পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নতুন বাজারে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

কোকোর ঋণ খেলাপি মামলা খালেদা জিয়াকে আসামি করার আবেদন মঞ্জুর

ঢাকা : ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণ খেলাপির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আসামি করতে সোনালী ব্যাংকের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলায় কোকোর স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও আসামি করার আবেদনও মঞ্জুর হয়েছে।

ব্যাংকের ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আক্তার হ্যাপি এ আবেদন মঞ্জুর করেন।

রোববার আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আক্তার হ্যাপি এ দিন ধার্য করেন। হাইকোর্টের আদেশ দাখিল ও ইস্যু (বিচার্য বিষয়) গঠনের জন্য আগামী ১২ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের আবেদনে বলা হয়, আরাফাত রহমান কোকো এ মামলার বিবাদী। তিনি মারা যাওয়ায় খেলাপি ঋণ দেওয়ানি কর্মবিধি আইনের ২২নং আদেশের নিয়ম ৪ অনুসারে তার সম্পদের ওয়ারিশরা বিবাদীভুক্ত হবেন। তাই তার ওয়ারিশ হিসেবে মা-খালেদা জিয়া, স্ত্রী-শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে-জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদীভুক্ত করার আবেদন জানানো হয়েছে।

এদিকে কোনো ছেলে না থাকায় বড় ভাই তারেক রহমানও কোকোর সম্পদের ওয়ারিশ। তবে তারেক রহমান এ মামলায় আগে থেকেই বিবাদী হওয়ায় তাকে নতুন করে বিবাদীভুক্ত করার আবেদন জানানো হয়নি।

২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

পরদিন ৩ অক্টোবর মামলাটি মধ্যস্থতা করার জন্য এডভোকেট আব্দুস সালামকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করেন বিচারক। কিন্তু দীর্ঘদিনেও কোনো মধ্যস্থতা না হওয়ায় বিচারক মামলাটিতে ইস্যু গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ

কোকোর ঋণ খেলাপি মামলা খালেদা জিয়াকে আসামি করার আবেদন মঞ্জুর

আপডেট টাইম : ০৬:০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০১৫

ঢাকা : ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণ খেলাপির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আসামি করতে সোনালী ব্যাংকের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলায় কোকোর স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও আসামি করার আবেদনও মঞ্জুর হয়েছে।

ব্যাংকের ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আক্তার হ্যাপি এ আবেদন মঞ্জুর করেন।

রোববার আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আক্তার হ্যাপি এ দিন ধার্য করেন। হাইকোর্টের আদেশ দাখিল ও ইস্যু (বিচার্য বিষয়) গঠনের জন্য আগামী ১২ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের আবেদনে বলা হয়, আরাফাত রহমান কোকো এ মামলার বিবাদী। তিনি মারা যাওয়ায় খেলাপি ঋণ দেওয়ানি কর্মবিধি আইনের ২২নং আদেশের নিয়ম ৪ অনুসারে তার সম্পদের ওয়ারিশরা বিবাদীভুক্ত হবেন। তাই তার ওয়ারিশ হিসেবে মা-খালেদা জিয়া, স্ত্রী-শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে-জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদীভুক্ত করার আবেদন জানানো হয়েছে।

এদিকে কোনো ছেলে না থাকায় বড় ভাই তারেক রহমানও কোকোর সম্পদের ওয়ারিশ। তবে তারেক রহমান এ মামলায় আগে থেকেই বিবাদী হওয়ায় তাকে নতুন করে বিবাদীভুক্ত করার আবেদন জানানো হয়নি।

২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

পরদিন ৩ অক্টোবর মামলাটি মধ্যস্থতা করার জন্য এডভোকেট আব্দুস সালামকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করেন বিচারক। কিন্তু দীর্ঘদিনেও কোনো মধ্যস্থতা না হওয়ায় বিচারক মামলাটিতে ইস্যু গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।