অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬ Logo মাদরাসাশিক্ষক গ্রেফতার: ছাত্রীকে অজ্ঞান করিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ, খাওয়াতো হতো জন্মনিয়ন্ত্রক Logo স্পষ্ট হচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের লক্ষণ, প্রভাব পড়বে বাংলাদেশেও Logo সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি Logo মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে সুইচ গিয়ারসহ যুবক গ্রেপ্তার Logo এনসিপির শীর্ষ পদ পেয়েছেন ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা: রাশেদ খান Logo বরিশালে দোয়ারিকা-সিকাপুর সেতুর টোল লোপাট কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ !

দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ : জ্বালানি সচিবসহ ৫ জনের শুনানি

বাংলার খবর২৪.কমindex_48795: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু বকর সিদ্দিকসহ চার আমলা এবং এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার শুনানি গ্রহণ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার বেলা ১২টা থেকে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিশন তাদের শুনানি গ্রহণ শুরু করে। দুদকের পঞ্চম তলার মিনি কনফারেন্স রুমে তাদের শুনানি চলছে।

দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র শীর্ষ নিউজকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুর্নীতির মামলায় যাদের শুনানি গ্রহণ করা হচ্ছে তারা হলেন- জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান) আবু বকর সিদ্দিক, ওএসডিতে থাকা অতিরিক্ত সচিব (বিপিসির সাবেক সচিব) আনোয়ারুল করিম, বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান একেএম জাফরউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত সচিব), সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মুক্তাদির আলী এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার সদস্য (অতিরিক্ত সচিব), বিপিসির সাবেক ডিএমডি মো. আবদুল আউয়াল। এরা সবাই দুদকের মামলার আসামি।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ওশান লস (সমুদ্রে পরিবহনজনিত লোকসান) কম-বেশি দেখিয়ে আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের বিপরীতে বিপিসি ১৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে। এ অর্থ আত্মসাৎ করেন বিপিসির সাবেক পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৩ সালের ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর থানায় মামলা করে দুদক। ৮ মাস তদন্ত শেষে ২৯ জুন ৫ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন উপ-পরিচালক যতন কুমার রায়। এর আগেই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে দুদক আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী পাঁচ অভিযুক্তই ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন জানান। এ আইন অনুযায়ী কমিশন প্রয়োজন মনে করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে পারে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা

দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ : জ্বালানি সচিবসহ ৫ জনের শুনানি

আপডেট টাইম : ০৯:৫৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_48795: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) দেড়শ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু বকর সিদ্দিকসহ চার আমলা এবং এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার শুনানি গ্রহণ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার বেলা ১২টা থেকে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিশন তাদের শুনানি গ্রহণ শুরু করে। দুদকের পঞ্চম তলার মিনি কনফারেন্স রুমে তাদের শুনানি চলছে।

দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র শীর্ষ নিউজকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুর্নীতির মামলায় যাদের শুনানি গ্রহণ করা হচ্ছে তারা হলেন- জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান) আবু বকর সিদ্দিক, ওএসডিতে থাকা অতিরিক্ত সচিব (বিপিসির সাবেক সচিব) আনোয়ারুল করিম, বিপিসির সাবেক চেয়ারম্যান একেএম জাফরউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত সচিব), সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মুক্তাদির আলী এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার সদস্য (অতিরিক্ত সচিব), বিপিসির সাবেক ডিএমডি মো. আবদুল আউয়াল। এরা সবাই দুদকের মামলার আসামি।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ওশান লস (সমুদ্রে পরিবহনজনিত লোকসান) কম-বেশি দেখিয়ে আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের বিপরীতে বিপিসি ১৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে। এ অর্থ আত্মসাৎ করেন বিপিসির সাবেক পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৩ সালের ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর থানায় মামলা করে দুদক। ৮ মাস তদন্ত শেষে ২৯ জুন ৫ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন উপ-পরিচালক যতন কুমার রায়। এর আগেই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে দুদক আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী পাঁচ অভিযুক্তই ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন জানান। এ আইন অনুযায়ী কমিশন প্রয়োজন মনে করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে পারে।