অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

সিআইএ’র ‘পাশবিক’ নির্যাতনের তথ্য

ওয়াশিংটন: আমেরিকা সিনেটররা অভিযোগ করেছেন, “৯/১১ পরবর্তী সময়ে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে চরম নিষ্ঠুর পদ্ধতি ব্যবহার করেছে সিআইএ।”

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯/১১ এর হামলার পর প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশের শাসনামলে ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটি কর্মসূচি চালু করে সিআইএ, যেটিকে অভ্যন্তরীণভাবে ‘রেনডিশন, ডিটেনশন অ্যান্ড ইন্টারোগেশন’ বলে অভিহিত করা হতো।

এই কর্মসূচির আওতায় সন্দেহভাজনদের ঘুমাতে না দেয়া, পানিতে চুবানো, নির্দয় প্রহার করা এবং নানা রকম অবমাননাকর কাজ করানো হতো, যে পদ্ধতিকে ‘এনহ্যান্সড ইন্টারোগেশন টেকনিকস’ বা সংক্ষেপে ইআইটি বলা হতো।

এভাবে নির্যাতন করে সিআইএ যেসব তথ্য পেয়েছে তা পরবর্তী সময়ে কোনো কাজে আসেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির প্রধান ডিয়ানে ফেইনস্টেইন। সিনেটের কাছে প্রতিবেদনটি হস্তান্তরের সময় ইন্টেলিজেন্স কমিটির প্রধান বলেন, “সিআইএর যেসব কর্মকাণ্ড এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছে।”

সিআইএ’র পরিচালক জন ব্রেনান অবশ্য এক বিবৃতিতে বলেছেন, “এসব পন্থা ব্যবহার করে তারা অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হয়েছেন।”

তবে প্রেসিডেন্ট ওবামা এক বিবৃতিতে বলেছেন, তার সময়কালে উল্লিখিত জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি আর ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

এসব পন্থা দেশে এবং বিদেশে আমেরিকার ভাবমূর্তি যথেষ্ট ক্ষুণ্ণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।–বিবিসি।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

সিআইএ’র ‘পাশবিক’ নির্যাতনের তথ্য

আপডেট টাইম : ০৪:০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৪

ওয়াশিংটন: আমেরিকা সিনেটররা অভিযোগ করেছেন, “৯/১১ পরবর্তী সময়ে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে চরম নিষ্ঠুর পদ্ধতি ব্যবহার করেছে সিআইএ।”

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯/১১ এর হামলার পর প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশের শাসনামলে ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটি কর্মসূচি চালু করে সিআইএ, যেটিকে অভ্যন্তরীণভাবে ‘রেনডিশন, ডিটেনশন অ্যান্ড ইন্টারোগেশন’ বলে অভিহিত করা হতো।

এই কর্মসূচির আওতায় সন্দেহভাজনদের ঘুমাতে না দেয়া, পানিতে চুবানো, নির্দয় প্রহার করা এবং নানা রকম অবমাননাকর কাজ করানো হতো, যে পদ্ধতিকে ‘এনহ্যান্সড ইন্টারোগেশন টেকনিকস’ বা সংক্ষেপে ইআইটি বলা হতো।

এভাবে নির্যাতন করে সিআইএ যেসব তথ্য পেয়েছে তা পরবর্তী সময়ে কোনো কাজে আসেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির প্রধান ডিয়ানে ফেইনস্টেইন। সিনেটের কাছে প্রতিবেদনটি হস্তান্তরের সময় ইন্টেলিজেন্স কমিটির প্রধান বলেন, “সিআইএর যেসব কর্মকাণ্ড এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছে।”

সিআইএ’র পরিচালক জন ব্রেনান অবশ্য এক বিবৃতিতে বলেছেন, “এসব পন্থা ব্যবহার করে তারা অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হয়েছেন।”

তবে প্রেসিডেন্ট ওবামা এক বিবৃতিতে বলেছেন, তার সময়কালে উল্লিখিত জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি আর ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

এসব পন্থা দেশে এবং বিদেশে আমেরিকার ভাবমূর্তি যথেষ্ট ক্ষুণ্ণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।–বিবিসি।