
রূপগঞ্জ কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ কায়েতপাড়ায় পৈতৃক ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষা, অবৈধভাবে বালু ভরাট করা জমির ক্ষতিপূরণ এবং জমির ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের দাবিতে ১০ গ্রামের ভুক্তভোগীদের অংশগ্রহণে সভা, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার ( ৩১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের কায়েতপাড়ার মাঝিনা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ‘পৈতৃক ভিটা মাটি সংরক্ষণ পরিষদের আয়োজনে স্থানীয় ১০টি গ্রামের শতশত ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও কৃষকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, আবাসন কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে তাদের পৈতৃক ভিটা-মাটি এবং ফসলি জমি জোরপূর্বক বালু ভরাট করে দখল করে নিচ্ছে। এতে করে বহু কৃষক পরিবার তাদের আয়ের একমাত্র উৎস হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বক্তারা অনতিবিলম্বে এই অবৈধ বালু ভরাট বন্ধ করার, ভরাটকৃত জমির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার এবং জমির ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। 
বক্তব্য শেষে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে একটি গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং পরে একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন-রফিকুল ইসলাম, সমাজসেবক ইলিয়াস পারভেজ, আহসান উল্লাহ মাষ্টার, এডভোকেট নাজমুল, ইলিয়াস পারভেজ, সুমন চৌধুরী, রূপগঞ্জ গ্রেজুয়েট এসোসিয়েশনের সভাপতি ইউসুফ চৌধুরী, গণ অধিকার পরিষদের নেতা ওয়াসিম উদ্দীন, রূপগঞ্জ সোশাল ফাউন্ডেশনের সভাপতি আমজাদ হোসেন, বিএনপি নেতা ফিরোজুল মাস্টার, জলিল গাজী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সোহেল খান, হাসান মোর্শেদ, মিল্লাত হোসেন, সাবেক ব্যাংকার আবু বকরসহ অনেকে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 









