অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নতুন বাজারে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

চার দিনের সফরে ভারতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ছিটমহল নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ

কলকাতা: চার দিনের সফরে ১৮ ডিসেম্বর ভারতে আসছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ অনেকটাই এগোতে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিটমহল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে তার আপত্তি তুলে নেওয়ায় সীমান্ত চুক্তি বাস্তব হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

আজ এই খবর দিয়েছে কলকাতার একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১সালে যখন ভারত সফরে এসেছিলেন, তখন ভারতের তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের সময় ৭৪-এর স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ব্যাপারে যৌথ ঘোষণা করা হয়েছিল। এই চুক্তিতে দুই দেশের মধ্যে ছিটমহলগুলো বিনিময়ের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপির বিরোধিতার কারণে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ঝুলে ছিল দীর্ঘসময়। এখন নতুন করে বিজেপির নেতৃত্বে সরকার চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। অবশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিটমহল বিনিময়ের ব্যাপারে তার আপত্তি তুলে নিয়েছেন। ফলে চুক্তিটি এখন বাস্তবায়নে গতি পাবে বলেই মনে করছে বাংলাদেশ সরকার।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বিষয়টিতে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন বেড়েছে। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এমন এক সময় ভারত সফরে যাচ্ছেন, যখন ভারতের সংসদে চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য আসতে পারে। বাংলাদেশ আশা করে, রাষ্ট্রপতির এই সফরে দুই দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে আরও গতি পাবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও পরে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ

চার দিনের সফরে ভারতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ছিটমহল নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ০২:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৪

কলকাতা: চার দিনের সফরে ১৮ ডিসেম্বর ভারতে আসছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ অনেকটাই এগোতে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিটমহল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে তার আপত্তি তুলে নেওয়ায় সীমান্ত চুক্তি বাস্তব হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

আজ এই খবর দিয়েছে কলকাতার একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১সালে যখন ভারত সফরে এসেছিলেন, তখন ভারতের তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের সময় ৭৪-এর স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ব্যাপারে যৌথ ঘোষণা করা হয়েছিল। এই চুক্তিতে দুই দেশের মধ্যে ছিটমহলগুলো বিনিময়ের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপির বিরোধিতার কারণে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ঝুলে ছিল দীর্ঘসময়। এখন নতুন করে বিজেপির নেতৃত্বে সরকার চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। অবশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিটমহল বিনিময়ের ব্যাপারে তার আপত্তি তুলে নিয়েছেন। ফলে চুক্তিটি এখন বাস্তবায়নে গতি পাবে বলেই মনে করছে বাংলাদেশ সরকার।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বিষয়টিতে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন বেড়েছে। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এমন এক সময় ভারত সফরে যাচ্ছেন, যখন ভারতের সংসদে চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য আসতে পারে। বাংলাদেশ আশা করে, রাষ্ট্রপতির এই সফরে দুই দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে আরও গতি পাবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও পরে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।