অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

সিআইএর বন্দী নির্যাতন বিষয়ে বুশ জানতেন: ডিক চেনি

নিউইয়র্ক: সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদে বন্দী নির্যাতন বিষয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ সবই জানতেন বলে মন্তব্য করেছেন তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিক চেনি বলেন, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতেন। এছাড়া সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদ বিষয়ে মার্কিন সিনেটের প্রতিবেদনটি পড়েননি বলে স্বীকার করলেও চেনি প্রতিবেদনটিকে ‘ভুলে ভরা’ ও ‘বাজে কথায় ভরপুর’ বলে মন্তব্য করেন।

জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি সঠিক ছিল বলে সিআইএর পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ‘এই জিজ্ঞাসাবাদ অনেক বন্দীর জীবন বাঁচিয়েছে। আর এজন্য সিআইএ প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।

এছাড়া ‘গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের ইনটেলিজেন্স কমিটি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে ২০০১ সালের টুইন টাওয়ারে হামলার পর সন্ত্রাসবাদ ও আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের ওপর সিআইএর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনের সারমর্মে বলা হয়, বন্দীদের জিজ্ঞাসাবাদ বিষয়ে সিআইএ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদদের ভুল পথে পরিচালিত করেছে।

এদিকে আল কায়েদা সন্দেহে আটকদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে সিআইএ ‘নিষ্ঠুর’ ও ‘অকার্যকর’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। আর এসব জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় কোনো কাজে আসেনি।

সাক্ষাৎকারে ডিক চেনি আরও বলেন, ‘বুশ সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদের পদ্ধতি বিষয়ে ‘সম্পূর্ণ অবগত’ ছিলেন। এ বিষয়ে তার যতটুকু জানার দরকার ছিল এবং যতটুকু তিনি জানতে চেয়েছেন তার সবই তিনি জেনেছেন। বিষয়টিকে তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে আমার কখনো কোনো প্রচেষ্টাই ছিল না’।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

সিআইএর বন্দী নির্যাতন বিষয়ে বুশ জানতেন: ডিক চেনি

আপডেট টাইম : ০৪:১৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪

নিউইয়র্ক: সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদে বন্দী নির্যাতন বিষয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ সবই জানতেন বলে মন্তব্য করেছেন তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিক চেনি বলেন, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতেন। এছাড়া সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদ বিষয়ে মার্কিন সিনেটের প্রতিবেদনটি পড়েননি বলে স্বীকার করলেও চেনি প্রতিবেদনটিকে ‘ভুলে ভরা’ ও ‘বাজে কথায় ভরপুর’ বলে মন্তব্য করেন।

জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি সঠিক ছিল বলে সিআইএর পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ‘এই জিজ্ঞাসাবাদ অনেক বন্দীর জীবন বাঁচিয়েছে। আর এজন্য সিআইএ প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।

এছাড়া ‘গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের ইনটেলিজেন্স কমিটি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে ২০০১ সালের টুইন টাওয়ারে হামলার পর সন্ত্রাসবাদ ও আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের ওপর সিআইএর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনের সারমর্মে বলা হয়, বন্দীদের জিজ্ঞাসাবাদ বিষয়ে সিআইএ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদদের ভুল পথে পরিচালিত করেছে।

এদিকে আল কায়েদা সন্দেহে আটকদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে সিআইএ ‘নিষ্ঠুর’ ও ‘অকার্যকর’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। আর এসব জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় কোনো কাজে আসেনি।

সাক্ষাৎকারে ডিক চেনি আরও বলেন, ‘বুশ সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদের পদ্ধতি বিষয়ে ‘সম্পূর্ণ অবগত’ ছিলেন। এ বিষয়ে তার যতটুকু জানার দরকার ছিল এবং যতটুকু তিনি জানতে চেয়েছেন তার সবই তিনি জেনেছেন। বিষয়টিকে তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে আমার কখনো কোনো প্রচেষ্টাই ছিল না’।