পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় Logo লালমনিরহাটে নিরাপদ সড়ক গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo লালমনিরহাট মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনায়- পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo বুড়িমারীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজপথে এলাকাবাসী Logo হাতীবান্ধা সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে এস্কাপ সিরাপ ও গাঁজা জব্দ Logo লালমনিরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু Logo চলন্ত বাসে জন্ম, আজীবন বিনামূল্যে যাতায়াতের উপহার পেল শিশু Logo পাটগ্রাম সীমান্তে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় চুইঝাল জব্দ Logo পাটগ্রামে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৭ Logo হেলাল হোসেন কবির : সাংবাদিকতা ও কাব্যচর্চার দ্বৈত পরিচয়

ওজোন স্তরের গহ্বর কমছে

বাংলার খবর২৪.কম500x350_b3c2130aee9f21640d81fe534908d633_ojon ডেস্কঃ জাতিসংঘের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ওজোনগহ্বর ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে। স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বা শূন্যস্তর হলো বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় মুখ্য স্তর। বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ ওজোন পাওয়া যায় পৃথিবীর ‘রক্ষা বলয়’ হিসেবে পরিচিত এই স্তরে। আর এই রক্ষা বলয় যত সঙ্কুচিত হবে পৃথিবীর জন্য ততই ভাল। ওজোন অক্সিজেনের একটি রূপভেদ, যার রাসায়নিক সঙ্কেত হচ্ছে তিনটি অক্সিজেন পরমাণুর একত্রিকরণ। সূর্য থেকে যে অতিবেগুনি রশ্মি ছড়িয়ে পড়ে, তা ফিল্টার করে এই শূন্যস্তর এবং সেই পন্থায় মানুষকে রক্ষা করে চর্ম ও চোখের ক্ষতির হাত থেকে। ৮০’র দশক থেকে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলা ওজোনস্তরের গহ্বরটা সঙ্কুচিত হওয়ার ফলে বড় ধরনের হুমকির মুখ থেকে বেঁচে যাবে পৃথিবী।
মাঠের ফসলকেও অতিবেগুনি রশ্মির বিকিরণ থেকে রক্ষা করে এই ওজোনস্তর। বিজ্ঞানীরা এই তথ্য জানিয়ে বলেন, এই উন্নয়ন থেকেই বোঝা যায় সঙ্কটকালে এক হয়ে কাজ করলে বিশ্বের যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব।
নাসার বিজ্ঞানী পল নিউম্যান জানান, ‘‘২০০০ থেকে ২০১৩ সাল অবধি ওজোনের মাত্রা চারগুণ বেড়েছে। উত্তর অক্ষাংশে প্রায় ৩০ মাইল জুড়ে এর বিস্তার হয়েছে।” আনুমানিক ৭০-এর দশকের শেষেরদিকে ওজোনস্তর পাতলা হতে থাকে। বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করলে ১৯৮৭ সালে বিশ্বের দেশগুলো সিএফসি নির্গমন কমানোর ব্যাপারে একমত হয়। এর ফলে সিএফসি নির্গমন হার এই কয়েক বছরে অনেকটা কমেছে।
বিজ্ঞানীরা বলেন, ‘‘ঐ চুক্তিতে না পৌঁছালে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিবছর বিশ্বে অন্তত আরও ২০ লাখ মানুষ ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হতেন।” অবশ্য তাঁদের কথায়, ‘‘ওজোনস্তরের বিশাল গহ্বরটি বন্ধ করতে এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।”

Tag :

পাটগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময়

ওজোন স্তরের গহ্বর কমছে

আপডেট টাইম : ১২:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম500x350_b3c2130aee9f21640d81fe534908d633_ojon ডেস্কঃ জাতিসংঘের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ওজোনগহ্বর ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে। স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বা শূন্যস্তর হলো বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় মুখ্য স্তর। বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ ওজোন পাওয়া যায় পৃথিবীর ‘রক্ষা বলয়’ হিসেবে পরিচিত এই স্তরে। আর এই রক্ষা বলয় যত সঙ্কুচিত হবে পৃথিবীর জন্য ততই ভাল। ওজোন অক্সিজেনের একটি রূপভেদ, যার রাসায়নিক সঙ্কেত হচ্ছে তিনটি অক্সিজেন পরমাণুর একত্রিকরণ। সূর্য থেকে যে অতিবেগুনি রশ্মি ছড়িয়ে পড়ে, তা ফিল্টার করে এই শূন্যস্তর এবং সেই পন্থায় মানুষকে রক্ষা করে চর্ম ও চোখের ক্ষতির হাত থেকে। ৮০’র দশক থেকে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলা ওজোনস্তরের গহ্বরটা সঙ্কুচিত হওয়ার ফলে বড় ধরনের হুমকির মুখ থেকে বেঁচে যাবে পৃথিবী।
মাঠের ফসলকেও অতিবেগুনি রশ্মির বিকিরণ থেকে রক্ষা করে এই ওজোনস্তর। বিজ্ঞানীরা এই তথ্য জানিয়ে বলেন, এই উন্নয়ন থেকেই বোঝা যায় সঙ্কটকালে এক হয়ে কাজ করলে বিশ্বের যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব।
নাসার বিজ্ঞানী পল নিউম্যান জানান, ‘‘২০০০ থেকে ২০১৩ সাল অবধি ওজোনের মাত্রা চারগুণ বেড়েছে। উত্তর অক্ষাংশে প্রায় ৩০ মাইল জুড়ে এর বিস্তার হয়েছে।” আনুমানিক ৭০-এর দশকের শেষেরদিকে ওজোনস্তর পাতলা হতে থাকে। বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করলে ১৯৮৭ সালে বিশ্বের দেশগুলো সিএফসি নির্গমন কমানোর ব্যাপারে একমত হয়। এর ফলে সিএফসি নির্গমন হার এই কয়েক বছরে অনেকটা কমেছে।
বিজ্ঞানীরা বলেন, ‘‘ঐ চুক্তিতে না পৌঁছালে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিবছর বিশ্বে অন্তত আরও ২০ লাখ মানুষ ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হতেন।” অবশ্য তাঁদের কথায়, ‘‘ওজোনস্তরের বিশাল গহ্বরটি বন্ধ করতে এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।”