অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোটরসাইকেল পার্টস আটক Logo মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৯ জন দালাল আটক Logo লালমনিরহাটে শিবরাম স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিনজনকে কারাদণ্ড। Logo সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি বিআরজেইউর Logo জলসিঁড়ি আবাসনের জবরদখলের প্রতিবাদ ও জিয়া খাল উদ্ধারে ১০ গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দাদের সভা Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড। Logo সীমান্তে ফাঁকা গুলি, ৪ বাংলাদেশির নৌকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে Logo পাটগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০ লাখ টাকার মালামাল আটক

আষাঢ়ের কবিতা

একজন নিশাদ

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
ছাতি-ছিদ্র ভেদ করে দুর্বল দানারূপে রমণীর
শরীর চুমে যাচ্ছে বৃষ্টিবিন্দু।
হোক কবিতায় কিংবা রমণীর উষ্ণতায়,
ঢলেপড়ার বদভ্যাসটা বৃষ্টির আর গেলোনা।

মেঘলা মহুয়ার সতেজতা রমণীর ভাললাগা হতে পারে,
তথাপী দুশ্চরিত্র বাতাস যখন আঁচল টানে আপন মনে-
রমণী ভেবে পায় না

ছাতা না আঁচল
বাতাস না বৃষ্টি।

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
জানালার ভাঙা অংশ দিয়ে ধেয়ে আসা প্রবল ঠান্ডা বাতাসেও
ঘেমে জবজবে সাধাসিধে যুবক,
একহাতে বর্ষজুড়ে এঁকে চলা পোট্রেট অন্যহাতে দিয়াশলাই।
ঝুল বারান্দার টবগুলোতে মিশে যেতে দেখা জলের বুদবুদ দেখে
ঈর্ষায় পরপর তিনবার গর্জে উঠেও ব্যর্থতার গুঞ্জন বাতাসে ভাসায় বারুদের ঘ্রাণ
খিলখিল শব্দে হেসে ওঠে কপাটগুলো।
যুবক ভেবে পায় না

অগ্নি না প্রেম
জল না মায়া

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তির অবস্থানে
সাঁতার কাটতে ব্যস্ত
কিছু তরুণ তরুনী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া

আষাঢ়ের কবিতা

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০১৪

একজন নিশাদ

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
ছাতি-ছিদ্র ভেদ করে দুর্বল দানারূপে রমণীর
শরীর চুমে যাচ্ছে বৃষ্টিবিন্দু।
হোক কবিতায় কিংবা রমণীর উষ্ণতায়,
ঢলেপড়ার বদভ্যাসটা বৃষ্টির আর গেলোনা।

মেঘলা মহুয়ার সতেজতা রমণীর ভাললাগা হতে পারে,
তথাপী দুশ্চরিত্র বাতাস যখন আঁচল টানে আপন মনে-
রমণী ভেবে পায় না

ছাতা না আঁচল
বাতাস না বৃষ্টি।

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
জানালার ভাঙা অংশ দিয়ে ধেয়ে আসা প্রবল ঠান্ডা বাতাসেও
ঘেমে জবজবে সাধাসিধে যুবক,
একহাতে বর্ষজুড়ে এঁকে চলা পোট্রেট অন্যহাতে দিয়াশলাই।
ঝুল বারান্দার টবগুলোতে মিশে যেতে দেখা জলের বুদবুদ দেখে
ঈর্ষায় পরপর তিনবার গর্জে উঠেও ব্যর্থতার গুঞ্জন বাতাসে ভাসায় বারুদের ঘ্রাণ
খিলখিল শব্দে হেসে ওঠে কপাটগুলো।
যুবক ভেবে পায় না

অগ্নি না প্রেম
জল না মায়া

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তির অবস্থানে
সাঁতার কাটতে ব্যস্ত
কিছু তরুণ তরুনী।