
বিআরটিএ সহকারী পরিচালক হতে উপ পরিচালকের পদোন্নতি তালিকায় দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিবাদের দোসরের কয়েকজনের তালিকা যা বাংলার খবর এর কাছে রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগের সময় সাবেক সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিন্ডিকেটের অন্যতম দোসর বিআরটিএ এক সহকারী পরিচালক পুরো বিআরটিএ নিয়ন্ত্রণ করতো কার কোথায় বদলী পদায়ন, নিয়োগ বানিজ্য, ঘুষ বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব কিছুই তার হাত ধরে নিয়ন্ত্রণ করতো। গত ৫ই আগষ্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকার পতন হলে সে কোণঠাসা হয়ে যায়। কিন্তু সে আবারো বিআরটিএর সদর কার্যালয়ে দুর্নীতিবাজ কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে আবারো আগের অবস্থানে চলে আসে। সম্প্রতি আগামীকাল ৩০ আগষ্ট পদোন্নতি কমিটির (DPC) বিবেচনায় তাদের নাম থাকলেও ৩০ তারিখের সভা স্থগিত করে সম্ভাব্য ৬ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পদোন্নতি কমিটির (DPC) এর যুগ্ম সচিব নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি জানান এই তালিকায় কোন দুর্নীতিবাজ, ফ্যাসিবাদের দোসর দুদকের কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি, বিভাগীয় মামলা এবং কোনো তথ্য গোপন করে থাকলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আপনার কাছে কোনো তথ্য থাকলে আমাদেরকে দিয়ে সহযোগিতা করুন।
বিশেষজ্ঞদের মতে যদি কোনো কর্মকর্তার দুর্নীতির অভিযোগ থাকার পরও সহকারী পরিচালক থেকে উপ-পরিচালক পদে পদোন্নতির তালিকায় নাম থাকা বা পদোন্নতি পাওয়া একটি গুরুতর আইনি ও নৈতিক বিষয়। বাংলাদেশের সরকারি চাকরি আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত বা ফৌজদারি মামলার চার্জশিট থাকলে সাধারণত তার পদোন্নতি স্থগিত বা বাতিল রাখার নিয়ম রয়েছে।অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির প্রক্রিয়া এবং এর বিরুদ্ধে :১. প্রচলিত আইনি ও বিভাগীয় নিয়মাবলীবিভাগীয় মামলা: কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলে পদোন্নতি কমিটির (DPC) বিবেচনায় তাদের নাম থাকলেও পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়।দুদকের তদন্ত: দুর্নীতি দমন কমিশনের কোনো মামলার চার্জশিট বা তদন্তাধীন গুরুতর অভিযোগ থাকলে সাধারণত ওই কর্মকর্তাদের পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় না।যোগ্যতার শর্ত: পদোন্নতির অন্যতম প্রধান শর্ত হলো ‘বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন’ (ACR) সন্তোষজনক হওয়া এবং ‘সততার ছাড়পত্র’ (Clearance) থাকা। দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে এই ছাড়পত্র পাওয়ার কথা নয়।২. কেন এমনটি ঘটতে পারে?তদন্তের ধীরগতি: অনেক সময় অভিযোগ দায়ের হলেও আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হতে বা বিভাগীয় মামলা রুজু হতে দীর্ঘ সময় লাগে, যার সুযোগ নেন অভিযুক্তরা।প্রভাব ও লবিং: প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনেকে তথ্য গোপন করে পদোন্নতির তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করিয়ে নেন।ভুল তথ্যের উপস্থাপন: সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা থেকে পদোন্নতি কমিটির কাছে সঠিক তথ্য সময়মতো না পৌঁছালে এমন ত্রুটি হতে পারে।৩. যেসকল পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভবযদি কোনো নির্দিষ্ট দপ্তরে এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তবে সচেতন নাগরিক বা সংক্ষুব্ধ পক্ষ হিসেবে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যায়:লিখিত অভিযোগ দায়ের: সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব বা বিভাগীয় প্রধানের কাছে প্রমাণাদিসহ লিখিতভাবে পদোন্নতি বাতিলের বা স্থগিতের আবেদন করা। দুদকে তথ্য প্রদান: অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ থাকলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এ সরাসরি অভিযোগ সেলে জানানো।
(বিস্তারিত তথ্য প্রমাণ সহ তালিকা আসছে)
বাংলার খবর ডেস্ক : 














