৫ শ’ ৩০টি। মিটার যুক্ত ৮টি। সিএনজি, শিল্প ও বাণিজ্যিক আবেদনপত্র বিক্রি হয়েছে ৩৬টি। বাণিজ্যিক আবেদনপত্র জমা হয়েছে ৪টি। সিএনজি স্টেশনের প্রাথমিক সম্মতি দেয়া হয়েছে ২টি। ভেন্সার এনার্জি রিসোর্সে এবং আবাসিক এলাকায় বর্তমান গ্যাস চাহিদা ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট এবং ভোলায় প্রস্তাবিত শিল্প, বাণিজ্যিক এবং আবাসিক সংযোগসহ মোট চাহিদা ৪৪ দশমিক ৪৪ ঘনফুট। অথচ ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসফিল্ডে উৎপাদন যোগ্য মওজুদ ৫০০ বিলিয়ন ঘনফুট থেকে দৈনিক ৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন করা যাবে। বর্তমান চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন যোগ্য প্রায় ৭ ভাগই অকেজো পরে আছে। যা প্রস্তাবিত সংযোগেও শেষ হচ্ছে না। অথচ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদ্যোগের অভাবে গ্যাস ব্যাবহার করতে পাড়ছে না ভোলাবাসী।